Results for Books Review

বুক রিভিউঃ ক্যালকাটায় নবকুমার



বুক রিভিউ:

বই: ক্যালকাটায় নবকুমার

লেখক: সমরেশ মজুমদার।

রিভিউয়ারঃ মুহাম্মদ আশফাক উদ্দিন 

ডাউনলোড লিংকঃ ক্লিক করুন

বঙ্কিমচন্দ্র পুরষ্কার পাওয়া বই, কৌতূহল বশতই পড়তে শুরু করেছিলাম, খারাপ লাগেনি পড়তে।


গ্রামের সহজ-সরল ছেলে নবকুমার  বি.এ পাশ করে গ্রামেই বেকার বসে আছে। পরীক্ষায় তেমন আহামরি ফলাফল হয়নি তার। নবকুমার বুঝেছে গ্রামে থেকে জীবিকাকে গ্র‍্যাজুয়েশনের সাথে জড়ালে যা দাঁড়ায় তা মোটেই সন্তোষজনক কিছু নয়। তাই সে কলকতা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সেখানে সে যা পাবে তাই করে নেবে অন্তত চক্ষুলজ্জা কিংবা কাজের অভাব দুটোর কোনটাই হবেনা। কলকতায় যাওয়ার সিদ্ধান্তে প্রথমদিকে পিতামাতা বাধা হয়ে দাঁড়ালেও অনিচ্ছাকৃতভাবে নবকুমারকে যেতে দেন তারা।

এরপর অল্পকিছু অর্থ নিয়ে মাস্টারদা নামের একজন পরিচিত লোকের সাথে কলকতায় পাড়ি জমায় নবকুমার।

যাত্রাপথে একটা পরিবারের সাথে তার বেশ সখ্যতা, ঝুঁকি নিয়েও সাহায্য করবার মানসিকতা এবং অল্পসময়েই ক্ষণিক মায়ার প্রতি পিছুটান নবকুমারের সরলতাকে আরো ফুটিয়ে তোলেছে।


আবার কলকতায় গিয়ে মাস্টারদার মাধ্যমে একরাত শেফালি মায়ের ঘরে অবস্থানের সুযোগ, সেখান থেকেই ভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্যক্রমে শেফালি মায়ের মনজয় করে তার বাড়িতে অবস্থানের স্থায়ী সুযোগ। এখানে আমি ভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্যক্রমে কথাটা বলার একটা সুনির্দিষ্ট কারন রয়েছে যেটা জানতে হলে উপন্যাসটা আপনাকে পুরোটা পড়তে হবে।

কলকতায় প্রথম দিন থেকে নবকুমারের ভাগ্য সবসময়ই ভালো'র অনুকূলে, যেমন, ফ্রেশার সত্ত্বেও যাত্রার প্রম্পটারে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যাওয়া, মাইনে বৃদ্ধি এরপর হুট করে ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ তাও একদম মূলনায়কের চরিত্রে। তবে এখান থেকেই নবকুমার কিংবা পুরো গল্পের চরাই-উতরাই শুরু। তাকে জোর করে ছবির কাজে রাজি করানো, ম্যাম অথবা বাবুদের কিং সাইজ ইগো, তাদের ক্ষমতাচর্চা এসবকিছু গল্পকে হালকা বাঁক দেয়। নিশ্চয়তা এবং অনিশ্চয়তার মাঝামাঝি নবকুমার এগোতে থাকে।


নবকুমার খারাপ পাড়ায় থাকতো বলে হেয় তাচ্ছিল্য করা হতো অথচ নবকুমার অবাক হয় খারাপ পাড়ার খদ্দরেরা সব ভদ্রপল্লি থেকেই আসে।

কালোকে সাদার চাদরে ঢেকে রাখার রেওয়াজ কিংবা সামাজিক মুখোশের ব্যাপারটা লেখকের সময় থেকেই ছিলো এখান থেকেই বুঝা যায়। এত সহজে এত অর্জনের পরেও নবকুমারের সরলতাকে এরিস্টোক্রেসি হুট করে ঘায়েল করতে পারেনি। এটা ভালোই ছিলো, হাঁটুজলের চুনোপুঁটি হঠাৎ করে গলা জলে নেমে গেলে শোল-বোয়ালের তোয়াক্কা করেনা, এ ব্যাপারটা নবকুমারের ক্ষেত্রে হয়নি।

গল্পটা পড়তে গিয়ে কিছু কথা একদম মনে গেঁথেছে, বেশিরভাগই কোটেশন করে রাখবার মতো। 


বি.দ্র: আমার ব্যক্তিগত পর্যালোচনা, আপনার ভিন্ন হতে পারে। Constructive criticisms are always welcome 😊


বই পড়ুন- ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন।


বুক রিভিউঃ ক্যালকাটায় নবকুমার বুক রিভিউঃ ক্যালকাটায় নবকুমার Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৪:৫৪ AM Rating: 5

All Ebooks By Humayun Ahmed


All Books of Humayun Ahmed.
Who is Humayun Ahmed?
Humayun Ahmed(Born 13 November 1948 –Death 19 July 2012) was a Bangladeshi writer, dramatist, screenwriter, and filmmaker. His breakthrough was his debut novel Nondito Noroke published in 1972. He wrote over 200 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh. Ahmed's writing style is characterized as magical realism .His books were the top sellers at the Ekushey Book Fair during the 1990s and 2000s. He won the Bangla Academy Award and the Ekushey Padak award for his contribution to Bengali literature. In the early 1990s, Ahmed emerged as a filmmaker. He went on to make a total of eight films - each based on his own novels. He received six Bangladesh National Film Awards in different categories for the films Daruchini Dwip , Aguner Poroshmoni and
Ghetuputra Komola . Early life and background.Ahmed was born in Kutubpur, Mymensingh to Foyzur Rahman Ahmed (1921–1971) and Ayesha Foyez (née Khatun) (1930–2014). Foyzur served as a sub-divisional police officer in Pirojpur District and was killed in 1971 during the Bangladesh Liberation War .In 2011, politician Delwar Hossain Sayeedi was put on trial for the killing but was acquitted of the charge in 2013 due to a lack of evidence. Humayun's brother, Muhammad Zafar Iqbal , is a writer and academician. Another brother, Ahsan Habib, became a cartoonist. He had three sisters – Sufia Haider, Momtaz Shahid and Rukhsana Ahmed. During his childhood, Ahmed lived in Sylhet ,
Comilla , Chittagong , Bogra ,Dinajpur and Panchagarh where his father was on official assignment. Education and early career
Ahmed studied in Chittagong Collegiate School .He eventually passed his
Secondary School Certificate (SSC) examination from Bogra Zilla School in 1967 and was listed as second in merit by the Rajshahi Education Board. He passed his Higher Secondary School Certificate (HSC) examination from Dhaka College in 1969.Ahmed then attended the University of Dhaka and graduated with a Bachelor of Science in Chemistry and later with a Master of Science degree. He then worked as a lecturer at the Bangladesh Agricultural University for six months following which he joined Dhaka College to teach Chemistry. Soon after, he went to the United States to earn his Ph.D. in Polymer Chemistry from North Dakota State University .
Book Links:
Misir Ali Series
Himu Series
Others Novel
Others Book
All Books Of Humayun Ahmed:
1971
Aaj Ami Kothao Jabo Naa
Aaj Chitrar Biye
Aaj Dupurey Tomar Nimontron
Aaj Himur Biye
Achinpur
Adbhut Sob Golpo
Ahok
Akash Jora Megh
Amar Ache Jol
Amar Chelebela
Amar Priyo Voutic Golpo
Ami Abong Koakti Projapoti
Ami Ebong Amra
Ami-ee Misir Ali
Andhokarer Gaan
Angul Kata Jaglu
Anonto Nakhotro Bithi
Anyodin
Aporahnyo
Ashabori
Asmanira Tin Bon
Ayna Ghor
Ayomoy
Badol Diner Ditiyo Kadam Ful
Badhshah Namdar
Baghbondi Misir Ali
Ballpoint
Basor
Bhoy
Bipod
Bohubrihi
Botol Vut
Brihonnola
Brishti Bilash
Bristi O Meghomala
Chander Aloy Koekjon Jubok
Chayabithi
Cheleta
Chokkhe Amar Trishna
Chole Jay Bosonter Din
Choto golpo
Daruchinir Dip
Debi
Dekha Na Dekha
Dighir Jole Kaar Chayago
Ditiyo Manob
Doiroth
Dorjar Opashe
Dui Duari
Deyal
Ebong Hemu
Ei Ami
Ei Megh Roudro Chaya
Ei Shubro Ei!
Eki Kando!
Ekjon Himu Koekti Jhin Jhin Poka
Ekjon mayaboti
Elebele
Ema
Epitaph
Fiiha Somikoron
Fountainpen
Gouripur Jongshon
Grihotyagi Josna
Hartan Ishkapon
Himu
Himu Mama
Himu Remand-E
Himur Ditiyo Prohor
Himur Ekanto Sakkhatkar
Himur Hate Koekti Nilpodmo
Himur Madhyadupur
Himur Rupali Ratri
Holud Himu Kalo Rab
Hotel Graver Inn
Humayun Ahmed-er Premer Golpo
Ireena
Ishtishon
Jalil Shaheber Petition
Jibonkrishno Memorial High School
Jochna O Jononir Golpo
Jodiyo Sandhya
Jol Jochona
Jolpoddmo
Kalo JAdukor
Kathpencil
Ke Kotha Koy
Kichu Shoishob
Kichukkhan
Kobi
Kohen Kobi Kalidas
Kothao Keu Nei
KrishnoPokkho
Kuhak
Kutu Mia
Lilaboti
Lilua Batash
Maddhanya
Magic Munshi
Manobi
Matal Haowa
Megh Boleche Jabo Jabo
Megher Chaya
Mirar Gramer Bari
Misir Ali Aapnii Kothay
Misir Alir Amimangsito Rahasya
Misir Alir Choshma
Misir Ali Unsolved
Mojar Bhoo
Moyurakkhi
Moyurakkhir Tire Prothom Himu
Mrinmoyee
Mrinmoyir Mon Bhalo Nei
Nalini Babu BSc
Nandito Noroke
Nee
Neel Hati
Neel Manush
Neel Oporajita
Neel Poddo
Nirbachito Bhooter Golpo
Nirbason
Nishad
Nishithini
Noboni
Nokkhotrer Raa
Nondito Noroke
Omanush
Omega Poin
Onish
Onno Vubon
Opekkha
Paap
Pakhi Amar Ekla Pakhi
Parapar
Parul O Tinti Kukur
Pilkhana Hottakando
Poka
Priotomeshu
Pufi
Putro Nishad
Putul
Rakkhoss Khokkhoss Ebong Bhokkhoss
Rodonbhora E Boshonto
Rupa
Rupar Palanko
Sajghor
Sanaullar Mohabipod
Se Ashe Dhire
Se O Nortoki
Sedin Choitramas
Sheet O Onnanno Golpo
Shonkhonil Karagar
Shunya
Shuvro
Shuvro Gechhe Bone
Shyamol Chaya
Sobai Gechhe Bone
Sokol Kata Dhonno Kore
Sourov
Tara Tin Jon
Tetul Bone Jochna
The Exorcis
Tithir Neel Toale
Tomader Jonyo Bhalobasa
Tomake
Tondrabilas
Tumi Amai Dekechile Chutir Nimontrone
Uralpankhi
Uthon Periye Dui Paa
Nabiji (incomplete) 

All Ebooks By Humayun Ahmed All Ebooks By Humayun Ahmed Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৮:১২ AM Rating: 5

বুক রিভিইউঃ বিষাদ সিন্ধু [ডাউনলোড লিংক]


বই: #বিষাদসিন্ধু
লেখক: মীর মশাররফ হোসেন
প্রেক্ষাপট: কারবালার যুদ্ধ
রিভিইউ লিখেছেনঃ তাজমীরা ইয়াসমিন মুক্তা।
ডাউনলোড লিংক: ডাউনলোড বিষাদ সিন্ধু. pdf
নবী মোহাম্মদ (সা:) একবার সাহাবীদের সঙ্গে বসে কথা বলছিলেন, এমন সময় তাঁর দুই নাতি বালক হাসান ও হোসেন তাঁর কাছে এসে নতুন জামা কিনে দেওয়ার জন্য বায়না করতে থাকে। নবীজী তাদের কে স্নেহপূর্বক জিজ্ঞাসা করেন কি ধরণের জামা তারা নিতে চায়, তখন বালক হাসান একটি সবুজ জামা এবং বালক হোসেন একটি লাল রঙের জামা আবদার করে। এমন সময় স্বর্গীয় দূত নবীর নিকট আবির্ভূত হয়ে সৃষ্টিকর্তার আদেশ প্রকাশপূর্বক প্রস্থান করেন, যা শুনে নবীজীর মুখ গম্ভীর হয়ে যায়। তখন সামনে বসে থাকা সাহাবী এবং অনুসারীরা নবীকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে জিব্রাইল( আ:) কি এমন সংবাদ দিল যার জন্য নবীজীর মুখে এমন ঘোর অমানিশার ছাপ পড়লো!! তাদের আকুলতা দেখে নবীজী একসময় মনের কথা প্রকাশ করে যে, সৃষ্টিকর্তার বিধান এই যে নবীজীর অনুসারীর মধ্যে একজন সত্যিকারের ঈশ্বরভক্ত 'মাবিয়ার' বংশে এক পুত্রসন্তান জন্ম নেবে যার দারা মোহাম্মদীয় বংশের সুখসূর্য অস্তমিত হবে এবং যার দ্বারা হাসান হোসেনের প্রাণপাত হবে।
এই কথা শুনে মাবিয়া দুঃখে অধীর হয়ে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিল! কিন্তু তার সেই প্রতিজ্ঞা ঈশ্বরের মহিমায় সফল হলো না। এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে সে বিয়ে করতে বাধ্য হলো। ঈশ্বরের মহিমায় চল্লিশোর্ধ মাবিয়ার স্ত্রী , যার কিনা সন্তান জন্ম দেওয়ার কোন সম্ভাবনাই ছিলো না সে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিল!!
দুশ্চিন্তায় অস্থির মাবিয়া নবীবংশ রক্ষার নিমিত্তে নিজ সন্তান হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিল! কিন্তু শিশু পুত্রের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে তার সে পরিকল্পনা ও ব্যর্থ হলো। শেষে সে শিশুপুত্র এজিদকে নিয়ে মদিনা ছেড়ে বহুদূর দামেস্ক যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল! দামেস্ক ছিলো হাসান হোসেনের পিতা হযরত আলীর বিজিত রাজ্য। হযরত আলী তা মাবিয়াকে দান করে দিলেন যাতে মাবিয়া এজিদকে নিয়ে হাসান হোসেনের জীবন থেকে অনেক দূরে চলে যায়।
কিন্তু ঈশ্বরের বিধান অলঙ্ঘনীয়! ক্রমে ক্রমে এজিদ বয়ো:প্রাপ্ত হলো। যুবক এজিদের দৃষ্টি কাড়লো জয়নাব নামে এক রুপবতী রমনী!! এজিদের চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেল! জয়নাবের বিরহে খাওয়া দাওয়া ঘুম সব বিসর্জন দিয়ে মলিন মুখে দিনযাপন করতে লাগলো। যে কোন মূল্যে জয়নাবকে জয় করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলো। এদিকে জয়নাব বিবাহিত!! জয়নাবের স্বামী প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী। অর্থ-জশ উপার্জনের চিন্তায় সদা নিমগ্ন! জয়নাবকে সে ভালোবাসে , আর কি প্রকারে জয়নাবকে আরও অর্থসুখ দেওয়া যায় সে চিন্তায় মগ্ন থাকে সর্বক্ষণ। জয়নাব কিন্তু অল্পতেই সুখী! অর্থের মোহ তার নেই। স্বামী নিয়ে সে সুখেই ঘর করছিলো।
জয়নাবের স্বামীর অর্থের প্রতি লোভকে কাজে লাগালো এজিদ। ছলনা করে তাকে দিয়ে জয়নাবকে তালাক দেওয়ালো, নিজের জয়নাব লাভের পথ পরিষ্কার করলো। কিন্তু বিধি বাম! এত কিছু করেও এজিদ জয়নাব লাভে সফল হলো না!
ভাগ্যক্রমে জয়নাবের পাণি গ্রহণ করলো নূরনবী মোহাম্মদ (সা:) এর বড় নাতি ইমাম হাসান!
শুরু হলো দ্বন্দ্ব! সৃষ্টিকর্তার নির্ধারণ করে রাখা পূর্বপরিকল্পিত দ্বন্দ্ব! রোষে অধীর এজিদ হিংসায় ক্ষোভে মত্ত হয়ে একে একে হাসান, হোসেনসহ ইমামবংশীয় মদিনার বীরদের নিশ্চিহ্ন করতে উঠে পড়ে লাগলো! মিথ্যা বলে, ষড়যন্ত্র করে, ছলনার আশ্রয় নিয়ে যেভাবে পারল এক এক করে জয়নাব কে আশ্রয়দাতা সকলকেই সে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করে শেষে ঈশ্বরের অভিশাপে চির অশান্তির অনলে আত্মাহুতি দিল তবু শেষ হলো না গল্পের! বিষাদ সিন্ধু পার হয়েও পার হওয়া গেল না! বরং নতুন এক বিষাদে অন্তর নিমজ্জিত হলো!
কি সেই বিষাদ? তবে কি এজিদের পরিণতিতেই পাঠকহৃদয়ে সে বিষাদের উত্পত্তি!! তা কি করে হয়, এজিদের মৃত্যুই তো বিষাদসিন্ধুর পাঠকের আকাঙ্ক্ষিত হওয়ার কথা! তাহলে? তবে কি সেই পরিণতি মৃত্যু থেকেও ভয়ংকর! কি সেই পরিণতি! নাকি কি অন্য গল্প আছে সেখানে!!!!!
গল্পের প্রতিটি পর্বেই আছে টুইস্ট!! সব থেকে বেশী সেটা এজিদের পরিণতিতে আর তার থেকেও বেশী আবু হানিফার পরিণতিতে! কে এই আবু হানিফা! যার জন্মের কথা গোপন করেছিলো তার জগত বিজয়ী পিতা! কেন? কার ভয়ে!! তবে কি সে সময়েও মনীষীরাও আপন পত্নীর ভয়ে ভীত ছিলেন!!
গল্পটা যখন পড়তে শুরু করেছিলাম তখন ভেবেছিলাম কারবালার যুদ্ধ হয়তো কোন আদর্শিক যুদ্ধ! আদর্শগত কারণে ইমামবংশীয় হাসান হোসেনের সাথে এজিদের সংঘর্ষ হয়!
পড়তে গিয়ে জানলাম ইতিহাসে এত হৃদয়বিদারক একটা যুদ্ধ তা কিনা শুরু হয়েছে এক নারীহৃদয় লাভের উদ্দেশ্য কে কেন্দ্র করে!
এই উপন্যাসে কারবালার প্রান্তরে হোসেন পরিবারের যে পরিণতির বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা পড়ে যে কোন পাষাণ হৃদয়েও বিষাদের ছায়া পড়তে বাধ্য!!
পড়তে গিয়ে বারবার দীর্ঘনিঃশ্বাস জন্মেছে আর গভীর কষ্টে বারবার মনে হয়েছে কার প্রতি রাগ করব! কার কাছে বিচার চাইব! কার বিচার চাইব! এ তো সেই দয়াময়েরই পরিকল্পনা! তবে কি....
পরিশেষে এই গল্পে যেভাবে যুদ্ধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে মনে হয়েছে নবীজী যে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য এতকিছু করলেন তার অনুপস্থিতিতে সেই যুদ্ধকেই এত গরিমার সাথে বর্ণনা করা হচ্ছে! মুসলমান যোদ্ধাদের বীরত্বগাথা এমনভাবে বর্ণনা করা হচ্ছে যা একদিক দিয়ে সেই শান্তিচিন্তার পরিপন্থী!! তারপরও উপন্যাস উপন্যাসই! এখানে নায়ক এবং নায়ক পরিবারের বীরত্বগাথা কিছু অতিমাত্রায় প্রকাশ পাওয়ায় স্বাভাবিক! এখানে লেখকেরও কিছু পক্ষপাতমূলক কারসাজি থাকে। তাছাড়া উপন্যাসের শুরুতেই বলা হয়েছে ধর্মীয় ইতিহাসকেন্দ্রিক হলেও এটি কোন ধর্মগ্রন্থ নয় বরং এটি একটি বাংলাসাহিত্যের এক অনবদ্য সৃষ্টি যেখানে লেখক তার লেখনী প্রতিভা দিয়ে একটি ঘটনাকে সাহিত্যে রূপ দিয়েছেন!
তাই সব মিলিয়ে সব শ্রেণীর বাঙালী পাঠকের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি সুখপাঠ্য সাহিত্য উপাদান !

বুক রিভিইউঃ বিষাদ সিন্ধু [ডাউনলোড লিংক] বুক রিভিইউঃ বিষাদ সিন্ধু [ডাউনলোড লিংক] Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ২:০৪ AM Rating: 5

বুক রিভিইউঃ প্রাজ্ঞ



নামঃ #প্রাজ্ঞ (গদ্য কবিতা)
লেখকঃ সজল আহমেদ
পৃষ্ঠাঃ ১৩
লেখাঃ মাইশা মালিহা
আমাকে প্রায় হপ্তা খানেক আগে কবি মুজিব শাহাদৎ অনুরোধ করলো, আমি যেন তাঁর বন্ধুর "প্রাজ্ঞ''র একটা রিভিউ লিখে দিই। হাতে সময় ছিলো না হেতুতে একটু দেরী করেই লিখতে বোসলাম। তাছাড়া এই লেখাটা উনি সম্পূর্ণ লিখেননি। কেন লিখেননি সেই কারণ হিসাবে দেখিয়েছেন "যেহেতু অন্যকে ফলো করা হচ্ছে এতে তাঁর মেধা মননের ক্ষতি হচ্ছে!'' এই আজগুবি দর্শন তাঁর জন্ম নিয়েছে কেন বুঝলমনা! লেখাটা সম্পন্ন করলে এর বিশাল একটা রিভিউ লেখা যেত নিঃসন্দেহে। যেহেতু লেখাটা অসম্পন্ন সেহেতু ছোট পরিসরেই লিখলাম।
গদ্য কবিতাটি মূলত কাহলিল জিবরান এর "দি প্রফেট'' কে ফলো করে লেখা হয়েছে। প্রাজ্ঞ বা সাধু বা মহামানব কে তিনি বাঙালী রূপ দিয়েছেন। তাই লেখাটার শুরু এভাবে হয়েছে
 "তাঁর গলায় একটা শাপলার মালা ছিলো আর পরনে গেঁড়ুয়া পাঞ্জাবী সাদা লুঙ্গী আর হাতে তজবীর দানা।'' 

আপনি যখন বইটি পড়া শুরু করবেন তখন মনে হবে আপনি যেন সত্যিই কোন সাধুর মুখ- নিঃসৃত বাণী শুনছেন। আর কাব্যরস যেন ঠিকরে পরছে প্রত্যেকটা লাইনে লাইনে,
(১
"হাসিমুখে তিনি চায়ের কাপ নিলেন এবং বললেন শুকরিয়া সুহৃৎ!
তখন চায়ের কাপ থেকে বাষ্প উড়ে যাচ্ছিলো মেঘেদের রাজ্যে। এই বাষ্প একদিন অবেলায় বৃষ্টি হয়ে নামবে পানিচক্রের নিয়মে।
আর বৃষ্টি থেকে জন্মাবে যে ফসল তা পরিচিতি পাবে সোনার ফসলে।''

 এই লাইনগুলো পড়ে মনে হচ্ছিলো যেন আমি অন্যকোথাও হারিয়ে যাচ্ছি।
তিনি বাঙ্গালীদের আবেগ, মৃত্যু, লাশ ইত্যাদি বিষয়ের অনুভূতি ঠিক ধরতে পেরেছেন। এবং বাণীগুলো শুনলে মনে হবে আপনার ভবিষ্যৎ বলে দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য কিছু বাণী হোলোঃ
(২)
"মনে রাখিয়ো, মানুষ ছাড়া অন্যকেউ প্রশ্ন করিতে পারেনা তাই তাহারা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব নহে।
তুমি কী?
কিভাবে আসিলে?
কেন আসিলে?
তোমার দ্বার কী সম্ভব? এসকল প্রশ্ন করা আর ইহার সমাধান খুঁজিতে যাওয়াই তোমার শ্রেষ্ঠত্ব।''
(৩)
"মনে রাখিও, যে ব্যক্তি খুন হন তাহার মৃত্যুর জন্য সে নিজেই দায়ী থাকে। ''
(৪)
"আবেগ হইলো একখানা তাজা খুন। ইল্যুসন হলো একখানা পচা শামুক। যাহাতে কাটলে হৃদয়, অনুভূতি পচিয়া যায়!''
(৫)
"বিশালতা হইতেছে যাহা অসীম নহে আবার সংকীর্ণ ও নহে। বিশালতার নির্দিষ্টতা রহিয়াছে।
আর এর নির্দিষ্টতা পরিমাপ করে তোমার দুচোখ।''
সমালোচনাঃ বাণী লিখতে গিয়ে উনি প্রাজ্ঞ'র মুখ থেকে কিছু আজগুবি কথা বের করেছেন যা বড্ড বেমানান লেগেছে! প্রাজ্ঞ কে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে তিনি বিদেশী আবার কখনো কখনো দেশী!
সর্বশেষঃ
লেখাটিতে ভুল আর শুদ্ধ নিয়েই লেখাটা বেশ প্রশংসার হয়েছে। আরো প্রশংসা পাক দোআ রইলো।
বইটি পড়ুনঃ http://www.mediafire.com/file/kc639mhhacbs6k1/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E+(1).pdf
বুক রিভিইউঃ প্রাজ্ঞ বুক রিভিইউঃ প্রাজ্ঞ Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১১:৫৪ PM Rating: 5

২১০ টি বই যা পাঠ করা একান্ত দরকার!


যে ২১০ টি বই পাঠ করা একান্ত প্রোয়োজন। এই বইগুলো পড়লে বোঝা যাবে আপনি বাংলা সাহিত্যের অন্তত কিছু পাঠ করেছেন। বইগুলো আপনার বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশে সাহায্য করবে শুধু তাই'ই নয়, বইগুলো পাঠ করলে বাংলা সাহিত্য সম্বন্ধে কিছু বলার যোগ্যতা ও অর্জন হবে আপনার।
আরো দেখুনঃ

১। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২। জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ
৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪। লোটা কম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
৫। পদ্মা নদীর মাঝি- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৬। একাত্তরের দিনগুলি- জাহানারা ইমাম
৭। দিবারাত্রির কাব্য- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৮। কবি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
৯। আরন্যক- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১০। চরিত্রহীন – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১১। লালশালু- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১২। অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩। শ্রীকান্ত -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৪। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫। গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১৬। আলালের ঘরের দুলাল- প্যারিচাঁদ মিত্র
১৭। হুতোম পেঁচার নকশা- কালী প্রসন্ন সিংহ
১৮। দৃষ্টিপ্রদীপ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯। সূর্যদীঘল বাড়ি- আবু ইসহাক
২০। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।
২১। জননী- শওকত ওসমান
২২। খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
২৩। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান
২৪। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ
২৫। চিলেকোঠার সেপাই- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
২৬। সারেং বউ- শহীদুল্লাহ কায়সার
২৭। আরোগ্য নিকেতন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮। প্রদোষে প্রাকৃতজন – শওকত আলী
২৯। খেলেরাম খেলে যা- সৈয়দ শামসুল হক
৩০। রাইফেল রোটি আওরাত- আনোয়ার পাশা
৩১। গঙ্গা- সমরেশ বসু
৩২। শঙ্খনীল কারাগার- হুমায়ুন আহমেদ
৩৩। নন্দিত নরকে- হুমায়ুন আহমেদ
৩৪। দীপু নাম্বার টু- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৩৫। মা- আনিসুল হক
৩৬। আট কুঠরি নয় দরজা- সমরেশ মজুমদার
৩৭। কড়ি দিয়ে কিনলাম- বিমল মিত্র
৩৮। মধ্যাহ্ন- হুমায়ূন আহমেদ।
৩৯। উত্তরাধিকার- সমরেশ মজুমদার
৪০। কালবেলা- সমরেশ মজুমদার
৪১। কৃষ্ণকান্তের উইল- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৪২। সাতকাহন- সমরেশ মজুমদার
৪৩। গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার
৪৪। পূর্ব-পশ্চিম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪৫। প্রথম আলো- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৪৬। চৌরঙ্গী – শঙ্কর
৪৭। নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শঙ্কর
৪৮। দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৯। শুন বরনারী- সুবোধ ঘোষ।
৫০। পার্থিব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫১। সেই সময়- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৫২। মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫৩। তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু
৫৪। পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ
৫৫। ক্রীতদাসের হাসি- শওকত ওসমান
৫৬। শাপমোচন – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
৫৭। মাধুকরী- বুদ্ধদেব গুহ
৫৮। দেশে বিদেশে- মুজতবা আলী
৫৯। আরেক ফাল্গুন – জহির রায়হান
৬০। কাশবনের কন্যা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম
৬১। বরফ গলা নদী- জহির রায়হান
৬২। গাভী বৃত্তান্ত- আহমদ ছফা
৬৩। বিষবৃক্ষ – বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়
৬৪। দৃষ্টিপাত- যাযাবর
৬৫। তিতাস একটি নদীর নাম- অদৈত মল্লবর্মন
৬৬। কাঁদো নদী কাঁদো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
৬৭। শিবরাম গল্পসমগ্র
৬৮। জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা – শহীদুল জহির
৬৯। আনন্দমঠ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭০। নিশি কুটুম্ব- মনোজ বসু।
৭১। একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির
৭২। প্রজাপতি – সমরেশ বসু
৭৩। নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
৭৪। মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ
৭৫। হুযুর কেবলা- আবুল মনসুর আহমেদ
৭৬। ওঙ্কার- আহমদ ছফা
৭৭। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- আবুল মনসুর আহমদ
৭৮। কত অজানারে- শঙ্কর
৭৯। ভোলগা থেকে গঙ্গা- রাহুল সাংকৃত্যায়ন
৮০। টেনিদা- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
৮১। বিষাদ সিন্ধু- মীর মোশাররফ হোসেন।
৮২। বিবর- সমরেশ বসু
৮৩। তারাশঙ্করের সব গল্প
৮৪। বুদ্ধদেব বসুর সব গল্প
৮৫। বনফুলের সব গল্প
৮৬। পরশুরামের সব গল্প
৮৭। কবর- মুনীর চৌধুরী
৮৮। কোথাও কেউ নেই- হুমায়ুন আহমেদ
৮৯। হিমু অমনিবাস – হুমায়ুন আহমেদ
৯০। মিসির আলী অমনিবাস- হুমায়ুন আহমেদ
৯১। আমার বন্ধু রাশেদ- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৯২। অসমাপ্ত আত্মজীবনী – জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
৯৩। শঙ্কু সমগ্র- সত্যজিৎ রায়
৯৪। মাসুদ রানা- কাজী আনোয়ার হোসেন।
৯৫। ফেলুদা সমগ্র- সত্যজিৎ রায়
৯৬। তিন গোয়েন্দা- সেবা প্রকাশনী
৯৭। কিরীটী সমগ্র- নীহাররঞ্জন গুপ্ত
৯৮। কমলাকান্তের দপ্তর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯৯। পথের দাবি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০০। গোরা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০১। শবনম- মুজতবা আলী
১০২। নৌকাডুবি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৩। আদর্শ হিন্দু হোটেল- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১০৪। বহুব্রীহি – হুমায়ুন আহমেদ
১০৫। দেবদাস – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০৬। মধ্যাহ্ন- হুমায়ুন আহমেদ
১০৭। বাদশাহ নামদার- হুমায়ুন আহমেদ
১০৮। বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
১০৯। হাসুলিবাকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১১০। গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১১। শেষ নমস্কার- সন্তোষ কুমার ঘোষ
১১২। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড- সেলিনা হোসেন
১১৩। আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু- শহীদুল জহির
১১৪। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র
১১৫। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক
১১৬। কেয়া পাতার নৌকো- প্রফুল্ল রায়
১১৭।পুষ্প ও বিহঙ্গ পিরাণ- আহমদ ছফা
১১৮। আনোয়ারা- নজীবর রহমান
১১৯। চাপাডাঙ্গার বউ- তারাশঙ্খর বন্দ্যোপাধ্যায়
১২০। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
১২১। কপালকুণ্ডলা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১২২। প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী
১২৩। মরুস্বর্গ- আবুল বাশার
১২৪। রাজাবলী – আবুল বাশার
১২৫। কালো বরফ- মাহমুদুল হক
১২৬। নিরাপদ তন্দ্রা- মাহমুদুল হক
১২৭। সোনার হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
১২৮। যদ্যপি আমার গুরু- আহমদ ছফা।
১২৯। মৃতুক্ষুধা- কাজী নজরুল ইসলাম
১৩০। প্রদোষে প্রাকৃতজন’ – শওকত আলী।
১৩১। শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৩২। লৌহকপাট -জরাসন্ধ(চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
১৩৩। অন্তর্লীনা- নারায়ণ সান্যাল।
১৩৫। হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী
১৩৬। যাও পাখি -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
১৩৭।তবুও একদিন- সুমন্ত আসলাম।
১৩৮। অন্তর্জলী যাত্রা- কমলকুমার মজুমদার
১৩৯। ব্যোমকেশ সমগ্র- শরদিন্দু
১৪০। অন্য দিন- হুমায়ূন আহমেদ
১৪১। কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার
১৪২। মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য
১৪৩। বিন্দুর ছেলে- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৪৪। নামগন্ধ – মলয় রায় চৌধুরী
১৪৫। মতিচূর – বেগম রোকেয়া
১৪৬। সুলতানার স্বপ্ন- বেগম রোকেয়া
১৪৭। চাঁদের পাহাড়- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৪৮। অপুর সংসার- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৯। কারুবাসনা – জীবনানন্দ দাশ
১৫০। বেনের মেয়ে- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১৫১। আবদুল্লাহ – কাজী ইমদাদুল হক
১৫২। সূবর্ণলতা- আশাপূর্ণা দেবী
১৫৩। ঢোঁড়াই চরিত মানস- সতিনাথ ভাদুরী
১৫৪। উপনিবেশ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
১৫৫। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র
১৫৬। পদ্মার পলিদ্বীপ – আবু ইসহাক
১৫৭। নারী- হুমায়ুন আজাদ
১৫৮। বিত্ত বাসনা- শংকর
১৫৯। সংশপ্তক- শহিদুল্লা কায়সার
১৬০! জীবন আমার বোন- মাহমুদুল হক
১৬১।ক্রাচের কর্নেল- শাহাদুজ্জামান
১৬২।১৯৭১- হুমায়ূন আহমেদ
১৬৩।দেয়াল- হুমায়ূন আহমেদ
১৬৪।পরিনীতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬৫।উত্তম পুরুষ-রশীদ করীম
১৬৬।ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা- শিবরাম চক্রবর্তী
১৬৭।শতকিয়া-সুবোধ ঘোষ
১৬৮।নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ শামসুল হক
১৬৯। নীল দংশন – সৈয়দ শামসুল হক
১৭০। কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
১৭১। অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী- আহমদ ছফা
১৭২। ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল – হুমায়ুন আজাদ
১৭৩। শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ -হুমায়ুন আজাদ
১৭৪। ১০০১ এবং আরো একটি ধর্ষণ – হুমায়ুন আজাদ
১৭৫। নভেরা- হাসনাত আবদুল হাই
১৭৬। দুচাকার দুনিয়া- বিমল মুখার্জী
১৭৭। চাকা- সেলিম আল দীন
১৭৮। হার্বাট- নবারুণ ভট্টাচার্য
১৭৯। নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮০। ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী।
১৮১। কেরী সাহেবের মুন্সী- প্রমথনাথ বিশী
১৮২। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক
১৮৩। পঞ্চম পুরুষ- বাণি বসু
১৮৫। অলীক মানুষ- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
১৮৬। আমি বীরাঙ্গনা বলছি- নীলিমা ইব্রাহিম
১৮৭। পুত্র পিতাকে – চানক্য সেন
১৮৮। দোজখনামা- রবি শংকর বল
১৮৮। মাতাল হাওয়া- হুমায়ূন আহমেদ
১৮৯।বিষাদবৃক্ষ – মিহিরসেন গুপ্ত
১৯০। অলৌকিক নয়,লৌকিক – প্রবীর ঘোষ
১৯১। সৃষ্টি রহস্য – আরজ আলী মাতুব্বর।
১৯২। ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ – হুমায়ুন আজাদ
১৯৩। নিমন্ত্রণ – তসলিমা নাসরিন
১৯৪। বসুধারা- তিলোত্তমা মজুমদার
১৯৫।উপকণ্ঠ – গজেন্দ্র কুমার মিত্র
১৯৬। অসাধু সিন্ধার্থ- জগদীশ গুপ্ত
১৯৭। কুহেলিকা- কাজী নজরুল ইসলাম
১৯৮। সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু
১৯৯। ঈশ্বরের বাগান- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
২০০। আয়না- আবুল মনসুর আহমদ
২০১। ক্রান্তিকাল- প্রফুল্ল রায়
২০২। কেয়া পাতার নৌকা- প্রফুল্ল রায়
২০৩। গেরিলা থেকে সম্মুখ যুদ্ধে – মাহবুব আলম
২০৪। একাত্তরের ডায়েরী- বেগম সুফিয়া কামাল
২০৫। রাজাকারের মন (১ম ও ২য় খন্ড) – মুনতাসীর মামুন
২০৬। ভিনকোয়েস্ট জেনারেল – মুনতাসীর মামুন
২০৭। যাপিত জীবন – সেলিনা হোসেন
২০৮।খেলারাম খেলে যা-সৈয়দ শামসুল হক
২০৯। সোনালী হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
২১০। চতুষ্পাঠী- স্বপ্নময় চক্রবর্তী।
Listed By Fahad Ahmed 
২১০ টি বই যা পাঠ করা একান্ত দরকার! ২১০ টি বই যা পাঠ করা একান্ত দরকার! Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:৫৮ AM Rating: 5

বুক রিভিইউ: মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১

ছবিঃ সজল আহমেদ

লিখেছেন সজল আহমেদ
মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১
লেখকঃ পিনাকী ভট্টাচার্য
মূল্যঃ ১৫৬/=
বইটা আজ হাতে পেলাম। এখনো নেড়েচেড়ে দেখা হয়নি। তবে পিনাকী ভট্টাচার্যের এই বই যে মানের দিক দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। পিনাকী মানেই নতুন কিছু, এটা পাঠক মাত্রই জানেন। এ বইয়ের "মূল বিষয়'' নিয়ে পিনাকী ভট্টাচার্যের ২০টা নোট আমার সংগ্রহে আছে। উনি ফেসবুকে এই ২০ টা নোট পোস্ট করেছিলেন। হয়তোবা তখনো বইটি ছাপানোর ইচ্ছা ওনার মগজে ছিলো না । বইটি ছাপা হওয়ার আগেই বিতর্ক তৈরী করেছে। সরকার ঘরনার এক ডাক্তার পিনাকী ভট্টাচার্যকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন! এই বই বিষয়ে নিজে কিছু না বলে সরাসরি রকমারিতে উদ্বৃত লেখাটুকুই হাজির করলাম।
"মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটা ডমিন্যান্ট বয়ান আছে আমাদের দেশে। এই বয়ান মূলত স্যেকুলারপন্থীদের তৈরি করা। সেখানে বলা হয়ে থাকে, আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল, সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল পক্ষে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ঠেকানোর জন্য আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এই বয়ান তৈরি করেছে ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন। আর মূলত বাংলাদেশের রুশপন্থী বামেরা এই বয়ান প্রচার করেছে। কেউ তাদের এই হেজিমনিক বয়ানকে কখনো চ্যালেইঞ্জ করেনি। আমেরিকান ডকুমেন্টগুলো অনলাইনে রিলিজ হওয়ার পরে আমরা নিখুঁতভাবে জানতে পারছি আমেরিকা আসলে কী চেয়েছিল, কেন চেয়েছিল।
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে, নিক্সন প্রশাসন এটা জানত। এটা নিয়ে নিক্সন প্রশাসনের কোনো সন্দেহ ছিল না, বহু আগে থেকেই। আর এটা এতই অনিবার্য ছিল যে, সেটাকে ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়ার কোনো চেষ্টাও করেনি আমেরিকা। কিন্তু তাদের উদ্বেগের জায়গা ছিল ভিন্ন। সেটা হলো, পাকিস্তানের অংশে থাকা কাশ্মীর। যেন এই সুযোগে, ডিসেম্বরের যুদ্ধের শেষবেলায় ভারতীয় সব সৈন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর ছিনিয়ে নিয়ে না যায়। সেটা ঠেকানোই ছিল আমেরিকানদের উদ্বেগের বিষয়।
প্রপাগাণ্ডায় আমরা শুনেছিলাম, বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়া ঠেকাতে নাকি আমেরিকা সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এইটাও ডাহা মিথ্যা কথা। খোদ নিক্সন প্রশাসন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে নানা ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়েছিল।
আমেরিকা ঠিক সেইসময়ে পাকিস্তানের মাধ্যমে চীনের বাজারে বিনিয়োগের লক্ষ্যে কাজ করছিল। পাকিস্তান ছিল এই গড়ে ওঠা নতুন সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী। তাই আমেরিকার তরফ থেকে পাকিস্তানকে ডিল করার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সতর্কতা নিতেই হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিপুল আয়তনের মার্কিন ডকুমেন্টের কিছু নির্বাচিত ডকুমেন্ট নিয়েই এখানে আলোচনা হয়েছে, সবগুলো নিয়ে নয়। এই আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা বা কূটনীতি নিয়ে যে-সব বয়ান চালু ছিল বা আছে তার সাথে আমেরিকান ডকুমেন্ট মিলিয়ে যেন পাঠক পড়তে পারেন। এবং এই দৃষ্টিকোণ থেকে আবারো মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারেন সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখেই ডকুমেন্টগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। এই সিরিজটি মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের জানা-বোঝার জায়গাগুলো আরো পরিচ্ছন্ন করতে পারবে বলে আমাদের আশাবাদ।''
বইটি মানুষ পড়ুক। সত্যকে জানুক। এরচে বেশি কিছু বলতে পারছি না।
বইটি সরাসরি রকমারি থেকে অর্ডার করুনঃ
বুক রিভিইউ: মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১ বুক রিভিইউ: মার্কিন ডকুমেন্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ৭১ Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:২৫ AM Rating: 5

সর্বকালের সর্বসেরা ১০ টি বই


লিও তলস্তয়ের আনা কারেনিনা
রুশ লেখক লিও তলস্তয়ের ‘আনা কারেনিনা’ উপন্যাসটি ১৮৭৩ সাল থেকে ১৮৭৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পর্বে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। বই হিসেবে এটি প্রকাশ পায় ১৮৭৮ সালে। এই উপন্যাসটি তলস্তয়ের প্রথম উপন্যাস বলে মনে করা হয়। দস্তয়ভস্কি তাঁর এই লেখাকে ‘শিল্পের নিখুঁত প্রকাশ’ বলে বর্ণনা করেছেন। ভ্লাদিমির নাবোকভও লেখাটিকে ‘তলস্তয় রীতির নিখুঁত জাদু’ বলে আখ্যায়িত করেছেন, আর উইলিয়াম ফকনার তো বলেছেন, ‘সেরা উপন্যাস’।
[আরো দেখুনঃ

  1. বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ১০০ বই
  2. বাংলা সাহিত্যের সেরা ৬০ টি দর্শন/রাজনৈতিক বই 

]

গুস্তাভে ফ্লবার্টের মাদাম বোভারি
১৮৫৬ সালে প্রকাশিত ‘মাদাম বোভারি’ ফরাসি লেখক গুস্তাভে ফ্লবার্টের প্রথম উপন্যাস। গল্পটি এক চিকিত্সকের স্ত্রী, এমা বোভারিকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে, যিনি গতানুগতিক আর শূন্য জীবন থেকে পালাতে পরকীয়ায় জড়িয়ে গিয়েছিলেন। উপন্যাসটি ১৮৫৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত লা রেভ্যু দ্য প্যারিসে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এসময় আইন কর্মকর্তারা অশ্লীলতার অভিযোগ তুলেছিলেন এর বিরুদ্ধে। পরের বছর জানুয়ারি মাসে এ নিয়ে মামলার ফলে ব্যাপক পরিচিতি পেয়ে যায় উপন্যাসটি। রায়ে ফ্লবার্ট নির্দোষ বলে প্রমাণিত হওয়ার পর বইটি প্রকাশ পায় এবং সে বছরের এপ্রিল মাসের মধ্যে সেরা বিক্রিত বইয়ের তালিকায় স্থান করে নেয়। এই উপন্যাসটি ফ্লবার্টের একটি মাস্টারপিস বলে মনে করেন সমালোচকেরা।

লিও তলস্তয়ের ওয়ার অ্যান্ড পিস
তলস্তয়ের এই উপন্যাসটি বিশ্বসাহিত্যের উল্লেখযোগ্যতম কাজ। এটি তাঁর নিখুঁত সাহিত্যগুলোর মধ্যে সেরা বলেও মনে করা হয়। এই উপন্যাসে পাঁচটি অভিজাত পরিবারের বয়ানের মাধ্যমে ফ্রান্সের রাশিয়া আক্রমণের ঘটনা এবং নেপোলিয়ান যুগে সিজারিক সমাজের ওপর প্রভাব আলোচিত হয়েছে। উপন্যাসটি বই আকারে ১৮৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। নিউজউইক ২০০৯ সালে বইটিকে সেরা ১০০ বইয়ের তালিকায় সবার ওপরে রাখে। ২০০৯ সালে টাইম ম্যাগাজিন ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’কে বিশ্বসাহিত্যের সেরা ১০ বইয়ের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রাখে।


ভ্লাদিমির নাবোকভের ললিতা
রাশিয়ান-আমেরিকান লেখক ভ্লাদিমির নাবোকভের ‘ললিতা’ উপন্যাস ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটি তার বিতর্কিত বিষয়গুলোর জন্য আলোচিত। গল্পের প্রধান চরিত্র মধ্যবয়সী সাহিত্যের অধ্যাপক হামবার্ট তাঁর ১২ বছর বয়সী সেময়ের প্রেমে পড়েন এবং তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে তাঁর। উপন্যাসটি ইংরেজি ভাষায় লেখা হয় এবং প্যারিসে অলিম্পিয়া প্রেস ১৯৫৫ সালে এটি প্রকাশ করে। পরে লেখক নিজেই এটি রুশ ভাষায় অনুবাদ করেন এবং নিউ ইয়র্কে ফায়েদ্রা পাবলিশার্স ১৯৬৭ সালে উপন্যাসটি প্রকাশ করে। প্রকাশের পর খুব দ্রুতই সমালোচকদের নজর কাড়ে ললিতা। বর্তমানে এটি বিংশ শতাব্দির সেরা সাহিত্যকর্মের একটি বলে বিবেচিত হয়। বইটিকে উপজীব্য করে ১৯৬২ সালে এবং ১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়।

মার্ক টোয়েনের দ্য অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন
মার্ক টোয়েনের ‘অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন’ ১৮৮৪ সালের ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যে এবং ১৮৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হয়। আমেরিকান সাহিত্যের সেরা কাজগুলোর একটি বলে মনে করা হয় এই বইটিকে। গল্পের চরিত্র হাকলবেরির বয়ানে ঘটনার বয়ান হয়েছে এতে। মিসিসিপি নদীর তীরের মানুষ আর স্থানগুলোর বর্ণিল বর্ণনার কারণেই পাঠকের মন জয় করেছে বইটি। বর্ণবাদ নিয়ে ব্যাঙ্গও বইটির সেরা তালিকায় স্থান করে নিতে সহায়ক হয়েছে।


উইলিয়াম শেক্সপিয়রের হ্যামলেট
নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র ‘হ্যামলেট’ ঠিক কবে লিখেছিলেন, তার সঠিক কোনো তারিখ পাওয়া যায় না। তবে মনে করা হয়, ১৫৯৯ সাল থেকে ১৬০২ সালের মধ্যে এটি রচিত। ডেনমার্কের রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে তাঁর ভাই ক্লদিয়াসের সিংহাসনে আরোহন, ভাইয়ের বিধবা স্ত্রীকে বিয়ে এবং তাঁর ভাতিজা যুবরাজ হ্যামলেটের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘটনাগুলোই এই নাটকে বর্ণিত হয়েছে। হ্যামলেট শেক্সপিয়রের দীর্ঘতম নাটক এবং ইংরেজি সাহিত্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী শোকবহ রচনা বলে পরিগণিত হয়।

স্কট ফিেজরাল্ডের দ্য গ্রেট গ্যাটসবাই
আমেরিকান লেখক এফ স্কট ফিেজরাল্ডের উপন্যাস ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবাই’ ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। এতে সমৃদ্ধ লং আইল্যান্ডের এক কল্পিত নগরীতে চরিত্রগুলোর বাস। ১৯২২ সালের এক গ্রীষ্মে ঘটনার সূত্রপাত। এতে প্রথমে রহস্যময় ধনী যুবক জে গ্যাটসবাই, তার খামখেয়ালি আর সুন্দরী ডেইজি বুচাননের প্রতি তার দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে ঘটনা এগিয়ে গেছে। এই উপন্যাসে লেখক অবক্ষয়, আদর্শবাদ, সমাজে আকস্মিক পরিবর্তন, পরিবর্তনে প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।

মারসেল প্রোস্টের ইন সার্চ অব লস্ট টাইম
অতীত সময়কে বইয়ের পাতায় সংরক্ষণ করেছে মারসেল প্রোস্টের ‘ইন সার্চ অব লস্ট টাইম’। সাত খণ্ডের এই উপন্যাসটি এর দৈর্ঘ্যের জন্যও উল্লেখযোগ্য। এর অধ্যায়গুলোর মধ্যে মেডেলিনের অধ্যায়টি সেরা উদাহরণ হতে পারে, যা প্রথম খণ্ডেই সংযুক্ত হয়েছে। সি কে স্কট মনক্রিফ এবং টেরেন্স কিলমারটিন উপন্যাসটিকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার পর এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯০৯ সাল থেকে উপন্যাসটি রচনা শুরু করেন প্রোস্ট এবং ১৯২২ সালের শরতে অসুস্থ হয়ে পড়া পর্যন্ত তিনি এ নিয়ে কাজ করে গেছেন। ফ্রান্সে এটি ১৯১৩ সাল থেকে প্রকাশ হতে শুরু করে।

অ্যানটন শেকভের দ্য স্টোরিজ অব অ্যানটন শেকভ
ছোট গল্পের সেরা লেখক মনে করা হয় অ্যানটন শেকভকে। তিনি তাঁর গল্পে রাশিয়ার মানুষদের জীবন তুলে ধরেছেন। তাঁর লেখা গল্পগুলোর মধ্যে থেকে সেরা ৩০টি গল্প নিয়েই প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য স্টোরিজ অব অ্যানটন শেকভ’। দ্য হান্টসম্যান, আ বোরিং স্টোরি, ওয়ার্ড নম্বর সিক্স, দ্য লেডি উইথ দ্য লিটল ডগ—এই গল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।


জর্জ ইলিয়টের মিডলমার্চ
গতাণুগতিক জীবনকে ঘিরে ইংরেজ লেখক জর্জ এলিয়ট রচনা করেছেন ‘মিডলমার্চ’। ১৮২৯ সাল থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত মিডলমার্চের কল্পিত নগর মিডল্যান্ডের ঘটনাবলি এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি গল্পের সমন্বয় ঘটেছে এখানে এবং অনেকগুলো প্রধান চরিত্রকে ঘিরে উপন্যাসটি সামনে বেড়েছে। এতে সমাজে নারীর অবস্থান, আদর্শবাদ, স্বার্থপরতা, ধর্ম, ভণ্ডামি, রাজনৈতিক সংস্কার এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কৌতুকেরও অভাব নেই এই উপন্যাসে।

সূত্রঃ ইত্তেফাক
সর্বকালের সর্বসেরা ১০ টি বই সর্বকালের সর্বসেরা ১০ টি বই Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ২:১৫ AM Rating: 5

বই কিনতে এই জাদুর শহর ঢাকার কোথায় কোথায় যাবেন?

লিখেছেনঃ সুমীত শুভ্র

১। নীলক্ষেতঃ আর বলে দিতে হবে? বইপ্রেমীদের স্বর্গ অথবা রাজধানী বলতে যা বোঝায় সেটা হচ্ছে আমাদের নীলক্ষেত।
২। নিউমার্কেট
নিউমার্কেট এর ১ এবং ২ নম্বর গেট সংলগ্ন পত্রিকা স্টলগুলোয় দেশী বিদেশী বিভিন্ন পত্রিকা পাবেন। আর নিউমর্কেটের ভেতরের বইয়ের দোকানগুলোয় নীলক্ষেতের মতই বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বই পাওয়া যায়। তবে তফাত হল এখানে বিদেশ থেকে আমদানী করা মূল বই বিক্রি হয়। যারা বিদেশী বইয়ের দেশীয় সংস্করণের ছাপায় সন্তুষ্ট নন তারা আসেন এখানে। আবার সব বইয়ের দেশীয় সরস্করণও থাকে না। কাজেই এসব ক্ষেত্রে নিউমার্কেটই ভরসা।
৩। আজিজ সুপার মার্কেট:
ঢাকায় বই কেনার আরেকটি জায়গা হল শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট। দিন দিন পাঠকের সংখ্যা কমতে থাকায় এখানে বইয়ের দোকানের সংখ্যাও কমছে। এখানকার বইয়ের দোকানগুলোর মধ্যে পাঠশালা, পাঠক সমাবেশ, সন্দেশ, প্রথমা ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।
৪। পাঠক সমাবেশ
শাহবাগে জাদুঘরের সাথেই লাগোয়া পাঠক সমাবেশ। যেখানে পাবেন দেশি ও বিদেশী আসল বই।
৫। বাংলাবাজার
ঢাকার পুরাতনতম বইয়ের দোকানগুলো বাংলাবাজারে। এখানে বাংলাদেশের প্রধান প্রকাশনা সংস্থাগুলোর প্রায় সবার বিক্রয় কেন্দ্র আছে। প্রকাশনা সংস্থা ছাড়াও সাধারণ বইয়ের দোকান আছে। ফুটপাথ আর রাস্তার পাশের স্টলে পুরনো বইও বিক্রি হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠ্য বই কেনার জন্য মার্কেটটিকে খুব একটা উপযুক্ত বলা যায় না।
৬। স্টেডিয়াম মার্কেট
ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের দোতলায় রয়েছে অনুপম জ্ঞান ভান্ডার। এটি মূলত আইন এবং ইলেকট্রনিকস সংক্রান্ত বইয়ের দোকান। এখানে সৌখিন ইলেকট্রনিকস এর ওপর লেখা বিভিন্ন ধরনের বই পাওয়া যায়। বাংলাদেশের লেখকদের বই পাওয়া গেলেও মূলত বাংলা এবং ইংরেজীতে লেখা ভারতীয় লেখকদের বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। এসব বইয়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মেরামতি ছাড়াও বিভিন্ন সৌখিন প্রোজেক্ট তৈরি নিয়ে আলোচনা থাকে।
৭। মিরপুর ১০ গোলচত্ত্বর (ফায়ার সার্ভিসের পাশে)
এখানে সব পুরনো বইয়ের আঁখরা। অনেক দোকান আছে এখানে।
৮। অন্যান্য
ঢাকার অন্যান্য বইয়ের প্রাপ্তিস্থানের মধ্যে আছে শান্তিনগরের পিবিএস এবং বাংলা মোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বই পাওয়া যায়। আবার বাংলা একাডেমীতে রয়েছে বাংলা একাডেমী বিক্রয় কেন্দ্র, যেটি একুশে বই মেলা ছাড়াও সারা বছর খোলা থাকে। এখানে বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বই পাওয়া যায়। তেমনি রয়েছে এশিয়াটিক সোসাইটি বিক্রয় কেন্দ্র। আবার কিছু বিশেষ জায়গা আছে যেখানে প্রাসঙ্গিক বই পাওয়া যায়। যেমন শেয়ার মার্কেট এলাকায় শেয়ার মার্কেট সংক্রান্ত বই পাওয়া যায়, সুপ্রীম কোর্ট বার ফটকে আইন বই, সংবিধান ইত্যাদি পাওয়া যায়, কাকরাইলের স্বাউট ভবনে স্কাউটিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বই পাওয়া যায়, শান্তিনগরের গ্রীণ হোমিও হলে হোমিওপ্যাথিক শাস্ত্রের ওপর লেখা বিভিন্ন বই পাওয়া যায়। আবার পল্টন ওভার ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার ফুটপাথে পুরনো বইয়ের বেশ কয়েকটি দোকান আছে।
বই কিনতে এই জাদুর শহর ঢাকার কোথায় কোথায় যাবেন? বই কিনতে এই জাদুর শহর ঢাকার কোথায় কোথায় যাবেন? Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১০:৪৬ PM Rating: 5

বুক রিভিইউ: এ কেমন প্রতিশোধ

"কি আশ্চর্য একটা দৃশ্য! দেখা যাচ্ছে সুন্দরী অপরূপাকে যতই দুর্বল বলে মনে হোক তিনিও ফণা তুলতে পারেন। ত্বকের নীচে মেয়েরা আসলে সবাই সমান।"
"এ কেমন প্রতিশোধ" বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা একথাটুকুর মানে আপাতদৃষ্টিতে যা মনে হচ্ছে তা হয়ত নয়; কেবল বইটা পড়লেই বুঝতে পারবেন আসল মর্মার্থ।
আকস্মিকভাবে মারা গেলেন কমোডর তসলিম কোবিদ। খবরে বলা হল গ্যাসট্রাইটিসের মারাত্মক আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে তার। অভিজাত রাজপরিবারের বিখ্যাত এই ব্যক্তির মৃত্যুতে অল্প সময়ের ব্যবধানে স্তম্ভিত ও দুঃখিত জনগনের ঢল নামল বাড়ির সামনে।
অন্যদিকে সিআইডি চিফ আন্দেশা কাফির কাছে এসে পৌছুল একটি সাদাসিধে এনভেলাপ।
হাতে আঁকা হরফে অলঙ্কৃত একটি বাক্য:
#কমোডর_তসলিমকে_বিষ_খাওয়ানো_হয়েছে
গোয়েন্দা ডা: কান্তিক ছুটে গেলেন রাজকীয় বাড়িতে। লোকচক্ষুর আড়ালে অতি গোপনে নিজ ঘরেই,ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হল। ফলাফলে দেখা গেল, শক্তিশালী অ্যাকনাইট বিষের প্রয়োগে নির্মমভাবে মারা গেছেন তসলিম কোবিদ!
কার এবং কোন প্রতিশোধের শিকার হলেন জ্ঞান গরিমায় শ্রেষ্ঠ এ কোবিদ?
সন্দেহের তালিকা বেশ লম্বা- স্ত্রী, সেক্রেটারী, ছেলে, জীবনী লেখিকা, পারিবারিক ডাক্তার, প্রধান চাকর, নেপালের রাজকুমারী....আরো অনেকেই অভিযুক্ত। সবারই জোর মোটিভ আছে খুনের। তবে সব সাক্ষ্য প্রমাণ একসাথে অঙ্গুলিনির্দেশ করছে ছেলে সলিম কোবিদের দিকে! প্রকান্ডদেহী প্রানবন্ত ও সুদর্শন কালো চোখের যুবকই কি বাবার হত্যাকারী?
নাকি অঢেল রুপ-সৌন্দর্যের সাক্ষাত সব দেবী ললিতান বা শিলা শরনি বা গঙ্গোত্রী কিংবা স্ত্রী জারিনা এদেরই কেউ দেবীতুল্য খোলসের ভিতর লুকিয়ে রেখেছেন ছোট কোন আত্মা?
জানতে পারবেন বইটার শেষ পৃষ্ঠাবধি পড়ার পর, তার আগে নয়।
শেখ আব্দুল হাকিমের জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। পেশা লেখালেখি। অসংখ্য এসপিওনাজ থ্রিলার লিখেছেন ও অনুবাদ করেছেন। কর্মজীবনের প্রায় পুরোটাই কাটিয়েছেন সেবা প্রকাশনীতে লেখালেখিতে। বহুবছর রহস্যপত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন।
কেনার সময় বা টেবিলের উপর অবহেলায় ফেলে রাখার সময় প্রচ্ছদটা চোখেই পড়ে নি। বইয়ের ছবি তুলতে গিয়ে নজরে পড়ল প্রচ্ছদশিল্পীর কেরামতি। ফ্লাশের আলো পড়তেই ঝিক করে উঠল অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা নীল চোখ। অসাধারণ নৈপুন্যের পরিচয় দিয়েছেন শিল্পী ধ্রুব এষ।
লেখকের লেখা প্রথম পড়া বই। নিতান্তই বইয়ের নামটা কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি করায় কেনা হয়েছিল। পড়তে শুরু করেছিলাম চরম অবহেলায়। যেন দয়া করে পড়ছি। তারপর ভিতরে প্রবেশ করে কখন যে দম আটকে গেছে বলতে পারব না। পুরোটা সময় দম আটকে ছিল গলার কাছে। শেষ না করে আর স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নিতে পারি নি! রহস্যের মারপ্যাঁচে মাথা খারাপ করে দেবার মত বই। যারা রহস্য ভালবাসেন তাদের জন্য অতি উপাদেয় একটি গোয়েন্দা উপন্যাস।
বইয়ের নাম: এ কেমন প্রতিশোধ
লেখক: শেখ আব্দুল হাকিম
প্রকাশনী: অনন্যা
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
মুদ্রিত মূল্য: ১৪০/-
পৃষ্ঠা: ১০৪
বুক রিভিইউ: এ কেমন প্রতিশোধ বুক রিভিইউ: এ কেমন প্রতিশোধ Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১০:৩৩ PM Rating: 5

ইসলামি বইয়ের তালিকা


গ্রুপে বিভিন্ন সময় বিভিন্নজন ইসলামী বইয়ের তালিকা চেয়ে পোস্ট করে। সেখানে যে যার মতো করে হেল্প করে। আগে তো একটা সময় ইসলামী বইয়ের নাম চেয়ে পোস্ট দিলে হতাশই হতে হত। এখন সেটা কেটেছে। অনেকেই নাম দিয়ে সাহায্য করেন। কিন্তু পোস্টদাতা সেই কমেন্টবক্স থেকে কতটুকু উপকৃত হন তা বুঝা মুশকিল। কারণ অগোছালোভাবে বিভিন্ন নাম আসার কারণে বুঝতেও অনেক সময় সমস্যা হয়।
ভালো বইয়ের যেমন একটা ডক আছে তেমনি একটা ইসলামী বইয়ের ডক করার চিন্তা অনেকদিন যাবত মাথায় ঘুরছিল। রমজানের দুইদিন আগে এডমিন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রবি ভাইয়ের কাছ থেকে এই ব্যাপারে অনুমতি নিয়েছি। যারা গ্রুপে ইসলামী বই খুঁজতে আসেন তাদের জন্য সহায়ক হবে এটা- এই ভেবে করা।
ডকটি দীর্ঘ পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়াধীন একটি দীর্ঘমেয়াদী কাজ। বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি, ডক ক্রিয়েটর ব্যতীত অন্য কেউ ডক এডিট করবেন না; অনুমতি নেই। যদি কোনো বইয়ের নাম ডকে যুক্ত করবার মতো মনে হয় আপনার কাছে তাহলে কমেন্টবক্সে জানাবেন। যেহেতু পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়াধীন, তাই অন্য কেউ হাত দিলে ব্যাপারটা উলটপালট হয়ে যাবে।
প্রথমে সংক্ষিপ্তাকারে বিষয়ভিত্তিকভাবে কিছু বইয়ের নাম যুক্ত করছি।
তরজমা ও তাফসীর
১. এমদাদিয়া লাইব্রেরী থেকে প্রকাশিত বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফ, যা মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ সাহেব, মাওলানা আব্দুল মজীদ প্রমূখ কর্তৃক সম্পাদিত।
২. তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন- মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী, অনুবাদ : মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম।
৩. মাআরিফুল কুরআন- মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ. অনুবাদ : মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রাহ. (আট খণ্ডে)
৪. তাফসীরে উছমানী- মাওলানা শাব্বির আহমদ উসমানী। (৪ খণ্ডে ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত)
৫. সংক্ষিপ্ত তাফসীরে উছমানী, অনুবাদ : প্রফেসর মাওলানা গিয়াসুদ্দীন, থানবী লাইব্রেরী।
৬. তাফসীরে ইবনে কাসীর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৭. উলুমুল কোরআন ও তাফসিরের মূলনীতি- আল্লামা তাকি উসমানি দা.বা., মদিনা পাবলিকেশন্স।
৮. ফাযায়েলে যিন্দেগী - মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন দা.বা. মাকতাবাতুল আবরার।
 হাদীস
 ১. মাআরিফুল হাদীস- মাওলানা মুহাম্মাদ মনযুর নোমানী, অনুবাদ : ইসলামিক ফাউন্ডেশন অথবা এমদাদিয়া লাইব্রেরী।
 ২. আল আদাবুল মুফরাদ- ইমাম বুখারী, অনুবাদ : মাওলানা আবদুল্লাহ বিন সাঈদ জালালাবাদী।
৩. প্রচলিত জাল হাদীস, মারকাযুদ দাওয়াহ থেকে প্রকাশিত।
৪. রিয়াদুস সালেহীন- আল্লামা নববী রহ., অনুবাদ : আবু তাহের মিসবাহ, দারুল কলম প্রকাশনী।
৫. হাদীস অধ্যয়নের মূলনীতি- আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহিয়া (মাকতাবাতুল আজহার)

 ফিকহ-মাসায়েল
 ১. বেহেশতী জেওর, অনুবাদ : মাওলানা আহমদ মায়মূন, উস্তায, জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ।
২. ফাতাওয়া ও মাসাইল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৩. হাদীস ও মাসায়েলে আহনাফ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪. নবীজীর নামাজ, অনুবাদ : মাওলানা যাকারিয়া আবদুল্লাহ।
৫. দলীলসহ নামাযের মাসায়েল- মাওলানা আবদুল মতীন, মাকতাবাতুল আশরাফ।
৬. আহকামে যিন্দেগী- মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন, মাকতাবাতুল আবরার।

আকাঈদ-বিশ্বাস
১. ফুরুউল ঈমান- হাকীমুল উম্মত থানবী রাহ., অনুবাদ : মাওলানা মুহাম্মাদ জালালুদ্দীন, মাকতাবাতুল আশরাফ থেকে প্রকাশিত।
২. ঈমান ও আকীদা- হাকীমুল উম্মত থানভী রাহ.।
৩. ঈমান সবার আগে- মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক।
৪. ইসলামী আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ- মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন, মাকতাবাতুল আবরার।
সীরাত-শামায়েল
১. সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া- মুফতী শফী রাহ.।
২. নবীয়ে রহমত- আবুল হাসান আলী নদবী রাহ.।
৩. মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সভ্য পৃথিবীর ঋণ স্বীকার- আবুল হাসান আলী নদভী রাহ.।
৪. সীরাতে মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- ইদরীস কান্ধলভী রাহ.।
৫. আসাহহুস সিয়ার- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম অনুদিত, এমদাদিয়া লাইব্রেরি।
৬. উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম- ড. আবদুল হাই আরেফী।
৭. আররাহীকুল মাখতূম- ছফিউর রহমান মুবারকপুরী। (একাধিক অনুবাদ আছে এর। অনুবাদ দেখে নিতে পারেন।)
৮. সীরাত ইবনে হিশাম, বাংলা অনুবাদ দুই খণ্ডে।

বিবিধ-অন্যান্য
১. তাযকিরাতুল আখেরাহ, প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান।
২. তাসাওউফ : তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ, মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক।
৩. কুরআনের ডাক ও আমাদের জীবন, প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান।
৪. ইসলামকে জানতে হলে, মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ।
৫. ইসলামের ডাক, প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান।
৬. প্রচলিত ভুল, মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
৭. উম্মাহর ঐক্য : পথ ও পন্থা, মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক।
৮. মাযহাব কী ও কেন? মুফতী তাকী উসমানী, অনুবাদক : মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ।
৯.খেলাফত ও রাজনীতি : ইসলামী দৃষ্টিকোণ, মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ।

এছাড়া দ্বীনী বিভিন্ন বিষয়ের উপর বড় বড় মনীষীদের রচনাবলী অধ্যয়ন করা বেশ উপকারী। এমন কিছু মনীষীর নাম এনে তাদের কিছু বইয়ের নাম যুক্ত করা যাক।
আশরাফ আলী থানবী রাহ.-এর

১. ইসলাহী নেসাব, (দশটি কিতাবের সংকলন)।
২. মাওয়ায়েজে আশরাফিয়া, অনুবাদ : এমদাদিয়া লাইব্রেরী, চকবাজার।
৩. মাজালিসে হাকীমুল উম্মত, মুফতী শফী রাহ. (সংকলিত)
৪. মুনাজাতে মাকবুল,মাওলানা যাকারিয়া আবদুল্লাহ অনুদিত।
৫. বাসায়েরে হাকীমুল উম্মত।

মাওলানা মুহাম্মাদ মনযুর নোমানী রাহ.-এর
 ১. ইসলাম কী ও কেন?
২. দ্বীন ও শরীয়ত।
৩. নামাজের হাকীকত।
৪. কুরআন আপনাকে কী বলে?

মাওলানা আবুল হাসান আলী নদবী রাহ.-এর
১. আরকানে আরবাআহ, অনুবাদ : মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ।
২. ইসলামী জীবন বিধান, অনুবাদ : মাওলানা ফরীদুদ্দীন মাসউদ।

তাকী উসমানী দা. বা.-এর
১. ইসলাহী মাজালিস।
২. ইসলাম ও আমাদের জীবন (নির্বাচিত রচনা ও বয়ান সমগ্র, ১৪ খণ্ডে)।
৩. যিকর ও ফিকর।
৪. কুরআন সুন্নাহর আলোকে পরিবার ব্যবস্থা।

নোট : এটি ডকের প্রাথমিক অবস্থা। সদস্যদের বইয়ের নাম দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ডকটিকে কীভাবে আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দর করা যায়- এ ব্যাপারে সকলের পরামর্শ কাম্য।
ইসলামি বইয়ের তালিকা ইসলামি বইয়ের তালিকা Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১১:৪৪ PM Rating: 5

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইয়ের লিস্ট

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিছু গ্রন্থাবলি দেয়ার প্রয়াসমাত্র
  • ৪। ঘর নাই বসতি নাই---মহসিন খায়রুল আলম
  • ১। অপারেশন জ্যাকপট---সেজান মাহমুদ
  • ২। জন্ম যদি তব বঙ্গে---শওকত ওসমান
  • ৩। একাত্তরের কথামালা---বেগম নূরজাহান
  • ৫। আগুনের পরশমণি---হুমায়ূন আহমদ
  • ৬। নির্বাচিত মুক্তিযুদ্ধের গল্প---ফারুক আহমেদ মেহেদী
  • ৭। জাহান্নাম থেকে বিদায়---শওকত ওসমান
  • ৮। ১৯৭১ : ঢাকায়---মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম
  • ৯। একাত্তরের দিনগুলি---জাহানারা ইমাম
  • ১০। আমি বীরঙ্গনা বলছি---নীলিমা ইব্রাহিম
  • ১১। ওরা চার জন---এম আর আখতার মুকুল
  • ১২। একাত্তরের যাত্রী---অজয়দাশ গুপ্ত
  • ১৩। রেইপ অব বাংলাদেশ- এন্থনি মাসকারেনহাস
  • ১৪। ১৯৭১ কালিরাত্র খন্ডচিত্র---শওকত ওসমান
  • ১৫। মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু---নুরুল ইসলাম মঞ্জুর
  • ১৬। বলে যেতে হবে মুক্তিযুদ্ধের গাঁথা---মুনতাসীর মামুন
  • ১৭। রাইফেল রোটি আওরাত---আনোয়ার পাশা
  • ১৮। আবার আসি ফিরে---শিরীন মজিদ
  • ১৯। একাত্তরের বর্ণমালা---এম আর আখতার মুকুল
  • ২০। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম---গাজীউল হক
  • ২১। একাত্তরের ডাইরী---সুফিয়া কামাল
  • ২২। একাত্তরের চিঠি---মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
  • ২৩। আমার একাত্তর---কাজী আনোয়ারুল ইসলাম
  • ২৪। ইতিহাসের রক্ত পলাশ---আবদুল গাফফার চৌধুরী
  • ২৫। ইতিহাস নির্মাতার মৃত্যু---আসাদুজ্জামান আসাদ
  • ২৬। কালো ঘোড়া---ইমদাদুল হক মিলন
  • ২৭। শ্যামল ছায়া---হুমায়ুন আহমেদ
  • ২৮। ১৯৭১---হুমায়ুন আহমেদ
  • ২৯। আমার কিছু কথা---শেখ মুাজবুর রহমান
  • ৩০। নিষিদ্ধ লোবান---সৈয়দ শামসুল হক
  • ৩১। বাঙালী কাকে বলি---সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  • ৩২। বুকের ভেতর আগুন---জাহানারা ইমাম
  • ৩৩। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান---মোহাম্মদ ফরহাদ
  • ৩৪। জয় বাংলার জয়---শওকত ওসমান
  • ৩৫। একাত্তরের নিশান---রাবেয়া খাতুন
  • ৩৬। জলাংগী---শওকত ওসমান
  • ৩৭। বাংলাদেশ কথা কয়---আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  • ৩৮। ১৯৭১---হুমায়ুন আহমেদ
  • ৩৯। যাপিত জীবন---সেলিনা হোসেন
  • ৪০। জয়বাংলা---এম আর আখতার মুকুল
  • ৪১। জয়জয়ন্তী---মামুনুর উল্লাহ
  • ৪৩। বাংলাদেশের---রফিকুল ইসলাম
  • ৪৪। দুই সৈনিক---শওকত ওসমান
  • ৪৫। জেল থেকে লেখা---সত্যেন সেন
  • ৪৬। তোমারই---আবদুল্লাহ আল মামুন
  • ৪৭। দাবদাহ---মাহমুদ উল্লাহ
  • ৪৮। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ : ভারত, রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা মেজর রফিকুল ইসলাম পিএসসি
  • ৪৯। বাংলাদেশ জেনোসাইড অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড প্রেস -
  • মূল সংগ্রহ ও সম্পাদনাঃফজলুল কাদের কাদেরী, বাংলা অনুবাদ সম্পাদনাঃ দাউদ হোসেন
  • ৫০। আত্মকথা ১৯৭১ নির্মলেন্দু গুন
  • ৫১। একাত্তরঃ করতলে ছিন্নমাথা - হাসান আজিজুল হোক
  • ৫২। একাত্তরের দিনলিপি - আবুল ফজল
  • ৫৩। একাত্তরের ডায়েরী- সুফিয়া কামাল
  • ৫৪। গেরিলা থেকে সম্মুখযুদ্ধে মাহবুব আলম
  • ৫৫। রক্তভেজা একাত্তর মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
  • ৫৬। একাত্তরের গণহত্যা : যমুনার পূর্ব-পশ্চিম শফিউদ্দিন তালুকদার
  • ৫৭। একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের বিচার - মোস্তাক হোসেন
  • ৫৮। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (১৬ খন্ড) - সম্পাদকঃ হাসান হাফিজুর রহমান, তথ্যমন্ত্রণালয়
  • ৫৯। দ্য বিট্রেয়াল অফ ইস্ট পাকিস্তান লে. জে. এ এ কে খান নিয়াজি
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইয়ের লিস্ট মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইয়ের লিস্ট Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১১:৩৯ PM Rating: 5

বাংলা সাহিত্যের ১৩০ টি বই




১) হুমায়ূন আহমেদের আত্মজৈবনিক সাক্ষাতকার- মাসউদ আহমাদ
২) তিতুনি ও তিতুনি- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৩) এনিম্যান- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৪) অবনীল- মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৫) হিজিবিজি- হুমায়ূন আহমেদ
৬) কৃষ্ণপক্ষ- হুমায়ূন আহমেদ
৭) হিমুর মধ্যদুপুর- হুমায়ূন আহমেদ
৮) আয়েশামঙ্গল- আনিসুল হক
৯) আমারও একটা প্রেমকাহিনি আছে- আনিসুল হক
১০) ময়ূরাক্ষী- হুমায়ূন আহমেদ
১১) তোমাদের জন্য ভালোবাসা- হুমায়ূন আহমেদ
১২) নি- হুমায়ূন আহমেদ
১৩) কুটু মিয়া- হুমায়ূন আহমেদ
১৪) নির্বাচিতা- নির্মলেন্দু গুণ
১৫) শুভদা- শরতচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৬) পরিণীতা- শরতচন্দ্র চট্টোপাধায়
১৭) দরজার ওপাশে- হুমায়ূন আহমেদ
১৮) ফাউন্ডেশন- আইজ্যাক আসিমভ
১৯) কবি- হুমায়ূন আহমেদ
২০) আলো অন্ধকারে যাই- আনিসুল হক
২১) নৌকাডুবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২২) চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৩) আশাবরী- হুমায়ূন আহমেদ
২৪) আয়নাঘর- হুমায়ূন আহমেদ
২৫) তন্দ্রাবিলাস- হুমায়ূন আহমেদ
২৫) গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৬) চিহ্ন- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
২৭) নকশী কাঁথার মাঠ- জসীমউদদীন
২৮) হিমু- হুমায়ূন আহমেদ
২৯) লীলাবতী- হুমায়ূন আহমেদ
৩০) হিমু মামা- হুমায়ূন আহমেদ
৩১) মিসির আলীর চশমা- হুমায়ূন আহমেদ
৩২) এবং হিমু- হুমায়ূন আহমেদ
৩৩) হিমুর দ্বিতীয় প্রহর- হুমায়ূন আহমেদ
৩৪) হিমুর রূপালী রাত্রি- হুমায়ূন আহমেদ
৩৫) হলুদ হিমু কালো র্যাব- হুমায়ূন আহমেদ
৩৬) তোমাদের এই নগরে- হুমায়ূন আহমেদ
৩৭) চলে যায় বসন্তের দিন- হুমায়ূন আহমেদ
৩৮) সে আসে ধীরে- হুমায়ূন আহমেদ
৩৯) আঙুল কাটা জগলু- হুমায়ূন আহমেদ
৪০) আজ হিমুর বিয়ে- হুমায়ূন আহমেদ
৪২) ফিহা সমীকরণ- হুমায়ূন আহমেদ
৪৩) অহক - হুমায়ূন আহমেদ
৪৪) অনন্ত নক্ষত্র বিথী - হুমায়ূন আহমেদ
৪৫) দারুচিনি দ্বীপ - হুমায়ূন আহমেদ
৪৬) দাড়কাকের সংসার কিংবা মাঝে মাঝে তব দেখা পাই - হুমায়ূন আহমেদ
৪৭) পোকা - হুমায়ূন আহমেদ
৪৮) নন্দিত নরকে - হুমায়ূন আহমেদ
৪৯) বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল - হুমায়ূল আহমেদ
৫০) চোখের বালি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রন্থিত ইতিহাস - ড. রতন লাল চক্রবর্তী (পৃষ্ঠা- ৪৭৭)
৫২) কবিতার কথা - বিমলকৃষ্ণ সরকার (পৃষ্ঠা- ১২৭)
৫৩) লেখা নিয়ে লেখা - আনিসুল হক (পৃষ্ঠা- ১২০)
৫৪) সাফল্যের মূলমন্ত্র - মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী (পৃষ্ঠা- ৮০)
৫৫) চুপি চুপি চট্টগ্রামে - ফরিদুর রেজা সাগর
৫৬) কুড়িগ্রামে কারসাজি - ফরিদুর রেজা সাগর
৫৭) কক্সবাজারের কাকাতুয়া - ফরিদুর রেজা সাগর
৫৮) ঢাক বাজলো ঢাকায় - ফরিদুর রেজা সাগর
৫৯) কুয়াকাটায় কাটাকাটি - ফরিদুর রেজা সাগর
৬০) রাজশাহীর রসগোল্লা - ফরিদুর রেজা সাগর
৬১) বকা খেয়ে বগুড়ায় - ফরিদুর রেজা সাগর
৬২) জয় হলো জয়দেবপুরে - ফরিদুর রেজা সাগর
৬৩) মাগুড়া গুড়া গুড়া - ফরিদুর রেজা সাগর
৬৪) কাকু যখন কুমিল্লায় - ফরিদুর রেজা সাগর
৬৫) কপোট্রনিক সুখ-দুঃখ - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৬৬) রুহান রুহান - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৬৭) মৃত্যুক্ষুধা - কাজী নজরুল ইসলাম
৬৮) যে জলে আগুন জ্বলে - হেলাল হাফিজ
৬৯) মহাকাশে মহাত্রাস - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭০) ক্রুগো - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭১) ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭২) বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭৩) ওমিক্রনিক রূপান্তর - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭৪) টুকুনজিল - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭৫) যারা বায়োবট - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৭৬) কাঠকয়লার আগুন - সমরেশ মজুমদার (পৃষ্ঠা-১৯২)
৭৭) বারোয়ারি বাসা - নিমাই ভট্টাচার্য (পৃষ্ঠা-১২২)
৭৮) কেড - জেমস হ্যাডলি চেজ, অনুবাদ- শেখ আবদুল হাকিম (পৃষ্ঠা-২৩৯)
৭৯) লেখা নয় কথা - মারুফ রায়হান (পৃষ্ঠা-১৩৫)
৮০) গাভীবিত্তান্ত - আহমদ ছফা (পৃষ্ঠা-১২০)
৮১) উপদ্রুত উপকূল - রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ (পৃষ্ঠা-৭২)
৮২) উতল হাওয়া - তসলিমা নাসরিন (পৃষ্ঠা-৪১৫)
৮৩) প্রতিদ্বন্দ্বী - হরিশংকর জলদাস (পৃষ্ঠা-১৫২)
৮৪) শবনম - সৈয়দ মুজতবা আলী (পৃষ্ঠা-১৬০)
৮৫) জলপুত্র - হরিশংকর জলদাস (পৃষ্ঠা-১১৯)
৮৬) মোহনা - হরিশংকর জলদাস (পৃষ্ঠা-১২৮)
৮৭) যাও পাখি - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় (পৃষ্ঠা- ৩২৮)
৮৮) খেলারাম খেলে যা - সৈয়দ শামসুল হক (পৃষ্ঠা- ৩১৯)
৮৯) পদচিহ্ন - সত্যেন সেন (পৃষ্ঠা- ২৮৮)
৯০) সাবিত্রী উপাখ্যান - হাসান আজিজুল হক (পৃষ্ঠা- ২২২)
৯১) অসুখলতার ফুল - সমরেশ মজুমদার (পৃষ্ঠা- ১৬০)
৯২) মেমসাহেব - নিমাই ভট্টাচার্য (পৃষ্ঠা- ১৫৬)
৯৩) পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৯৪) নৌকাডুবি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৫) পদ্মা নদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৯৬) রক্তাক্ত প্রান্তর - মুনীর চৌধুরী
৯৭) নন্দিত নরকে - হুমায়ূন আহমেদ
৯৮. আহমদ ছফার প্রবন্ধ (পৃষ্ঠা- ১৮৮)
৯৯. হরকিশোরবাবু - হরিশংকর জলদাস (পৃষ্ঠা- ১০৪)
১০০. মাইন্ড রিডার - লিওর সুশার্ড, অনুবাদ - অনীশ দাস অপু ( পৃষ্ঠা- ১৭৬)
১০১. নির্বাচিত কবিতা - উপল তালুকদার (পৃষ্ঠা- ৮৪)
১০২. উইংস অব ফায়ার - এ পি যে আবদুল কালাম, সহলেখক- অরুণ তিওয়ারী, অনুবাদ- শেখ সেলিম (পৃষ্ঠা-২০৮)
১০৩. ঠাট্টা - মঈনুল আহসান সাবের (পৃষ্ঠা- ৭৬)
১০৪. রাইফেল রোটি আওরাত - আনোয়ার পাশা (পৃষ্ঠা-১৮০)
১০৫. কবি - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (পৃষ্ঠা- ১৭৬)
১০৬. প্রাণীজগতের বিবর্তন মানুষ যখন থাকবে না - ভবেশ রায় (পৃষ্ঠা-১৯২)
১০৭. যদ্যপি আমার গুরু - আহমদ ছফা (পৃষ্ঠা-১১০)
১০৮. পাক সার জমিন সাদ বাদ - হুমায়ুন আজাদ (পৃষ্ঠা-১১২)
১০৯. মেঘে মেঘে অনেক বেলা - ওবায়দুল কাদের (পৃষ্ঠা-১১৬)
১১০. পরিবার ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি - ফ্রেডারিক এঙ্গেলস (পৃষ্ঠা-১২৮)
১১১. ভবিষ্যতের বাঙালি - এস ওয়াজেদ আলি (পৃষ্ঠা-৮০)
১১২. পুতুলনাচের ইতিকথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পৃষ্ঠা- ১৬০)
১১৩. পাথরপরাণ - মোহিত কামাল (পৃষ্ঠা- ১২৬)
১১৪. অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী - আহমদ ছফা (পৃষ্ঠা- ১৪৫)
১১৫. লজ্জা - তসলিমা নাসরিন (পৃষ্ঠা- ৬২)
১১৬. পুষ্প, বৃক্ষ এবং বিহঙ্গপুরাণ (পৃষ্ঠা- ৮০)
১১৭. কথোপকথন - পুর্ণেন্দু পর্ত্রী (পৃষ্ঠাঃ- ৪৭)
১১৮. দ্যা প্রফেট - কাহলিল জিবরান, অনুবাদ- চৌধুরী মুশতাক আহমেদ (পৃষ্ঠা- ১১১)
১১৯. আমি মৃণালিনী নই - হরিশংকর জলদাস (পৃষ্ঠা- ১৬৮)
১২০. জাসদের উত্থান পতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি - মহিউদ্দিন আহমদ (পৃষ্ঠা- ২৮৭)
১২১. সাইকো - রবার্ট ব্লচ, অনুবাদ- অনীশ দাস অপু (পৃষ্ঠা- ১২৪)
১২২. আবদুল জলিল যে কারণে মারা গেল - মঈনুল আহসান সাবের (পৃষ্ঠা- ১০২)
১২৩. সে ও নর্তকী - হুমায়ূন আহমেদ (পৃষ্ঠা- ১২৭)
১২৪. অ্যানিমেল ফার্ম - জর্জ অরওয়েল, অনুবাদ- শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (পৃষ্ঠা- ৮০)
১২৫. জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক (পৃষ্ঠা- ১৭৫)
১২৬. বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর - তারেক শামসুর রহমান (পৃষ্ঠা- ২৭২)
১২৬. পাতালে হাসপাতালে - হাসান আজিজুল হক (পৃষ্ঠা- ৭৬)
১২৭. মহাকাশে মহাযুদ্ধ - রকিব হাসান (পৃষ্ঠা - ১৪৪)
১২৮. আবদুল্লাহ - কাজী ইমদাদুল হক (পৃষ্ঠা- ১৪২)
১২৯. বিশ্বাসের ভাইরাস - অভিজিৎ রায় (পৃষ্ঠা - ২৩২)
১৩০. সৈয়দ শামসুল হকের কলমের সঙ্গে সংসার (পৃষ্ঠা - ১২০
বাংলা সাহিত্যের ১৩০ টি বই বাংলা সাহিত্যের ১৩০ টি বই Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৬:১২ AM Rating: 5

বুক রিভিইউ-ক্রাইসিস

বইপড়ুন ডট কম থেকে
সন্দেহ যেন জীবনের জলবিম্ব ! মাহিন-ফারিয়ার পাঁচ বছরের নিঃসন্তান দাম্পত্যে ওটা বেশ ভালোই প্রোথিত হয়েছে। শুরুতে সন্দেহের ব্যাপারটা অমূলক ও একতরফা থাকলেও এখন আর নেই। মাহিনের দেখাদেখি ফারিয়াও বেশ শিখে গেছে। অকারণ সন্দেহ বাতিকের পর্যায়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় “ ওথেলো সিনড্রোম ”।
ফারিয়া বয়োজন চায় না, কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে তাই সে চালিয়ে যাচ্ছিল সাধের দাম্পত্য। কিন্তু ওই মেয়েটা এসেই সব ওলটপালট করে দিল। মাহিন ওর সঙ্গে কতটা ইনভলভ্ড ফারিয়া জানে না। আর কতটা ছাড় দিলে ও ফিরবে ! আদৌ ফিরবে কি ?
এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই ফারিয়ার। সাহিত্যে পড়েছে ‘ডার্ক রোমান্টিসিজমের’ কথা। আর প্রেমে পড়ে, অথচ ধরে রাখতে পারে না। বরং দ্বন্দ্ব-সন্দেহের দোলাচলে ফেলে সব কেমন গুবলেই করে দেয়।
নাকি মাহিন অথেলো সিনন্ড্রোমে ভুগছে ! অজানা ভয়ে কেঁপে ওঠে ফারিয়ার বুক। বেশ ভালো না বাসুক, মাহিনকে সে মন্দ বাসে না, তাই খোয়াতে চায় না। এভাবেই নিত্যদিনের ক্রাইসিস তাড়া করে ফেরে এই গল্পের নায়িকা ফারেয়াকে।
-----------------------------
বইঃ ক্রাইসিস
লেখকঃ অরুণ কুমার বিশ্বাস
মুদ্রিত মুল্য ২৫০ টাকা
বুক রিভিইউ-ক্রাইসিস বুক রিভিইউ-ক্রাইসিস Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১০:৫৫ PM Rating: 5

বাংলা ভাষায় শ্রেষ্ঠ ৬০ টি বই

লিখেছেনঃ Sajal Ahmed


রায়হান রশিদ ভাইয়ের কথামতো আমার পঠিত কিছু শ্রেষ্ঠ বইয়ের লিস্ট দিচ্ছি।বইগুলো বুদ্ধিবৃত্তির বিন্যাসে সাহায্য করবে।
আমার পঠিত শ্রেষ্ঠ বইগুলোঃ

  • ১)সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস-আহমদ ছফা
  • ২)বজ্রকলম-গোলাম আহমদ মোর্তজা
  • ৩)ইতিহাসের ইতিহাস-গোলাম আহমদ মোর্তজা
  • ৪)সেইসব দার্শনিক-সরদার ফজলুল করীম
  • ৫)বাঙালী মুসলমানের মন-ছফা
  • ৬)শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য প্রবন্ধ-আহমদ ছফা
  • ৭)তানিয়া-পি.লিডভ(অনুবাদআহমদ ছফা)
  • ৮)জাগ্রত বাংলাদেশ-আহমদ ছফা
  • ৯)সংশয়ী রচনা-বারর্ট্রার্ন্ড রাসেল(অনুবাদ আহমদ ছফা)
  • ১০)অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী-আহমদ ছফা
  • ১১)পাওয়ার সিস্টেম-নওম চমস্কি
  • ১২)একজন আলি কেনানের উত্থান পতন-আহমদ ছফা
  • ১৩)সাম্রাজ্যবাদ-ফরহাদ মজহার
  • ১৪)পলিটিকস-প্লেটো
  • ১৫)সিপাহি যুদ্ধের ইতিহাস-আহমদ ছফা
  • ১৬)সম্মতি উৎপাদন : গণমাধ্যমের রাজনৈতিক অর্থনীতি-নোয়াম চমস্কি
  • ১৭)ক্যাপিটাল-মার্কস(২ খন্ড পড়েছি)
  • ১৮)ইন্টারভেশন-নওম চমস্কি
  • ১৯)গণমাধ্যমের চরিত্র-নওম চমস্কি
  • ২০)সাম্রাজ্যিক বাসনা/মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (মুখোমুখি নওম চমস্কি এবং মিশেল ফুকো)
  • ২১)কাভারিং ইসলাম-এডওয়ার্ড সাঈদ
  • ২২)পূর্ব পশ্চিম-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  • ২৩)এবাদতনামা(কবিতার বই)-ফরহাদ মজহার
  • ২৪)আহমদ ছফার কবিতা সমগ্র(কবিতার বই)+ফাউস্ট(অনুবাদ)
  • ২৫)রিপ্রেজেন্টেশনস্ অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল-সাঈদ
  • ২৬)ইকোনমিক্স এন্ড ফিলোজফিক ম্যানুস্ক্রিপ্টস: ১৮৪৪-মার্কস
  • ২৭)জর্মান ভাবাদর্শ-কার্ল মার্কস, ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
  • ২৮)প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ-মার্কস ও এঙ্গেলস
  • ২৯মোকাবিলা-ফরহাদ মজহার
  • ৩০)সংবিধান ও গণতন্ত্র-মজহার
  • ৩১)প্রস্তাব-মজহার
  • ৩২)ক্ষমতার বিকার-মজহার
  • ৩৩)বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য -আহমেদ শরীফ
  • ৩৪)বাঙলার সূফী সাহিত্য-আহমেদ শরীফ
  • ৩৫)জাতীয়তা গণতন্ত্র ও রাজনীতি-আঃ শরীফ
  • ৩৬)মধ্যযুগের কবি ও কাব্য গ্রন্থ-আঃ শরীফ
  • ৩৭)ডেল কার্নেগী রচনা সমগ্র
  • ৩৮)ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ-অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এর আলাপচারিতা-সরদার ফজলুল করীম
  • ৩৯)এরিস্টোটল -এর পলিটিক্স-সঃ ফজলুল করীম
  • ৪০)বিবর্তনবাদ-হারুন ইয়াহিয়া
  • ৪১)দি বাইবেল কোরআন এন্ড সাইন্স-মরিস বুকাইলি
  • ৪২)দ্য প্রফেট - কোহলিল জিব্রান
  • ৪৩)সোফিজ ওয়ার্ল্ড -ইয়োস্তেন গার্ডার
  • ৪৪)আ হিস্ট্রি অফ গড - ক্যারেন আর্মস্ট্রং
  • ৪৫)স্রষ্টার জন্য লড়াই মৌলবাদের ইতিহাস ক্যারেন আর্মস্ট্রং
  • ৪৬)মুহাম্মদ-ক্যারেন আর্মস্ট্রং
  • ৪৭)কাঙাল হরিনাথ: গ্রামীণ মনীষার প্রতিকৃতি-আবুল আহসান চৌধুরী
  • ৪৯)ইহুদি প্রশ্নে-মার্কস
  • ৫০)ভারততত্ত্ব-আল বিরুনি
  • ৫১)সে যুগে মায়েরা বড়ো-দেবীপ্রসাদ
  • ৫২)প্রকৃতির দান্দ্বিকতা-এঙ্গেলস
  • ৫৪)বাংলাদেশের আদীবাসি ও উপজাতী-এবনে গোলাম সামাদ
  • ৫৫)পদ্মানদীর মাঝি
  • ৫৬)হাজার বছর ধরে
  • ৫৭)আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ -নীরদ সি চৌধুরী
  • ৫৮)বিষের বাঁশী-কাজী নজরুল
  • ৫৯)কলীক ভাবনা-আহমেদ শরীফ
  • ৬০)লালশালু-সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ(তাঁর কিছু প্রবন্তও ভালো লেগেছিলো)


কিছুকথাঃ
সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ তালিকা তৈরী করা অসম্ভব।
এই বইগুলো আমার পড়া বইগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচ্য।অনেক গল্প উপন্যাস পড়েছি কিন্তু সেগুলো থেকে আদৌ কিছু শিখতে পারিনি এবং এই লিস্টেও রাখতে পারছিনা।আবার অনেক বইয়ের নাম ও মনে করতে পারছিনা তাই লিস্টে অ্যাড করতে পারছিনা(মনে পরলে অবশ্যই লিস্টে অ্যাড করা হবে)।দুঃখের বিষয় হচ্ছে পুতুল নাচের ইতিকথার এত নাম ডাক শুনেও এখনো আমার ভাগ্যে সেটা কুলোয়নি।তবে শীঘ্রই পড়ব ইনশাল্লাহ!
হুমায়ুন কথাঃ

হুমায়ুন আহমেদ লিস্টে না থাকায় অনেকে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেন। তাদের জানিয়ে রাখছি,হুমায়ুন আহমেদ এর কোন গল্প আমাকে কিছু শেখাতে পারেনি("হুমায়ুনের বই সিগারেটের মত''-আহমদ ছফা)।তাঁর অনেক বই আমি পড়েছি তবে সেগুলোকে এই বইগুলোর সাথে স্থান দিতে পারলাম না।হুমায়ুন আহমেদ নিঃসন্দেহে একজন গুণী লেখক। তাঁকে আমি শ্রদ্ধা করি ভালোবাসি।তবে সাহিত্যে একটা এলিটিজমের ব্যাপার আছে("সাহিত্য জগতে এলিটিজম বিষয়টি খুব প্রকট,ঠিক সামন্ত যুগের রাজা প্রজাদের মত'' -আহমদ ছফা)।যারা বই পড়ে আদৌ কিছু শিখতে চাচ্ছেন,তাদেরকে ঐ বইগুলো (আমার করা লিস্টের)আমি পড়তে বলব তাঁরা যেন ভুলেও হুমায়ুনের মিসির আলী,হিমু না ছোঁয়।আর যাঁরা সময় কাটানোর জন্য বই পড়তে চান,তাঁরা হুমায়ুন আহমেদ কিনে শেল্ফ সাজিয়ে রাখেন তাতে সমস্যা নেই।ঐ কিছু টাকা যাবে আরকি!
আরো বেশ কিছু লেখকের বই আমি ইচ্ছে করেই শ্রেষ্ঠ মনে করি না এবং ইচ্ছে করেই লিস্টে রাখিনি।যেমন,জাফর ইকবালের বই কখনো এই লিস্টে আসবে না।মিলন ও তাই।আর দয়াকরে এইসব বিব্রতকর মন্তব্য করবেন না যে "প্যারাডক্সিকাল সাজিদ নেই কেন?'' "কাশেম সাব কি দোষ করলো?'' "তসলিমা নেই কেন?'' "হুমায়ুন আজাদ নেই কেন?'' ইত্যাদি ইত্যাদি।যেহেতু এগুলো আমার পঠিত শ্রেষ্ঠ বইয়ের তালিকা সেহেতু এখানে আমার শ্রেষ্ঠ বই'ই স্থান পাবে।
আর দয়াকরে,যদি পারেন আপনাদের পঠিত কিছু শ্রেষ্ঠ বই আমাকে বাতলে দিবেন।আর টাইপিং মিস্টেক হলে সেটাও।
ধন্যবাদ।
বাংলা ভাষায় শ্রেষ্ঠ ৬০ টি বই বাংলা ভাষায় শ্রেষ্ঠ ৬০ টি বই Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ২:১৬ AM Rating: 5

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ১০০ বই

লিখেছেনঃMd Rafiqul Islam Robi
বাংলা সাহিত্যের সেরা ১০০ বইয়ের তালিকা করা প্রায় অসম্ভব। কারণ আমাদের রয়েছে অসংখ্য রত্নভাণ্ডার। তবুও গ্রুপের সকল মেম্বারদের কাছ থেকে মোটামুটিভাবে একটা লিস্ট চাওয়া হয়েছে আর সেই অনুযায়ী এই ডক করার চেষ্টা। এজন্য সকল ক্রেডিট গ্রুপের সম্মানিত মেম্বারদের। এছাড়াও সামান্য কিছু বইয়ের লিস্ট এডমিন প্যানেলের পক্ষ থেকে যোগ করা হয়েছে। আর বইয়ের লিস্ট মূলত রেন্ডমলি করা হয়েছে। এখানে মুলত উপন্যাস, প্রবন্ধ, কাব্যগ্রন্থ, নাটক সব মিলিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এই ডক থেকে কেউ সামান্যতম উপকার পেলেই আমরা স্বার্থক


  •  ১। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান

  • ২। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • ৩। চিলেকোঠার সেপাই - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

  •  ৪। দূরবীন - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

  • ৫। পথের পাচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ৬। নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ সামছুল হক

  • ৭।ট্রিলজি ( সেই সময়, প্রথম আলো, পুর্ব পশ্চিম) - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

  • ৮। সূর্য দীঘল বাড়ি - আবু ইসহাক

  • ৯। গঙ্গা - সমরেশ বসু

  • ১০। জীবন আমার বোন লেখক- মাহমুদুল হক

  • ১১। কৃষ্ণকুমারী - মাইকেল মধ্যসুদন দত্ত

  • ১২। সাতকাহন - সমরেশ মজুমদার

  • ১৩। দীনবন্ধু মিত্র - নীল দর্পন

  • ১৪। কড়ি দিয়ে কিনলাম - বিমল মিত্র

  • ১৫। রক্তাক্ত প্রান্তর - মুনীর চৌধুরী
  • ১৬। দুর্গেশ নন্দিনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • ১৭। সুবচন নির্বসনে - আবদুল্লাহ আল মামুন

  • ১৮। জননী -- শওকত ওসমান

  • ১৯। যে জলে আগুন জ্বলে - হেলাল হাফিজ

  • ২০। রাজবন্দীর জবানবন্দী - কাজী নজরুল ইসলাম

  • ২১। দিবারিত্রির কাব্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ২২। গর্ভধারিণী - সমরেশ মজুমদার

  • ২৩। লোটাকম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

  • ২৪। পুতুলনাচের ইতিকথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ২৫। পথের দাবি - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • ২৬। জোৎস্না ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ

  • ২৭। গাভী বিত্তান্ত - আহমদ ছফা

  • ২৮। ঝিলাম নদীর দেশ-বুলবুল সারওয়ার

  • ২৯। দিপু নাম্বার টু - জাফর ইকবাল

  • ৩০। অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ৩১। কবি - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ৩২। শেষের কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • ৩৩। ছাড়পত্র - সুকান্ত ভট্টাচার্য

  • ৩৪। ন হন্যতে - মৈত্রেয়ী দেবী

  • ৩৫। শাপমোচন - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

  • ৩৬। নকশীকাঁথার মাঠ। - জসীমউদ্দীন

  • ৩৭। ক্রিতদাসের হাসি -শওকত ওসমান

  • ৩৮। বিষাদসিন্ধু - মীর মোশাররফ হোসেন

  • ৩৯। শাম্ব - সমরেশ বসু

  • ৪০। লাল সালু - সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ

  • ৪১। রাইফেল রোটি আওরাত-আনোয়ার পাশা

  • ৪২। হাঙর নদী গ্রেনেড - সেলিনা হোসেন

  • ৪৩। চাঁদের অমাবস্যা - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

  • ৪৪। মৃত্যুক্ষুধা - কাজী নজরুল ইসলাম

  • ৪৫। সুলতানার স্বপ্ন - বেগম রোকেয়া

  • ৪৬। দেশে বিদেশে- সৈয়দ মুজতবা আলী

  • ৪৭। মাধুকরী - বুদ্ধদেব গুহ

  • ৪৮। প্রমথ চৌধুরী - তেল নুন লকড়ি

  • ৪৯। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল -হুমায়ূন আজাদ

  • ৫০। বরফ গলা নদী - জহির রায়হান

  • ৫১। চিতা বহ্নিমান - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়

  • ৫২। মা- আনিসুল হক

  • ৫৩। লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ূন আজাদ

  • ৫৪। কাছের মানুষ - সুচিত্রা ভট্টাচার্য

  • ৫৫। মেমসাহেব - নিমাই ভট্টাচার্য

  • ৫৬। সঞ্চিতা - কাজী নজরুল ইসলাম

  • ৫৭। কাঁদো নদী কাঁদো -ওলালিউল্লাহ

  • ৫৮। সবিনয় নিবেদন - বুদ্ধদেব গুহ

  • ৫৯। তেইশ নাম্বার তৈলচিত্র- আলাউদ্দিন আল আজাদ

  • ৬০। সারেং বউ - শহিদুল্লাহ কায়সার

  • ৬১। সুর্য তুমি সাথি - আহমদ ছফা

  • ৬২। সাত সাগরের মাঝি - ফররুখ আহমদ

  • ৬৩। পদ্মা নদীর মাঝি - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ৬৪। শ্রীকান্ত - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • ৬৫। খোয়াবনামা - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

  • ৬৬। প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে - শামসুর রাহমান

  • ৬৭। বনলতা সেন - জীবনানন্দ দাশ

  • ৬৮। সোনালি কাবিন - আল মাহমুদ

  • ৬৯। রাখালি - জসিম উদ্দিন

  • ৭০। মেঘনাদবধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত

  • ৭১। দৃষ্টিপাত-যাযাবর

  • ৭২। জাহান্নাম হইতে বিদায় - শওকত ওসমান

  • ৭৩। তিতাস একটি নদীর নাম - অদৈত মল্লবর্মন

  • ৭৪। নন্দিত নরকে - হুমায়ূন আহমেদ

  • ৭৫। আমি বিরাঙ্গনা বলছি - ডঃ নীলিমা ইব্রাহীম

  • ৭৬। জমিদার দর্পন - মীর মশাররফ হোসেন

  • ৭৭। সংশপ্তক - শহিদুল্লাহ কায়সার

  • ৭৮। ফেলুদা সমগ্র -সত্যজিত রায়

  • ৭৯। কলকাতার কাছেই - গজেন্দ্রকুমার মিত্র

  • ৮০। হাজার চুরাশির মা - মহাশ্বেতা দেবী

  • ৮১। পল্লীসমাজ - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

  • ৮২। রূপমঞ্জরী- নারায়ণ সান্যাল

  • ৮৩। আগুন পাখি- হাসান আজিজুল হক

  • ৮৪। বিমল মিত্র- সাহেব বিবি গোলাম

  • ৮৫। গীতাঞ্জলি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • ৮৬। অগ্নিবীণা - কাজী নজরুল ইসলাম

  • ৮৭। ঝরা পালক - জীবনানন্দ দাশ

  • ৮৮। মতিচুর- বেগম রোকেয়া

  • ৮৯। আলালের ঘরের দুলাল - প্যারিচাঁদ মিত্র

  • ৯০। গোরা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  • ৯১। বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন- মুহাম্মদ আব্দুল হাই

  • ৯২। আবদুল্লাহ - কাজী ইমদাদুল হক

  • ৯৩। আরন্যক - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

  • ৯৪। একাত্তরের দিনগুলি-জাহানারা ইমাম

  • ৯৫। হাঁসুলি বাঁকের উপকথা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়-

  • ৯৬। প্রদোষ প্রাকৃতজন - শওকত আলী

  • ৯৭। ক্রাচের কর্নেল - শাহদুজ্জামান

  • ৯৮। সঞ্চয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  •  ৯৯। উপনিবেশ - নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়

  • ১০০। নুরজাহান- ইমদাদুল হক মিলন 
বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ১০০ বই বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ১০০ বই Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ২:০৫ AM Rating: 5

বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

#বাংলা_সাহিত্যের_ইতিহাস - (সংক্ষিপ্ত)
লেখাঃ Md Rafiqul Islam Robi


জানেন কি? যেই উপন্যাস, নাটক, গল্প, রম্য, প্রবন্ধ নিয়ে আজ আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাড়াতে চাই বা দাড়াই তার বয়স মাত্র ২০০ বছর! এর আগে এগুলো সৃষ্টি হয়নি! এবং আসলেই সত্য এগুলো আসলেই সৃষ্টি হয়নি। তাহলে কি ছিল তার আগে? কেন বলা হয় বাংলা সাহিত্য হচ্ছে হাজার বছরের পুরনো সাহিত্য? চলুন এই ব্যাপারে সংক্ষেপে জেনে নেই।।


ঐতিহাসিক বোদ্ধাগণ বাংলা সাহিত্যকে মূলত ৩ টি ভাগে ভাগ করেন। যথা-

  1. ১। প্রাচীন যুগ- ৬৫০-১২০০= ৫৫০ বছর
  2. ২। মধ্যযুগ- ১২০১-১৮০০= ৬০০ বছর
  3. ৩। আধুনিক যুগ- ১৮০১- বর্তমান।
  4. *** অন্ধকার যুগ ১২০১-১৩৫০ (অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগ) = ১৫০ বছর


প্রাচীন যুগঃ
শুনতে অবাক হলেও এটাই সত্য যে, বাংলা সাহিত্যের এই ৫৫০ বছরের একমাত্র ফুলের নাম চর্যাপদ! আর কোন নিদর্শন নেই বাংলা সাহিত্যে। কেন নেই এর কারন ব্যাখ্যা করতে গেলে এই লেখাটি বড় হয়ে যাবে কারন এটার সাথে বাংলা ভাষার ইতিহাস, সেকালের সমাজ ব্যবস্থার ইতিহাস ইত্যাদি জড়িত।
চর্যাপদ মূলত ৪৬ টি পূর্ণ আর অর্ধেক কবিতা মোট ৪৬.৫ টি কবিতা নিয়ে রচিত। প্রধান কবিদের অন্যতম হলেন কানপা, লুইপা, ভুসুকাপা।


মধ্যযুগঃ ১২০১-১৮০০ মাঝে ১২০১-১৩৫০ হল অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগ। কারন এই যুগে কোন সাহিত্যই সৃষ্টি হয়নি। এর কারন আজও রহস্যের মধ্যেই রয়ে গেছে। কেউই আবিষ্কার করতে পারেনি মুল সত্য।


মূলত ১৩৫১-১৮০০ সাল পর্যন্ত রচিত হয় কাব্য আর কাব্য। সৃষ্টি হয় গীতিকবিতা। কবিগণ সৃষ্টি করেন অমৃত। পান করেন নিজেরা। পান করান আমাদের। এসময় সৃষ্টি হয় কালজয়ী শ্রীকৃষ্ণকীর্তন যার রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। মূলত মধ্যযুগ বিখ্যাত মঙ্গলকাব্যের জন্য। প্রায় ৪৫০ বছর যাবত এগুলোই সৃষ্টি হয়েছে (আরও কিছু উপাদান)। এ যুগের অন্যতম নক্ষত্র হলেন মুকুন্দরায়, রায় গুনাকর, বিজয়গুপ্ত, এবং বংশীদাস। তারা মূলত ধর্মীয় কাব্য রচনা করেছেন যেখানে স্তুতি বর্ণনা করা হয়েছে দেবদেবীর। মানুষ এখানে ছিল প্রায় গৌণ অবস্থায়।
কিন্ত ভিন্নতা এনেছেন মুসলিম কবি। আলাওল, শাহ মোঃ সগীর, আব্দুল হাকিম অন্যতম। (বাংলা ভাষার প্রথম মুসলিম কবি মোঃ সগীর) এরা সৃষ্টি করেন, ইউসুফ-জুলেখা, লাইলি-মজনুর মত অমর সব সৃষ্টি সমূহ।


উল্লেখ্য মধ্যযুগে মূলত সৃষ্টি হয়েছে মঙ্গল কাব্য (রচয়িতা- হিন্দু কবিগণ) আর রোমান্টিক কাব্য (রচয়িতা- মুসলিম কবিগণ) এছাড়াও আরও অনেক কিছুই ছিল যা উল্লেখ করলে লেখাটি বড় হবে বিধায় উল্লেখ করলাম না। মজার ব্যাপার হচ্ছে এ যুগেও কিন্ত সৃষ্টি হয়নি গল্প, উপন্যাস, রম্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি।


এবার আলোচনা করা যাক আধুনিক যুগ সম্পর্কে। কিন্ত তার আগে প্রাচীন এবং মধ্যযুগের দুটি তথ্য টীকা আকারে দিতে চাই।


টীকা ০১ - চর্যাপদ - এটি রচিত হয় মূলত ৯৫০-১২০০ অব্দের মধ্যে। তবে রহস্যজনকভাবে এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে তাও নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। এটি আবিষ্কার করেন পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। এর আরও কিছু নাম আছে যেমন কেউ বলেন এর নাম চরয্যাশ্চ্যবিনিশ্চয় আবার কেউ বলেন এর নাম চরয্যাচরয্যবিনিশ্চয়।। যাইহোক আমরা পেলাম বড় সুন্দর আর সহজ একটা নাম চর্যাপদ। টীকাঃ ০২ - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন যা অবহেলায় অনাদরে পড়েছিল বাকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘরে। ১৯০৯ অব্দে এটি উদ্ধার করেন বসন্ত রঞ্জন রায় যা রচিত হয় বড়ু চণ্ডীদাস দ্বারা।


এবার বলা যাক আধুনিক যুগ সম্পর্কে। কালের বিবর্তনে প্রতিটি জিনিস ই ফিরে পেতে থাকে তার পূর্ণতা। বাংলা সাহিত্যের এই পূর্ণতায় আছে অনেকের ই নাম যাদের অবদান এত ছোট আর্টিকেলে উল্লেখ করা অসম্ভব। শুধুমাত্র কয়েকজনের নাম আর অবদান উল্লেখ করা হল। এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।


মূলত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুর পর ই শেষ হয় মধ্যযুগ। তাই তাকে বলা হয় যুগ সন্ধিক্ষণের কবি। তারপর উদিত হয় আধুনিক যুগের সূর্য! এই যুগের সাহত্যের প্রধান বৈশিষ্ট হল মানবতাদ, আত্মচেতনা এবং তার প্রসার। আগের সাহিত্যে মূলত দেব দেবীর স্তুতি গাওয়া হত। কিন্ত আধুনিক যুগ এই প্রথা ভেঙ্গে দেয়। জন্ম দেয় নতুন প্রথার। এই যুগেই আমরা পাই গল্প, উপন্যাস, রম্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি। এর সুচনা করেন অনেকেই। তার মধ্যে প্রথম আর প্রধান হলেন উইলিয়াম কেরি। এজন্য বাঙ্গালী এই মহান মানুষকে মনে রাখবে আজীবন।

উল্লেখযোগ্য অনেকের নামই বলতে পারি তবে অন্যতম হলেন ঈশ্বরচন্দ্র নামের ভদ্রলোকের যিনি আবস্কার করেন বাংলা ভাষার ১২ টি বিরাম চিহ্নের। তার আগে বাংলা সাহিত্য কোন দাড়ি কমা ছিল না! শুধু ছিল এক দাড়ি আর দুই দাড়ি! তিনি একজন সমাজ সংস্কারকও ছিলেন। মানুষ খুশি হয়ে তার উপাধি দিলেন বিদ্যাসাগর।

তা দেখে কিছুটা মনে কষ্ট পেয়ে কপালকুণ্ডলা, দুর্গেশ নন্দিনি, বিষবৃক্ষ কিংবা কমলাকান্তের দপ্তরের মত কালজয়ী উপন্যাস প্রবন্ধ সৃষ্টি করেন বঙ্কিমচন্দ্র সাহেব। মানুষ দিলেন বাহবা!!! বিনিময়ে পেয়ে গেলেন সাহিত্য সম্রাট উপাধি! এটা দেখে রেগেমেগে বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য মেঘনাদবদ এবং বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রচলন করলেন সনেটের সেই সাথে নাটকও। আরও সৃষ্টি করলেন প্রহসন! তার এতগুনে মুগ্ধ হয়ে এবার সবাই তাকে দিলেন বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক, আধুনিক বাংলা নাটকের জনক, বাংলা সাহিত্যর সনেটের প্রবর্তক। তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তবে প্রথম উপন্যাস কিন্ত প্যারিচাদ মিত্র ই লেখেন যার নাম আলালের ঘরে দুলাল।

মধুসূদন এরপর আসেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে নক্ষত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

সাহিত্যের এমন কোন শাখা নেই যেখানে তার নিপুন ছোঁয়া পড়েনি। তিনি একই সঙ্গে কবি, ঔপন্যাসিক, শিক্ষাবিদ, গল্পকার, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার, অভিনেতা, ভাষাবিদ, গায়ক, নাট্যপ্রযোজক, চিত্রশিল্পী, দার্শনিক! তাই তার সম্পর্কে কোন রকম আলোচনা এই আর্টিকেলে করতে চাইনা শুধু এতটুকু ই বলব রবী ঠাকুর মানেই একটি নাম একটি জগত! তার সাহিত্যের অনবদ্য অবদান স্বরূপ তিনি পান নোবেল পুরুস্কার! (গীতাঞ্জলী কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ - song offerings, ১৯১২)

মূলত বাংলা সাহিত্যের উপন্যাসের শাখাকে যে কয়জন টেনে নিয়ে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ৬ জন যেমন ১ ঠাকুর (রবিন্দ্রনাথ) ২ চট্টোপাধ্যায় (শরত, বঙ্কিম) আর ৩ বন্দ্যোপাধ্যায় (বিভুতি, মানিক, তারাশঙ্কর) উপন্যাসের জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে রবী ঠাকুরকেও যিনি ছাপিয়ে গেছেন তিনি শরৎ বাবু। সমাজের পোড় খাওয়া, নিগৃহীত, অবহেলিত মানুষদের প্রতিদিনের মনের কথা আর বাস্তব অথচ করুন চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন। তাকে দেয়া হয় "বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পি" উপাধি।

তিন বন্দ্যোপাধ্যায়ও কিন্ত তার কাছাকাছিই ছিলেন। বিভূতি বাবুকে সবাই মনে রাখবে তার পথের পাঁচালি, আরণ্যক বা আদর্শ হিন্দু হোটেল প্রভৃতি সৃষ্টির জন্য। একইভাবে মানিক বাবুকে সবাই মনে রাখবে তার পুতুল নাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, পুতুল নাচের ইতিকথা ইত্যাদির জন্য কিংবা তারাশঙ্কর বাবুকে সবাই চিনবে তার কবি, গনদেবতা, ধাত্রিদেবতার প্রভৃতি অমরসব সৃষ্টির জন্য।

মূলত বাংলা ভাষায় আধুনিক কবিতা যে কয়জন সৃষ্টি করেছেন তাদের মধ্যে ৫ জনের নাম সবার আগে থাকবে। তারা হলেন, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ, সুধিন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে ও অমিয় চক্রবতি।

এদের মধ্যে আবার অন্যতম হলেন জীবনানন্দ দাশ। তার কবিতাই আগের সকল নিয়মকে ভেঙ্গে দেয়। রচনা করেন কবিতায় আধুনিক ধারা! রবী ঠাকুর তার কবিতাকে বলেছিলেন "চিত্ররুপময়" আর বুদ্ধদেব বলেছিলেন "নির্জনতম কবি" সাহিত্যবোদ্ধারা তাকে বলেন, "শুদ্ধতম কবি"

অপর দিকে যার কবিতায় শরীরের পশম দাড়াতে বাধ্য, কর্ণে ঝঙ্কার তুলতে বা রক্ত টগবগ করতে যার জুড়ি নেই, নিজেই ছিলেন বিদ্রোহী, মানুষের মনে বিদ্রোহ আনতে যার জুড়ি মেলাভার তিনিই আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। অল্পবয়সে তিনি বাকরুদ্ধ না হলে সৃষ্টি করে যেতেন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙ্গার গান এর মত অনবদ্য সব সৃষ্টি!

তারমত না হলেও বাংলার আরেক নক্ষত্র মাত্র ২১ বছর বয়সেই পরপারে চলে যান। তিনি কবি সুকান্ত (১৫ই আগস্ট, ১৯২৬ - ১৩ই মে, ১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ছাড়পত্র।

আরেকজন মানুষ কিন্ত পুরো লেখার আর ভাষার রীতিকেই ঢেলে সাজান। চালু করেন চলিত রীতি! তিনি প্রমথ চৌধুরী। অন্যদিকে হাস্যরসাত্মক সাহিত্যে নারায়ণ কিংবা প্রেমেন্দ্র মিত্রকে সবাই ই মনে রাখবে যথাক্রমে তাদের টেনিদা আর ঘনাদার জন্য।


তবে এই পর্যায়ে যদি সত্যজিৎ সাহেবের নাম না লিখি তবে বিশাল ভুল হয়ে যায়! কোন দিক তার অস্বীকার করা যায়? তিনি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি চরিত্রের স্রষ্টা। একটি হল প্রাতিজনিক গোয়েন্দা ফেলুদা, অন্যটি বিজ্ঞানী প্রফেসর শঙ্কু। তবে তার আরেকটি পরচিচয় না দিলে তার পরিচয় অসম্পুর্ন ই রয়ে যাবে আর তা হল তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” (Best Human Documentary) পুরস্কারটি। আর সবচেয়ে বিখ্যাত পুরস্কার হল ১৯৯২ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কারটি (অস্কার), যা তিনি সমগ্র কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন।

উনার পাশাপাশি আরেকজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক, এবং গল্পকার হলেন জহির রায়হান। তার স্তপ জেনোসাইড আর লেট দেয়ার বি লাইট হল তার বিখ্যাত দুটো চলচিত্র আর পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হল প্রবন্ধ। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হল বরফগলা নদী, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন ইত্যাদি।
আর অতি সম্প্রতির উদাহরন দিলে যেই কিছু নাম চলে আসবে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সমরেশ মজুমদার, সুনীল আর হুমায়ূন আহমেদ! বলা যায় বর্তমান জনপ্রিয় লেখকদের মধ্যে এরা তুঙ্গে আছেন। সমরেশ বাবুর সেরা লেখার মধ্যে উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ, গর্ভধারিণী, সাতকাহন ইত্যাদি আর সুনীল বাবুকে সবাই মনে রাখতে বাধ্য উনার সেই সময়, পুর্ব পশ্চিম, প্রথম আলো, কাকা বাবু সমগ্র ইত্যাদি কালজয়ী লেখার জন্য।

হুমায়ূন আহমেদ এদিক দিয়ে কিছুটা এগিয়ে আছেন অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কারন তিনি বাংলাদেশী মানুষদের পশ্চিম বাংলা বিমুখ করতে একাই লড়েছেন এবং সফলও হয়েছিলেন। তিনি নতুন ধারা সৃষ্টি করেন আর সেটি হল সংলাপ প্রধান সাহিত্য! তার কালজয়ী সৃষ্টি হিমু, মিসির আলী, শুভ্র খুবই জনপ্রিয়তা পেয়ছে আর উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে জ্যোৎস্না ও জননীর গল্প, দেয়াল, বাদশাহ নামদার, নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার ইত্যাদি প্রধান।


পরিশেষে আবারও ক্ষমাপ্রাথি এজন্য যে, এত ছোট আর্টিকেলে বাদ রয়ে গেছে অনেকেরই নাম। নির্মলেন্দু গুন, জসিম উদ্দিন, মীর মোশাররফ, শামসুর রাহমান, শওকত আলী, রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ফররুখ আহমদ, শওকত ওসমান, আবু ইসহাক, আল মাহমুদ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আহমদ ছফা প্রভৃতি নক্ষত্রসহ অগণিত লেখকগনের নাম। তথ্য প্রদানেও থাকতে পারে ভুল। এই ভুল ধরিয়ে দিলে থাকব কৃতজ্ঞ হয়ে।
বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১:৫২ AM Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.