Results for উক্তি

২০টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-২]

২১. খুব শিগগির অসম্ভব চমৎকার একটা কিছু ঘটতে চলেছে তোমার জীবনে, তুমি কি সেটি অনুভব করতে পারো?
-Anonymous
২২. তুমি যখন সবাইকে ভালবাসতে শিখবে, সবার কল্যাণে কাজ করে যাবে- জীবনের প্রান্তিলগ্নে গিয়ে দেখবে মানুষের ভালবাসায় তুমি একদম আকণ্ঠ ডুবে আছো! বিশ্বাস করো এরচেয়ে পরিতৃপ্তি জীবনে আর কিছুতে হতে পারে না!
-Anonymous
২৩. জীবনটা উপভোগ করতে হয় প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে, প্রতিটি ছোট্ট ছোট্ট স্মৃতি আনন্দে উপলক্ষ্যে। যত বেশি হাসবে, যত কম অভিযোগ করবে, জীবনটা ততোই ভরে উঠবে সুখে, পরিতৃপ্তিতে।
-Anonymous
২৪. পৃথিবীর সুন্দরতম জিনিসগুলো হাতে ছোঁয়া যায় না, চোখে দেখা যায় না, সেগুলো একমাত্র হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়- ভালবাসা, দয়া, আন্তরিকতা।
-Helen Keller
২৫. বাঁচার মতো বাঁচতে জানলে জীবনটা অসম্ভব রোমাঞ্চকর একটি অভিযান, আর একদম ঝুঁকিহীন জীবন সে তো মুরগির খোঁয়াড়ে ধুঁকে ধুঁকে টিকে থাকা।
-Anonymous
২৬. যার নেশা আর পেশা মিলে যায় তার চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কে হতে পারে?
-Anonymous
২৭. তুমি যদি এখন থেকেই তোমার স্বপ্নগুলো সত্যি করার পেছনে ছুটে না চলো, একদিন তোমাকে কাজ করতে হবে অন্যদের অধীনে- তাদের স্বপ্নগুলো সত্যি করার জন্য।
-Anonymous
২৮. “কী বলা হচ্ছে”, সেটি হৃদয়ে ধারণ করো, “কে বলছে” সেটি বিবেচ্য নয়। পথের ভিখারীও কখনো তোমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিতে পারে।
-Anonymous
২৯. ব্যর্থতা মানে হচ্ছে ব্যর্থতা- কেন হয়েছে কার কারণে হয়েছে সেগুলো কেউ জানতে চাইবে না। তুমি ব্যর্থ হলে তার যন্ত্রণা তোমাকে একদম একাকী সইতে হবে, কেউ তোমার পাশে এসে দাঁড়াবে না। তাই কখনো অজুহাত বানাবে না, অন্যদের সুযোগ দেবে না তোমার জীবনটাকে নিয়ন্ত্রণ করার। জিততে তোমাকে হবেই!
-Anonymous
৩০. বিশাল মহাজগতে ক্ষুদ্র বালুকণার চেয়ে ছোট্ট এ পৃথিবী, তার মাঝে ক্ষণিকের এ জীবন- জগতের বুকে একটি আঁচড় না কেটেই হারিয়ে যাবে অতলে?
-Anonymous
৩১. দাম্ভিক হওয়া সহজ, বিনয়ী হতে হলে প্রয়োজন অসাধারণ আত্মসম্মান এবং মানসিক শক্তিমত্তার।
-Anonymous
৩২. পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দের অনুভূতিটি হচ্ছে যখন তুমি একটি লক্ষ্য ঠিক করেছিলে সেই লক্ষ্যটি পূরণ করতে পারলে!
-Anonymous
৩৩. পৃথিবীটা হচ্ছে একটি আয়নার মতো- তুমি সবার সাথে যেমন ব্যবহার করবে যেমন মনোভাব পোষণ করবে ঠিক তেমনটাই ফিরে পাবে প্রতিদানে।
-Anonymous
৩৪. ব্যর্থ হওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়, ব্যর্থতা নতুন করে আবার শুরু করার প্রেরণা। হাল ছেড়ে দেওয়া মানেই হেরে যাওয়া।
-Anonymous
৩৫. ঘুমিয়েই কি কেটে যাবে একটি জীবন? জীবন হোক কর্মচাঞ্চল্যে ভরপুর, ছুটে চলার নিরন্তর অনুপ্রেরণা। বিশ্রাম নেওয়ার জন্য কবরের জীবন চিরকাল পড়ে রয়েছেই।
-হযরত আলী (রাঃ)
৩৬. তোমার মেধার ঘাটতি থাকতে পারে, কিন্তু তোমার চেয়ে বেশি পরিশ্রম অন্য কেউ করবে সেটি তো হতে দেওয়া যায় না- পরিশ্রম দিয়ে মেধার ঘাটতি অবশ্যই পুষিয়ে নেওয়া যায়, আমিই তার উদাহরণ!
-Derek Jeter
৩৭. তোমার জীবনটা কিন্তু একান্তই তোমার, তুমি কী হবে কী করবে সে ব্যাপারে অন্যরা পরামর্শ দিতে পারে কিন্তু তাদের ইচ্ছা তোমার উপর চাপিয়ে দেওয়ার কোন অধিকার নেই কারো। কাউকে সেই সুযোগ দিতে নেই কখনো।
-Anonymous
৩৮. জীবনে সবকিছু একবার হলেও চেষ্টা করে দেখা উচিত। স্রষ্টা প্রতিটি মানুষকে কিছু না কিছু ক্ষেত্রে অনুপম দক্ষতা দিয়ে পাঠিয়েছেন, তুমি সেটি কখনো জানতেও পারবে না যতদিন না তুমি সেটি চেষ্টা করে দেখছো।
-Anonymous
৩৯. হতাশা একটি বিলাসিতা। হতাশার জায়গাটি আজ থেকে দখল করুক কাজ শেষের তৃপ্তিমাখা ক্লান্তি।
-Anonymous
৪০. তোমার স্বপ্ন আর তোমার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে কেবল একটি জিনিস- সেটি হচ্ছে অজুহাত! যে মুহূর্ত থেকে তুমি নিজেকে অজুহাত দেখানো বন্ধ করে কাজ শুরু করবে সে মুহূর্ত থেকে তোমার স্বপ্ন আর স্বপ্ন থাকবে না- সেটি বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করবে!
-Jordan Belfort
২০টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-২] ২০টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-২] Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১০:১২ PM Rating: 5

২০ টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-১]

১. স্বপ্ন দেখতে জানলে জীবনের কাঁটাগুলোও ধরা দেয় গোলাপ হয়ে।
-Theodore Zeldin
২. জীবনকে ভালবাসুন। ভালবাসতে ভালবাসুন। ভালবাসায় কিছু উন্মাদনা থাকবেই। কিন্তু সব উন্মাদনায়ই কিছু আন্তরিকতা মিশে থাকে।
-Petrach
৩. দুঃসময়ের অন্ধকার কখনো কখনো আমাদের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুহূর্তটির দ্বার খুলে দেয়।
-Anonymous
৪. কখনো হাল ছেড়ে দিও না! এখনকার এই দাঁতে দাঁত চেপে করা কষ্টগুলো তোমাকে বিজয়ীর খেতাব দেবে সারাজীবনের জন্য।
-Muhammad Ali
৫. সম্ভাবনা আর বিপদ হাতে হাত রেখে চলে। তাই বলে সম্ভাবনার দ্বার না খুললে কি চলবে?
-Anonymous
৬. প্রত্যেকের জীবনের একটা গল্প আছে। অতীতে ফিরে গিয়ে গল্পের শুরুটা কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তুমি গল্পের শেষটা চাইলেই নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারো।
-Chico Xavier
৭. কখনো ভেঙে পড়ো না। পৃথিবীর যা কিছু হারিয়ে যায়, অন্য কোন রূপে সেটি ঠিকই আবার ফিরে আসে জীবনে।
-Rumi
৮. জীবনে অনেক বিষয় আছে যেগুলো তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং সেগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোরও মানে হয়না, কারণ এর বাইরেও তোমার হাতে হাজার হাজার জিনিস রয়েছে যেগুলো তুমি বিজয় করতে পারো!
-Roy T. Bennett
৯. জীবন মানে নিরন্তর ছুটে চলা.. পদে পদে বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতায় রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত হওয়া, সে ক্ষত মুছে আবার প্রবল আগ্রাসে ঝাঁপিয়ে পড়া.. সংগ্রাম এবং সাফল্য – এই তো জীবন!
-Roy T. Bennett
১০. জীবনটাকে নতুন করে আবিষ্কার করার জন্য কখনো কখনো সব ছেড়েছুড়ে হারিয়ে যেতে হয়!
-Erol Ozan
১১. সহজে জেতার আনন্দ কোথায়? বাধা যত বিশাল, বিজয়ের আনন্দও ততোই বাঁধভাঙ্গা!
-Pele
১২. ভয় পাওয়ায় দোষের কিছু নেই। কিন্তু ভয় পেয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, তোমাকে উঠে দাঁড়াতে হবে, ফাইট দিতে হবে, হেরে গেলে আবার নতুন উদ্যমে সব শুরু করার উদ্যম থাকতে হবে।
-Anonymous
১৩. অন্যের ভালো দিকগুলো খুঁজতে গেলেই নিজের সেরাটা বের করে আনা যায়।
-William Arthur Ward
১৪. অভিজ্ঞতা- এই জিনিসটি কেউ কাউকে শেখাতে পারে না। তোমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষটি পরামর্শ দিতে পারেন, কিন্তু যতক্ষণ না নিজে অভিজ্ঞতাটি অর্জন করছো বিষয়টি তুমি সত্যিকার উপলব্ধি করতে পারবে না।
-Anonymous
১৫. লক্ষ্যের পেছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেও যখন ব্যর্থতার তিক্ত স্বাদ পেতে হয়- তাতে দুঃখের কিছু নেই। এই কঠোর পরিশ্রমের ভেতর দিয়ে তুমি হয়ে উঠেছ আরো শক্তিশালী, আরো অভিজ্ঞ, আরো দক্ষ- এটাই তো সত্যিকারের বিজয়!
-Anonymous
১৬. তুমি ভুল করছো এতে লজ্জার কিছু নেই। বারবার ভুল করা একটি জিনিসই প্রমাণ করে- তুমি হাল ছাড়োনি, তুমি চেষ্টা করে চলেছ।
-Anonymous
১৭. জীবনে আমি হাজার হাজার ভুল করেছি, হাজারবার হোঁচট খেয়েছি- এবং সেটি নিয়ে আমি গর্বিত! প্রত্যেকটি ভুল, প্রত্যেকবার হোঁচট খাওয়া আমাকে গড়ে তুলেছে আরো শক্তিশালী, আরো পরিণত করে।
-Drew Barrymore
১৮. প্রত্যেকটি জিনিসেরই একদম নিজস্ব একটি সৌন্দর্য আছে। তুমি কি সেটি অনুভব করতে জানো?
-Confucius
১৯. এই ঝলমলে রোদ যতদিন হাসবে, এই পাখির কলকাকলি, এই গাছের পাতায় হাওয়ার দোলায় ঝিরঝির শব্দ যতদিন আমি শুনবো, ভোরের খোলা হাওয়ায় বুকভরে শ্বাস নিতে পারবো- কি করে আমি জীবনকে ভালবেসে না থাকতে পারি?
-Anne Frank
২০. আমরা অনেকসময় ভুলে যাই একটু আন্তরিকতার ছোঁয়া, একটা প্রাঞ্জল হাসি, কিছু সুন্দর কথা, সুন্দর ব্যবহারের কী অসম্ভব ক্ষমতা রয়েছে একটা মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার!
-Anonymous
২০ টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-১] ২০ টি মোটিভেশনাল উক্তি [পর্ব-১] Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১০:১০ PM Rating: 5

শ্রেষ্ঠ উক্তি সমূহ

অপেক্ষা হলো শুদ্ধতম ভালোবাসার একটি চিহ্ন। সবাই ভালোবাসি বলতে পারে। কিন্তু সবাই অপেক্ষা করে সেই ভালোবাসা প্রমাণ করতে পারে না।
- হুমায়ূন আহমেদ
ভালোবাসা দিবস
ভালোবাসা অপেক্ষা
 
যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
কাজকর্ম জীবন
 
জীবনে কিছু কিছু প্রশ্ন থাকে যার উত্তর কখনও মিলেনা, কিছু কিছু ভুল থাকে যা শোধরানো যায়না, আর কিছু কিছু কষ্ট থাকে যা কাউকে বলা যায়না
- হুমায়ূন আহমেদ
অনুভুতি ভুল কষ্ট
 
সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, তোমাকে শুধু এমন একজন কে খুঁজে নিতে হবে যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে
- হুমায়ূন আহমেদ
তুমি প্রেম অনুভব
অনুভুতি প্রেমপত্র
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি
দর্শন উপদেশ প্রেমিক
দুঃখ মায়া
ভালোবাসা ভালোবাসি
প্রেরণা
 
তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন
- কাজী নজরুল ইসলাম
প্রেম ভালোবাসা
 
স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরনের প্রত্যাশা, মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
স্বপ্ন অনুপ্রেরণা
 
আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময়ই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়
- উইলিয়াম শেক্সপিয়র
প্রত্যাশা দুঃখ লোভ
সুখ
 
নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মোহ
 
একটি বই একশটি বন্ধুর সমান.. কিন্তু একজন ভালো বন্ধু পুরো একটি লাইব্রেরির সমান
- এ পি জে আব্দুল কালাম
লাইব্রেরি বন্ধু
 
কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও? তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রাখো। কারণ প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না
- উইলিয়াম শেক্সপিয়র
বন্ধুত্ব প্রেম
 
এমনভাবে অধ্যায়ন করবে, যেন তোমার সময়াভাব নেই, তুমি চিরজীবী। এমনভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করবে, যেন মনে হয় তুমি আগামীকালই মারা যাবে।
- মহাত্মা গান্ধী
দর্শন উপদেশ
 
কিছু কিছু মানুষ সত্যি খুব অসহায়। তাদের ভালোলাগা মন্দলাগা, ব্যথা বেদনা গুলো বলার মত কেউ থাকে না। তাদের কিছু অবাক্ত কথা মনের গভীরেই রয়ে যায়, আর কিছু কিছু স্মৃতি - এক সময় পরিনত হয় দীর্ঘশ্বাসে।
- হুমায়ূন আহমেদ
মন জীবন
 
বোকা মানুষ গুলো হয়তো অন্যকে বিরক্ত করতে জানে। কিন্তু কখনও কাউকে ঠকাতে জানে না।
- হুমায়ূন আহমেদ
কষ্ট
 
পৃথিবীতে অনেক ধরনের অত্যাচার আছে। ভালবাসার অত্যাচার হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ানক অত্যাচার। এ অত্যাচারের বিরুদ্ধে কখনো কিছু বলা যায় না, শুধু সহ্য করে নিতে হয়।
- হুমায়ূন আহমেদ
তুমি ভাষা প্রেমপত্র
অনুভুতি অনুভব
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি
প্রেমিক প্রেম
ভালোবাসা ভালোবাসি
প্রেরণা
 
বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রেমপত্র অনুভুতি
প্রেতাত্মা আশা
অনুভব ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি মন
জীবন প্রেমিক আনন্দ
প্রেম ভালোবাসা
ভালোবাসি প্রেরণা
 
সব মানুষের জীবনেই অপূর্ণতা থাকবে। অতি পরিপূর্ণ যে মানুষ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে ও অতি দুঃখের সঙ্গে তার অপূর্ণতার কথা বলবে। অপূর্ণতা থাকে না শুধু বড় বড় সাধক ও মহা পুরুষদের।
- হুমায়ূন আহমেদ
মন জীবন
 
সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বাঙালি
 
ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
অনুপ্রেরণা তারুণ্য
 
যত্ন করে কাঁদানোর জন্য খুব আপন মানুষগুলোই যথেষ্ট!
- হুমায়ূন আহমেদ
দুঃখ কষ্ট
 
আমার জিবনের অভিজ্ঞতায় উপলব্ধি করতে পেরেছি যে একমাত্র সততা ও ভালোবাসা দ্বারা পৃথিবীকে জয় করা যায়
- মহাত্মা গান্ধী
সততা
 
যারা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারা কখনও অন্যের দুঃখ কষ্টকে উপলদ্ধি করতে পারেনা
- রেদোয়ান মাসুদ
স্বার্থপরতা দুঃখ কষ্ট
 
দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।
- হুমায়ূন আজাদ
প্রেম ভালোবাসা দিবস
 
যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
জাতি সমাজ দুর্নীতি
 
আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উপদেশ
 
প্রেমের মধ্যে ভয় না থাকলে রস নিবিড় হয় না
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রেম
 
মর্যাদা ধরে রাখুন, কারন এই মর্যাদা এক সময় আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়
- মহাত্মা গান্ধী
লক্ষ্য মর্যাদা
 
মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়
- মুনীর চৌধুরী
মানুষ দর্শন জীবন
 
আমি যার শিয়রে রোদ্দুর এনে দেবো বলে কথা দিয়েছিলাম সে আঁধার ভালোবেসে রাত্রি হয়েছে । এখন তার কৃষ্ণ পক্ষে ইচ্ছের মেঘ জোনাকির আলোতে স্নান করে, অথচ আমি তাকে তাজা রোদ্দুর দিতে চেয়েছিলাম
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
অনুভব অনুভুতি
প্রেমপত্র
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা প্রেমিক
প্রেম ভালোবাসা
ভালোবাসি রাত
প্রেরণা
 
মন দিয়ে মন বোঝা যায়, গভীর বিশ্বাস শুধু নীরব প্রাণের কথা টেনে নিয়ে আসে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মন জীবন
 
তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দিবো
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
জাতি নারী মা
শিক্ষা
 
বাস্তবতা নিছক একটি বিভ্রম, যদিও এটি খুব স্থায়ী
- অ্যালবার্ট আইনস্টাইন
মন জীবন
 
হাসি সবসময় সুখের কারণ বুঝায় না মাঝে মাঝে এটা ও বুঝায় যে আপনি কতটা বেদনা লুকাতে পারেন
- হুমায়ূন আহমেদ
দুঃখ হাসি
 
ক্ষমাই যদি করতে না পারো, তবে তাকে ভালোবাসো কেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক্ষমা প্রেম
ভালোবাসা
 
ভালো মানুষের রাগ থাকে বেশি। যারা মিচকা শয়তান তারা রাগে না। পাছায় লাথি মারলেও লাথি খেয়ে হাসবে।
- হুমায়ূন আহমেদ
সমাজ
 
সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
উপদেশ
 
জীবন ছোট বলেই মহান
- ডিজরেইলি
মন জীবন
 
কাউকে প্রচন্ডভাবে ভালবাসার মধ্যে এক ধরনের দুর্বলতা আছে। নিজেকে তখন তুচ্ছ এবং সামান্য মনে হয়। এই ব্যাপারটা নিজেকে ছোট করে দেয়।
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রেম তুমি মোহ
প্রণয় অনুভব অনুভুতি
প্রেমপত্র
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি মন
উপদেশ প্রেমিক
মায়া ভালোবাসা
ভালোবাসি প্রেরণা
 
যখন তোমার পকেট ভর্তি টাকা থাকবে তখন শুধুমাত্র তুমি ভুলে যাবে যে 'তুমি কে'; কিন্তু যখন তোমার পকেট ফাঁকা থাকবে তখন সমগ্র দুনিয়া ভুলে যাবে 'তুমি কে'!
- বিল গেটস
অর্থ দুনিয়া
 
পা দুটো বেইমানি করলেও ঘাড়ের রগ বাঁকা করে চ্যালেঞ্জ করবো নিজেকেই। শুধু একটা বল করতে চাই বাংলাদেশের হয়ে
- মাশরাফি বিন মর্তুজা
ক্রিকেট অনুপ্রেরণা
প্রেরণা
 
এতোটা নিশব্দে জেগে থাকা যায় না, তবু জেগে আছি.... আরো কতো শব্দহীন হাঁটবে তুমি, আরো কতো নিভৃত চরনে আমি কি কিছুই শুনবো না- আমি কি কিছুই জানবো না!
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
দুঃখ কষ্ট
 
যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার দখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতি
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
প্রেম ভালোবাসা
 
কিছু কিছু পুরুষ আছে যারা রূপবতী তরুণীদের অগ্রাহ্য করে একধরনের আনন্দ পায়। সচরাচর এরা নিঃসঙ্গ ধরনের পুরুষ হয়, এবং নারী সঙ্গের জন্যে তীব্র বাসনা বুকে পুষে রাখে।
- হুমায়ূন আহমেদ
মন জীবন
 
পরিচ্ছন্ন বই পড়া ভাল, কিন্তু মহান সেহিত্যের পঠিত বিষয় জীবনে বুনন করা উত্তম
- মহাত্মা গান্ধী
সাহিত্য জীবন
 
দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করুন, কারন আমাদের প্রতিজ্ঞা এক সময় আচরনে পরিণত হয়
- মহাত্মা গান্ধী
আচরন প্রতিজ্ঞা
 
আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ, নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ, আমাকে গ্রহণ করো। উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান, আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ। আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে?
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
বেদনা প্রেম
অভিমান
 
যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
কাজকর্ম সাফল্য
 
মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়
- হুমায়ূন আহমেদ
পরিবার মন জীবন
 
মানুষের কষ্ট দেখাও কষ্টের কাজ
- হুমায়ূন আহমেদ
দুঃখ দর্শন কষ্ট
 
যে নারীকে ঘুমন্ত অবস্থায় সুন্দর দেখায় সেই প্রকৃত রূপবতী
- হুমায়ূন আহমেদ
নারী প্রেম
 
যে মানুষটিকে তুমি দেখছো তাকেই যদি ভালো না বাসতে পারো, তবে তুমি কিভাবে ঈশ্বরকে ভালোবাসবে যাকে তুমি কোনদিন দেখোই নি?
- হুমায়ূন আহমেদ
দর্শন প্রেম ধর্ম
ঈশ্বরপ্রেম
 
একা থাকার এই ভালো লাগায় হারিয়ে গিয়েছি, নিঃসঙ্গতা আমাকে আর পাবে না
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
একাকিত্ব
 
প্রত্যেকের বুকের নিভৃতে কিছু দগ্ধ ক্ষত থাকে লুকানো, কিছু অসম্পূর্ণ নির্মাণ, ভাংগাচোরা গেরস্হালি ঘরদোর, প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু নিদ্রাহীন রাত্রি থাকে যাকে চিরদিন নষ্ট নোখের মতো রেখে দিতে হয় কোমল অনিচ্ছার বাগানে যাকে শুধু লুকিয়ে রাখাতেই সুখ, নিজের নিভৃতে রেখে গোপনে পোড়াতেই একান্ত পাওয়া
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
একাকিত্ব বেদনা
দুঃখ হৃদয় কষ্ট
 
ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি।
- হুমায়ূন আহমেদ
নারী প্রেম
 
আমরা সবাই পাপী; আপন পাপের বাটখারা দিয়ে; অন্যের পাপ মাপি !!
- কাজী নজরুল ইসলাম
পাপ দর্শন মানুষ
অনুভুতি অনুভব উপদেশ
ভুল ভাবাদর্শ আচরন
পৃথিবী জীবন অনুভূতি
আদেশ ভয়
 
পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয় - মানসিক কষ্ট।
- হুমায়ূন আহমেদ
মন জীবন
 
নিজের অজ্ঞতা সম্বন্ধে অজ্ঞানতার মতো অজ্ঞান আর তো কিছু নাই
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অজ্ঞতা
 
যুদ্ধ এবং প্রেমে কোনো কিছু পরিকল্পনা মতো হয় না
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রেম
 
ভাল অভ্যাস করুন, কারন আমাদের অভ্যাস এক সময় মর্যাদায় পরিণত হয়
- মহাত্মা গান্ধী
মর্যাদা অভ্যাস
 
আমাদিগকে বড়বড় কাজ করিতে হইবে, অদ্ভুত শক্তির বিকাশ দেখাইতে হইবে, অপর জাতিকে অনেক বিষয় শিখাইতে হইবে। দর্শন ধর্ম বা নীতিবিজ্ঞানই বলুন অথবা মধুরতা কোমলতা বা মানবজাতির প্রতি অকপট প্রীতিরূপ সদ্গুনরাজিই বলুন, আমাদের মাতৃভূমি এ-সব কিছুরই প্রসূতি। এখনও ভারতে এইগুলি বিদ্যমান আছে আর পৃথিবী সম্বন্ধে যতটুকু অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াছি, তাহাতে আমি এখন দৃঢ়ভাবে সাহসের সহিত বলিতে পারি, এখনও ভারত এই সকল বিষয়ে পৃথিবীর অন্যান্য জাতি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এই আশ্চর্য ব্যাপারটি লক্ষ্য করিয়া দেখুন।
- স্বামী বিবেকানন্দ
ভারত দর্শন ধর্ম
পৃথিবী
 
চিন্তার প্রতিফলন ঘটে স্বভাব বা প্রকৃতিতে। যদি কেউ মন্দ অভিপ্রায় নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে দুঃখ তাকে অনুগমন করে। আর কেউ যদি সুচিন্তা নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে সুখ তাকে ছায়ার মত অনুসরন করে।
- গৌতম বুদ্ধ
সুখ দুঃখ চিন্তা
 
সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কেউ মিথ্যা বলতে পারে না। মিথ্যা বলতে হয় অন্যদিকে তাকিয়ে!
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রভেদ তুমি মিথ্যা
প্রণয় অনুভুতি অনুভব
চোখ আচরন আত্মজয়ী
উপদেশ অনুভূতি
আত্মশুদ্ধি মায়া
আকাঙ্ক্ষা
 
অধিকাংশ রূপসীর হাসির শোভা মাংসপেশির কৃতিত্ব, হৃদয়ের কৃতিত্ব নয়
- হুমায়ূন আজাদ
নারী প্রেম
 
অতীতকাল যত বড় কালই হ'ক নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত। মনে থাকা উচিত তার মধ্যে জয় করবার শক্তি আছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অতীত
 
ভালোবাসা ও ঘৃনা দুটাই মানুষের চোখে লিখা থাকে!!
- হুমায়ূন আহমেদ
ঘৃনা
 
আমাদের জাতের কোনও ভরসা নাই। কোনও একটা স্বাধীন চিন্তা কাহারও মাথায় আসে না - সেই ছেঁড়া কাঁথা, সকলে পড়ে টানাটানি...
- স্বামী বিবেকানন্দ
জাতি চিন্তা
 
ভালবাসার কোন অর্থ বা পরিমাণ নেই
- কাজী নজরুল ইসলাম
প্রেম ভালোবাসা
 
মা হল পৃথিবীর একমাত্র ব্যাংক, যেখানে আমরা আমাদের সব দুঃখ, কষ্ট জমা রাখি এবং বিনিময়ে নেই বিনাসূদে অকৃত্রিম ভালোবাসা
- হুমায়ূন আহমেদ
মা ভালোবাসা
 
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী ‘পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে
- কামিনী রায়
দর্শন মানবতা জীবন
 
আমি একা এই ব্রহ্মান্ডের ভেতর একটি বিন্দুর মতো আমি একা
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
একাকিত্ব দুঃখ কষ্ট
 
দুঃসময়ে কোনো অপমান গায়ে মাখতে হয় না
- হুমায়ূন আহমেদ
উপদেশ
 
মানব জাতির স্বভাব হচ্ছে সে সত্যের চেয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিরাপদ মনে করা
- হুমায়ূন আহমেদ
দর্শন সমাজ
 
চিরসুখীজন ভ্রমে কি কখন ব্যথিতবেদন বুঝিতে পারে। কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
সুখ দুঃখ
 
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের’পর হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
- জীবনানন্দ দাশ
প্রেম ভালোবাসা
 
যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না
- মাদার তেরেসা
বন্ধুত্ব মানুষ
ভালোবাসা
 
পাচটি ঘটনার পূর্বে পাচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দরিদ্রতার পূবে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পুর্বে জীবনকে
- আল হাদিস
মন জীবন
 
সংসারে কারো ওপর ভরসা করো না, নিজের হাত এবং পায়ের ওপর ভরসা করতে শেখো
- উইলিয়াম শেক্সপিয়র
মন জীবন
 
সমুদ্রের জীবনে যেমন জোয়ার-ভাটা আছে, মানুষের জীবনেও আছে। মানুষের সঙ্গে এই জায়গাতেই সমুদ্রের মিল।
- হুমায়ূন আহমেদ
মন জীবন
 
যখন একা থাকার অভ্যাস হয়ে যায় ঠিক তখনি সৃষ্টিকর্তা কিছু মানুষের সন্ধান দেন। যখন তাদেরকে নিয়ে ভালো থাকার অভ্যাস হয়ে যায়, ঠিক তখনি আবার একা হয়ে যেতে হয়
- জর্জ বার্নার্ড শ
একাকিত্ব পরিণয়
শিক্ষা মানুষ মন
উপদেশ জ্ঞান
পরিবার
 
আমার ধর্ম কোন ভোগোলিক সীমার মধ্যে আবদ্ধ নেই। আমার ধর্মের ভিত্তি হল ভালবাসা এবং অহিংসা।
- মহাত্মা গান্ধী
অহিংসা ভালোবাসা
ধর্ম
 
একজন বিবাহিত মেয়ে কোন দিনই কুমারী জীবনে ফিরে যেতে পারে না। কিন্ত কাছাকাছি হয়ত যাওয়া যায়। চেস্টা করলেই যাওয়া যায়।
- হুমায়ূন আহমেদ
নারী
 
তোর সব দুঃখগুলো,তোর সব বিষন্নতাগুলো বুকে নিয়ে একা একা ফিরে যাবো উদাসিন পাখি। এই চোখ,এই স্মৃতি,এই ত্বক,মাংস,হাড় ব্যথার আগুনে পুড়ে ছাই হবে,ভষ্ম হবে- তবু তোর পরাজিত স্বপ্নে আমি কোনদিন আসবো না আর। কোনদিন আসবো না আর আমি এই বিষন্ন পৃথিবী নিয়ে একা একা ফিরে যাবো গভীর নেশায় কোনদিন আসবো না আর,কোনদিন আসবো না আর.
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ভাষা প্রেমপত্র
অনুভুতি অনুভব
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা দুনিয়া
অনুভূতি প্রেমিক দুঃখ
প্রেম ভালোবাসা
ভালোবাসি প্রেরণা
 
সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকেনা - তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রেম তুমি প্রণয়
অনুভব অনুভুতি
প্রেমপত্র
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি
উপদেশ প্রেমিক
মায়া ভালোবাসা
ভালোবাসি প্রেরণা
 
এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না, যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে
- অ্যালবার্ট আইনস্টাইন
কাজকর্ম
 
আমার ভালো বন্ধুদের কথা মনে করে আমি যতোটা সুখী হতে পারি, অন্য কোনোভাবে ততোটা সুখী হতে পারি না
- উইলিয়াম শেক্সপিয়র
বন্ধুত্ব বন্ধু
 
মাঝে মাঝে আত্মার সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ককেও অতিক্রম করে যায়!
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রেম ভালোবাসা
 
আপানার ভাল কেবল পরের ভালয় হয়, আপনার মুক্তি এবং ভক্তিও পরের মুক্তি ও ভক্তিতে হয় - তাইতে লেগে যাও, মেতে যাও, উন্মাদ হয়ে যাও। ঠাকুর যেমন তোমাদের ভালোবাসতেন, আমি যেমন তোমাদের ভালোবাসি, তোমারা তেমনি জগৎকে ভালোবাস দেখি।
- স্বামী বিবেকানন্দ
মুক্তি ভালোবাসা
 
একটি স্থাপত্যকর্ম সম্পর্কেই আমার কোনো আপত্তি নেই, তার কোনো সংস্কারও আমি অনুমোদন করি না। স্থাপত্যকর্মটি হচ্ছে নারীদেহ।
- হুমায়ূন আজাদ
প্রেম সমাজ
 
গভীর প্রেম মানুষকে পুতুল বানিয় দেয়। প্রেমিক প্রেমিকার হাতের পুতুল হন কিংবা প্রেমিকা হয় প্রেমিকের পুতুল। দুজন এক সঙ্গে কখনো পুতুল হয় না। কে পুতুল হবে আর কে হবে সূত্রধর তা নির্ভর করে মানসিক ক্ষমতার উপর। মানসিক ক্ষমতা যার বেশী তার হাতেই পুতুলের সুতা।
- হুমায়ূন আহমেদ
প্রেম ভালোবাসা
 
গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধু তেমনি একটি বিশেষ জাতের মানুষ
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বন্ধুত্ব বন্ধু
 
প্রেম হল ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন
- কাজী নজরুল ইসলাম
তুমি প্রেম অনুভব
অনুভুতি প্রেমপত্র
ভালোবাসা দিবস
প্রেমিকা অনুভূতি
প্রেমিক মায়া
ভালোবাসা ভালোবাসি
প্রেরণা
 
নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না
- কাজী নজরুল ইসলাম
দর্শন
 
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
উপদেশ
 
চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয় চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে আমার না-থাকা জুড়ে
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
একাকিত্ব তুমি
প্রেমিকা দুঃখ প্রেম
ভালোবাসা ভালোবাসি
রাত কষ্ট
 
আমি এমনভাবে পা ফেলি যেন মাটির বুকেও আঘাত না লাগে। আমার তো কারুকে দুঃখ দেবার কথা নয়
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
দুঃখ কষ্ট
 
আপনি যদি গরীব হয়ে জন্ম নেন তাহলে এটা আপনার দোষ নয়, কিন্তু যদি গরীব থেকেই মারা যান তবে সেটা আপনার দোষ।
- বিল গেটস
অনুপ্রেরণা
 
সুন্দর মনের থেকে সুন্দর শরীর অনেক আকর্ষনীয়। কিন্তু ভন্ডরা বলেন উলটো কথা
- হুমায়ূন আজাদ
প্রেম
 
যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চায় যে সব ঠিক হয়ে যাক । কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়। আর অনেকদিন পরে সে আগের চেয়েও অনেকবেশী খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারো অবহেলায় সত্যিই কিছু আসে যায় না।
- হুমায়ূন আহমেদ
অবহেলা ভালোবাসা
জীবন
 
জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।
- এ পি জে আব্দুল কালাম
দর্শন জীবন
 
জীবন ও মৃত্যু একটা ব্যাপারেরই বিভিন্ন নাম মাত্র। একই টাকার এপিঠ ওপিঠ। উভয়েই মায়া। এ অবস্থাটাকে পরিস্কার করে বোঝাবার জো নেই। একসময় বাঁচাবার চেষ্টা হচ্ছে আবার পর মুহর্তেই বিনাশা বা মৃত্যু চেষ্টা।
- স্বামী বিবেকানন্দ
মন জীবন
 
তরুণী মেয়েদের হঠাৎ আসা আবেগ হঠাৎ চলে যায়। আবেগকে বাতাস না দিলেই হলো। আবেগ বায়বীয় ব্যাপার, বাতাস পেলেই তা বাড়ে। অন্য কিছুতে বাড়ে না।
- হুমায়ূন আহমেদ
নারী
 
শ্রেষ্ঠ উক্তি সমূহ শ্রেষ্ঠ উক্তি সমূহ Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:৩৭ AM Rating: 5

কার্ল মার্কস এর ৫ উক্তি


‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ 

১. অর্থ হলো পুঁজিপতি দের হাতে
শ্রমিক শোষণের হাতিয়ার।
২. মানব সমাজের ইতিহাস শ্রেণি
সংগ্রামের ইতিহাস।
৩. দুনিয়ার শ্রমিক মজুর এক হও।
৪. উৎপাদন পদ্ধতি সংস্কৃতিকে
নির্ধারণ করে।
৫. শ্রেণিহীন সমাজ হলো সমাজ
ব্যবস্থার শেষ পর্যায়।

কার্ল মার্কস এর ৫ উক্তি কার্ল মার্কস এর ৫ উক্তি Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:২৯ AM Rating: 5

হুমায়ুন আজাদ এর উক্তি সমগ্র



১ ) শ্রদ্ধা হচ্ছে শক্তিমান কারো সাহায্যে স্বার্থোদ্ধারের বিনিময়ে পরিশোধিত পারিশ্রমিক।
২) পরমাত্মীয়ের মৃত্যুর শোকের মধ্যেও মানুষ কিছুটা সুখ বোধ করে যে সে নিজে বেঁচে আছে।
৩)মহামতি সলোমনের নাকি তিন শো পত্নী, আর সাত হাজার উপপত্নী ছিলো। আমার মাত্র একটি পত্নী। তবু সলোমনের চরিত্র সম্পর্কে
কারো কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু আমার চরিত্র নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
৪) বাঙালি মুসলমানের এক গোত্র মনে করে নজরুলই পৃথিবীর একমাত্র ও শেষ কবি। আদের আর কোনো কবির দরকার নেই।
৫)অধিকাংশ রূপসীর হাসির শোভা মাংসপেশির কৃতিত্ব, হৃদয়ের কৃতিত্ব নয়।
৬) আগে কাননবালারা আসতো পতিতালয় থেকে, এখন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
৭) পাকিস্তানিদের আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও।
৮) আবর্জনাকে রবীন্দ্রনাথ প্রশংসা করলেও আবর্জনাই থাকে।
৯) নিজের নিকৃষ্ট কালে চিরশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গ পাওয়ার জন্যে রয়েছে বই; আর সমকালের নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গ পাওয়ার জন্যে রয়েছে টেলিভিশন ও সংবাদপত্র।
১০) প্রাক্তন বিদ্রোহীদের কবরে যখন স্মৃতিসৌধ মাথা তোলে, নতুন বিদ্রোহীরা তখন কারাগারে ঢোকে, ফাসিঁকাঠে ঝোলে।
১১)একনায়কেরা এখন গণতন্ত্রের স্তব করে, পুজিঁপতিরা ব্যস্ত থাকে সমাজতন্ত্রের প্রশংসায়।
১২) বেতন বাঙলাদেশে এক রাষ্ট্রীয় প্রতারণা। এক মাস খাটিয়ে এখানে পাঁচ দিনের পারিশ্রমিক দেয়া হয়।
১৩) পুরস্কার অনেকটা প্রেমের মতো; দু-একবার পাওয়া খুবই দরকার, এর বেশি পাওয়া লাম্পট্য।
১৪) এক-বইয়ের-পাঠক সম্পর্কে সাবধান।
১৫) কবিরা বাঙলায় বস্তিতে থাকে, সিনেমার সুদর্শন গর্দভেরা থাকে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত প্রাসাদে।
১৬ ) মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, তবে বাঙালির ওপর বিশ্বাস রাখা বিপজ্জনক।
১৭) বুদ্ধিজীবীরা এখন বিভক্ত তিন গোত্রে। ভণ্ড, ভণ্ডতর, ভণ্ডতম।
১৮) আমি এতো শক্তিমান আগে জানা ছিলো না। আজকাল মিত্র নয়, শত্রুদের সংখ্যা দেখে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই।
১৯) জন্মাতরবাদ ভারতীয় উপমহাদেশের অবধারিত দর্শন। এ- অঞ্চলে এক জন্মে পরীক্ষা দিতে হয়, আরেক জন্মে ফল বেরোয়, দু-জন্ম বেকার থাকতে হয়, এবং ভাগ্য প্রসন্ন হ’লে কোন এক জন্মে চাকুরি মিলতেও পারে।
২০) রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার দরকার ছিলো না, কিন্তু দরকার ছিলো বাঙলা সাহিত্যের। পুরস্কার না পেলে হিন্দুরা বুঝতো না যে রবীন্দ্রনাথ বড়ো কবি; আর মুসলমানেরা রহিম, করিমকে দাবি করতো বাঙলার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে।
২১) এরশাদের প্রধান অপরাধ পরিবেশদূষণ : অন্যান্য সরকারগুলো পুরুষদের দূষিত করেছে, এরশাদ দূষিত করেছে নারীদেরও।
২২) বাঙালি একশো ভাগ সৎ হবে, এমন আশা করা অন্যায়। পঞ্চাশ ভাগ সৎ হ’লেই বাঙালিকে পুরস্কার দেয়া উচিত।
২৩) তৃতীয় বিশ্বের নেতা হওয়ার জন্যে দুটি জিনিশ দরকার : বন্দুক ও কবর।
২৪) এদেশের মুসলমান এক সময় মুসলমান বাঙালি, তারপর বাঙালি মুসলামান, তারপর বাঙালি হয়েছিলো; এখন আবার তারা বাঙালি থেকে বাঙালি মুসলমান, বাঙালি মুসলমান থেকে মুসলমান বাঙালি, এবং মুসলমান বাঙালি থেকে মুসলমান হচ্ছে। পৌত্রের ঔরষে
জন্ম নিচ্ছে পিতামহ।
২৫) প্রতিটি সার্থক প্রেমের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রেমিকাকে পায় নি, প্রতিটি ব্যর্থ প্রেমের কবিতা বোঝায় যে কবি প্রেমিকাকে বিয়ে করেছে।
২৬) বিলেতের কবিগুরু বলেছিলেন যারা সঙ্গীত ভালোবাসে না, তারা খুন করতে পারে; কিন্তু আজকাল হাইফাই শোনার সাথেসাথে এক ছুরিকায় কয়েকটি-গীতিকার, সুরকার, গায়ক/গায়িকাকে খুন করতে ইচ্ছে হয়।
২৭) মূর্তি ভাঙতে লাগে মেরুদণ্ড, মূর্তিপূজা করতে লাগে মেরুদণ্ডহীনতা।
২৮) স্তবস্তুতি মানুষকে নষ্ট করে। একটি শিশুকে বেশি স্তুতি করুন, সে কয়েকদিনে পাক্কা শয়তান হয়ে উঠবে। একটি নেতাকে স্তুতি করুন, কয়েকদিনের মধ্যে দেশকে সে একটি একনায়ক উপহার দেবে।
২৯) ধনীরা যে মানুষ হয় না, তার কারণ ওরা কখনো নিজের অন্তরে যায় না। দুঃখ পেলে ওরা ব্যাংকক যায়, আনন্দেওরা আমেরিকা যায়। কখনো ওরা নিজের অন্তরে যেতে পারে না, কেননা অন্তরে কোনো বিমান যায় না।
৩০) আগে প্রতিভাবানেরা বিদেশ যেতো; এখন প্রতিভাহীনেরা নিয়মিত বিদেশ যায়।
৩১) বিশ্বের নারী নেতারা নারীদের প্রতিনিধি নয় ; তারা সবাই রুগ্ন পিতৃতন্ত্রের প্রিয় সেবাদাসী।
৩২) কোন বাঙালি আজ পর্যন্ত আত্মজীবনী লেখে নি, কেননা আত্মজীবনী লেখার জন্যে দরকার সততা। বাঙালির আত্মজীবনী হচ্ছে শয়তানের লেখা ফেরেশতার আত্মজীবনী ।
৩৩) কারো প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রাখার উপায় হচ্ছে তার সাথে কখনো সাক্ষাৎ না করা।
৩৪নজরুলসাহিত্যের আলোচকেরা সমালোচক নন, তাঁরা নজরুলের মাজারের খাদেম।
৩৫) সক্রেটিস বলেছেন তিনি দশ সহস্র গর্দভ দ্বারা পরিবৃত। এখন থাকলে তিনি ওই সংখ্যার ডানে কটি শূন্য যোগ করতেন?
৩৬) সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য ব’লে মনে হয়।
৩৭) রবীন্দ্রনাথ এখন বাঙলাদেশের মাটিথেকে নির্বাসিত, তবে আকাশটা তাঁর। বাঙলার আকাশের নাম রবীন্দ্রনাথ।
৩৮) গণশৌচাগার দেখলেই কেনোযেনো আমার বাঙালির আত্মাটির কথা বারবার মনে পড়ে।
৩৯) মোল্লারা পবিত্র ধর্মকেই নষ্ট ক’রে ফেলেছে; ওরা হাতে রাষ্ট্র পেলে তাকে জাহান্নাম ক’রে তুলবে ।
৪০) দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম ব'লে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।
৪১) মার্ক্সবাদের কথা শুনলে এখন মোল্লারাও ক্ষেপে না, সমাজতন্ত্রের কথা তারা সন্তোষের সাথেই শোনে; কিন্তুশরীরের কথা শুনলে লম্পটরাও ধর্মযুদ্ধে নামে।
৪২) বাঙলাদেশ অমরদের দেশ। এ-দেশের প্রতি বর্গমিটার মাটির নিচে পাঁচ জন ক’রে অমর ঘুমিয়ে আছেন।
৪৩) বাঙলার প্রতিটি ক্ষমতাধিকারী দল সংখ্যাগরিষ্ঠ দুর্বৃত্তদের সংঘ।
৪৪) একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়।
৪৫ )পৃথিবী জুড়ে সমাজতন্ত্রের সাম্প্রতিক দুরবস্থার সম্ভবত গভীর ফ্রয়েডীয় কারণ রয়েছে। সমাজতন্ত্রের মার্ক্সীয়, লেলিনীয়, স্তালিনীয় আবেদন ছিলো,
কিন্তু যৌনাবেদন ছিলো না।
৪৬) আঠারো তলা টাওয়ারের থেকে শিশিরবিন্দু অনেক উঁচু। চিরকাল শিশিরবিন্দুর পাদদেশে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু অনেক টাওয়ারের চুড়োয় উঠেছি।
৪৭) বিপ্লবীদের বেশি দিন বাঁচা ঠিক নয়। বেশি বাঁচলেই তারা প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে।
৪৮) জীবনের সারকথা কবর।
৪৯) ইতিহাস হচ্ছে বিজয়ীর হাতে লেখা বিজিতের নামে একরাশ কুৎসা।
৫০) এখানে কোনো কিছু সম্পর্কে কিছু লেখাকে মনে করা হয় গভীর শ্রদ্ধার প্রকাশ। গাধা সম্পর্কে আমি একটি বই লিখেছি, অনেকে মনে করেন আমি গাধার প্রতি যারপরনাই শ্রদ্ধাশীল। গরু সম্পর্কে আমি একটি বই লিখেছি, অনেকে মনে করেন গরুর প্রতি আমি প্রকাশ করেছি আমার অশেষ শ্রদ্ধা। নারী সম্পর্কে আমি একটি বই লিখেছি। একটি পার্টটাইম পতিতা, যার তিনবার হাতছানিতেও আমি সাড়া দিই নি, অভিযোগ করেছেন, নারী সম্পর্কে বই লেখার কোনো অধিকার আমার নেই, যেহেতু আমি পতিতাদের শ্রদ্ধা করি না, অর্থাৎ তাদের হাতছানিতে সাড়া দিই না।
৫১) পুরুষতান্ত্রিক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ শহীদের নাম মা।
৫২) অন্যদের কাহিনীর ক্ষীণ সূত্র নিয়ে হ্যামলেট বা ওথেলো বা ম্যাকবেথ লেখা, আর বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী কেটে কেটে, নষ্ট ক'রে, সত্যজিতের পথের পাঁচালী তৈরি করা সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। অন্যের কাহিনীসূত্র নিয়ে হ্যামলেট লেখা মানবপ্রজাতির একজনের বিস্ময়কর প্রতিভার লক্ষণ, আর বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী ছিঁড়ে
সত্যজিতের পথের পাঁচালী তৈরি চিত্রগ্রহণদক্ষতার পরিচায়ক। আরেকটি উৎকৃষ্টতর হ্যামলেট বা ওথেলো বা ম্যাকবেথ, বা মেঘনাদবধ মানুষের ইতিহাসে আর লেখা হবে না; কিন্তু সত্যজিতের পথের পাঁচালীর থেকে উৎকৃষ্ট পথের পাঁচালী হয়তো তৈরি হবে আগামী দশকেই।
৫৩) সত্যজিত যদি ভারতরত্ন হন, তবে বিভূতিভূষণ বিশ্বরত্ন, সভ্যতারত্ন; কিন্তু অসভ্য প্রচারের যুগে মহৎ বিভূতিভূষণকে পৃথিবী কেনো ভারতও চেনে না, চেনে গৌণ সত্যজিৎকে।
৫৪) বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালীর পাশে সত্যজিতের চলচিত্রটি খুবই শোচনীয় বস্তু, ওটি তৈরি না হ’লেও ক্ষতি ছিলো না; কিন্তু বিভূতিভূষণ যদি পথের পাঁচালী না লিখতেন, তাহলে ক্ষতি হতো সভ্যতার।
৫৫ ) শরীরই শ্রেষ্ঠতম সুখের আকর। গোলাপের পাপড়ির ওপর লক্ষ বছর শুয়ে থেকে, মধুরতম দ্রাক্ষার সুরা কোটি বছর পান ক’রে, শ্রেষ্ঠতম সঙ্গীত সহস্র
বছর উপভোগ ক’রে যতোখানি সুখ পাওয়া যায়, তার চেয়ে অর্বুদগুণ বেশি সুখ মেলে কয়েক মুহূর্ত শরীর মন্থন ক’রে।
৫৬) শোনা যায় পুরোনো কালে ঘটতো নানা অলৌকিক ঘটনা, তবে পুরোনো কালের অলৌকিক ঘটনাগুলো বানানো বা ভোজবাজি। প্রকৃত অলৌকিক ঘটনার কাল হচ্ছে বিশশতক। পুরোনো কালের কোনো মোজেজ লাঠিকে সাপ বানাতে, বা সমুদ্রের উপর সড়ক তৈরি করতে পারতেন- ক্ষণিকের জন্যে। ওগুলো নিম্নমানের যাদু। সত্য স্থায়ী অলৌকিকতা সৃষ্টি করতে পেরেছে শুধু বিশশতকের বিজ্ঞান। বিদুৎ, বিমান, টেলিভিশন, কম্পিউটার,
নভোযান, এমনকি সামান্য শেলাইকলটিও অতীতের যে-কোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়ে অনেক বেশি অলৌকিক। বিজ্ঞান অলৌকিকতাকে সত্যে পরিণত করেছে ব’লে গাধাও তাতে বিষ্মিত হয় না, কিন্তু পুরোনো তুচ্ছ অলৌকিকতার কথায় সবাই বিহ্বল হয়ে ওঠে।
৫৭) পুরোনো কালের মানুষ যদি দৈবাৎ একটি টেলিভিশনের সামনে এসে পড়তো, তাহলে তাকে দেবতা মনে ক’রে পুজো করতো। আজো সেই পুজো চলতো।
৫৮) আমার অনুরাগীরা চরম অনুরাগ প্রকাশের সময় খুব আবেগভরে বলেন যে আমার মতো পণ্ডিত ও প্রতিভাবান লোক আর নেই; তাই আমার অনেক কিছুই হওয়া উচিত। যেমন অবিলম্বে আমার হওয়া উচিত কোনো একাডেমির মহাপরিচালক, বা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইত্যাদি।
শুনে আমি তাঁদের ও নিজের জন্যে খুব করুণা বোধ করি। আমি হ'তে চাই মহৎ, আর অনুরাগীরা আমাকে ক'রে তুলতে চান ভৃত্য।
৫৯) আপনি যখন হেঁটে যাচ্ছেন তখন গাড়ি থেকে যদি কেউ খুব আন্তরিকভাবে মিষ্টি হেসে আপনার দিকে হাত নাড়ে, তখন তাকে বন্ধু মনে করবেন না। মনে করবেন সে তার গাড়িটার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ ক'রে আপনাকে কিছুটা পীড়ন ক'রে সুখী হ'তে চায়।
৬০) আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
৬১) একটি ধর্মান্ধের মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় আল্লা অমন লোককে পছন্দ করতে পারে না।
৬২) ঐতিহ্য বলতে এখানে লাশকেই বোঝায়। তবে লাশ জীবনকে কিছুই দিতে পারে না।
৬৩) একটি আমলা আর একটা মন্ত্রীর সাথে পাঁচ মিনিট কাটানোর পর জীবনের প্রতি ঘেন্না ধ’রে গেলো; তারপর একটি চড়ুইয়ের সাথে দু-মুহূর্ত কাটিয়ে জীবনকে আবার ভালবাসলাম ।
৬৪) আমি ঈর্ষা করি শুধু তাদের যারা আজো জন্মে নি।
৬৫)মুসলমানের মুক্তি ঘটে নি, কারণ তারা অতীত ও তাদের মহাপুরুষদের সম্পর্কে কোনো সত্যনিষ্ঠ আলোচনা করতে দেয় না।
৬৬) সতীচ্ছদ আরব পুরুষদের জাতীয় পতাকা।
৬৭) সবচেয়ে হাস্যকর কথা হচ্ছে একদিন আমরা কেউ থাকবো না।
৬৮)ভারতীয় সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের আধুনিক উৎস মোহনচাঁদ করমচাঁদ গান্ধি।
৬৯) মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায় আসে না; যায় আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে ।
৭০) আমার লেখার যে-অংশ পাঠককে তৃপ্তি দেয়, সেটুকু বর্তমানের জন্যে; আর যে-অংশ তাদের ক্ষুব্ধ করে সেটুকু ভবিষ্যতের জন্য ।



*পুরুষ এমন একটি প্রাণী, যার
নিন্দায় সামান্য সত্য
থাকতে পারে; তবে তার স্তব
সুপরিকল্পিত প্রতারণা।
*পুরুষ নারীকে গৃহে বন্দী করেছে,
তাকে সতীত্ব শিখিয়েছে,
সতীত্বকে নারীর জীবনের মুকুট
করে তুলেছে, যদিও লাম্পট্যকেই
করে তুলেছে নিজের গৌরব।
*পুরুষ মনে করে নি যে তার
জীবনের সার্থকতা পুত্র, পিতা,
গৃহস্ত হওয়াতে; বরং এই
ভূমিকাগুলো পেরিয়ে যাওয়াকেই
মনে করেছে পৌরুষ।
*পুরুষ নারীকে দেখে দাসীরূপে,
করে রেখেছে দাসী;
তবে স্বার্থে ও ভয়ে কখনো স্তব
করে দেবীরূপে।
*বিয়ে, স্বামী, সন্তান, গৃহ, সুখ,
প্রেম এসব মধুর বাজে কথা;
এগুলাতে নারী মুক্তি নেই,
এগুলাতেই বন্দী নারী।
*পুরুষ
নারীকে সাজিয়েছে অসংখ্য
কুৎসিত অভিধায়;
তাকে বন্দি করার জন্য
তৈরি করেছে পরিবার, সমাজ,
রাষ্ট্র; উদ্ভাবন করেছে ঈশ্বর, নিয়ে এসেছে প্রেরিত পুরুষ।
*পুরুষের যৌথচেতনার
মহাজাগতিক ভীতির
মতো বিরাজ করে নারী।
* পুরুষ এমন এক
সভ্যতা গড়ে তুলেছে,
যা নারীকে সম্পূর্ণ
বন্দি করতে না পারলেও ধ্বংস
হয়ে যাবে বলে পুরুষের ভয় রয়েছে;
যার নাম পিতৃতান্ত্রিক সভ্যতা।
*পুরুষতন্ত্রে সূর্য পুরুষ,
নারী আঁধার।
*আদি থেকে পুরুষ সব কিছু
তৈরি করেছে নিজের
কাঠামোতে; তার বিধাতা পুরুষ,
তাঁর প্রেরিতদূত পুরুষ, প্রথম
সৃষ্টি পুরুষ; নারী ওই পুরুষের
সংখ্যাতিরিক্ত পুতুল।
*পুরুষের সভ্যত্যায় পুরুষ মুখ্য,
নারী গৌণ; পুরুষ শরীর,
নারী ছায়া; পুরুষ প্রভু,
নারী দাসী; পুরুষ ব্রাহ্মণ,
নারী শূদ্রী।
*বাঙলার সমাজে শয়তানের
চেয়েও নিন্দিত নারী
* বিত্তবান শ্রেণীর
নারী পরগাছার পরগাছা,
বিত্তহীন শ্রেণীর নারী দাসের
দাসী।
* শোষণে সব শ্রেণীর পুরুষই
অভিন্ন; শোষণে মিল
রয়েছে মার্কিন কোটিপতির
সাথে বিকলাঙ্গ
বাঙালি ভিখারির, তারা উভয়েই
পুরুষ, মানবপ্রজাতির রত্ন।
*পুরুষতন্ত্র শুধু বল প্রয়োগ
করে অধীনে রাখতে চায়
নি নারীকে, তাকে স্তবস্তুতিও
পান করিয়েছে।
*পুরুষ উদ্ভাবন
করেছে নারী সম্পর্কে একটি বড়
মিথ্যা,
যাকে সে বলেছে ‘চিরন্তনী নারী’
* পুরুষ নারীকে বলেছে দেবী,
শাশ্বতী, কল্যাণী গৃহলক্ষ্মী,
অর্ধেক কল্পনা; কিন্তু
চেয়েছে চিরন্তনী দাসী হিসাবে।
* বাঙলার নারীরা এখন পশুদের
দাসী।
*বাঙলায় নারীদের শিক্ষার
ধারা নারীকে স্বাধীন
এবং স্বায়ত্তশাসিত করা নয়,তার
লক্ষ্য উন্নতমানের
শয্যাসঙ্গিনী উৎপাদন।
* বাঙলায় নারীদের
পেশা বিবাহ।
* বাঙলায় যারা নারীদের কল্যাণ
চান, তাঁরা মনে করেন নারীর
কল্যাণ শুভবিবাহে, সুখী গৃহে;
স্বামীর একটি মাংসল পুতুল
হওয়াকেই তাঁরা মনে করেন
নারী জীবনের সার্থকতা।
* নারীর জন্যে ক্ষতিকর পুরুষ;
তারা পুরুষতন্ত্রের শিকার,
পুরুষরা নারীকে দাসীরূপে দেখে।
* নারীবাদীরা নারীকে মানুষ
হিসাবে বিবেচনা করে নারীর
অধিকার আদায়ে আন্দোলন করে না, তাঁদের আন্দোলন
হচ্ছে স্বামীতন্ত্রের
কাছে স্ত্রীতন্ত্রের আবেদন-
নিবেদন।
* পুরুষতান্ত্রিক সভ্যতার বয়স
কয়েক সহস্রক; তাই পুরুষতন্ত্র
শাশ্বত সভ্যতার ভবিষ্যৎ,
এটা ভাবার দরকার নেই।
*বাঙলায়
নারীবাদীরা নারী অধিকারের
কথা বলতে ভয় পান, নিজেদের
নারীবাদী বলতে নববধূর মত
লজ্জা বোধ করেন।







হুমায়ুন আজাদ এর উক্তি সমগ্র হুমায়ুন আজাদ এর উক্তি সমগ্র Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:১৮ AM Rating: 5

হুমায়ূন আহমেদ এর উক্তি (১ম পর্ব)


ঈশ্বর যদি কাউকে মারতে চান তাহলে কি তার কোন আয়োজন করার প্রয়োজন আছে ? তাহলে মরতে কিসের ভয় , একবারই তো মরতে হবে ।
----------- হুমায়ূন আহমেদ
চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে...ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে..
-------- হুমায়ূন আহমেদ
ভালবাসাবাসির ব্যাপারটা হাততালির মতো। দুটা হাত লাগে। এক হাতে তালি বাজে না। অর্থাৎ একজনের ভালবাসায় হয় না......
-------- হুমায়ূন আহমেদ
হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলে সে আর আগের মত থাকে না….. কেমন জানি অচেনা অজানা হয়ে যায় । সবই হয়তো ঠিক থাকে কিন্তু কি যেন নাই…… কি যেন নাই……
-------- হুমায়ূন আহমেদ
আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই । কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই । আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি , আবার খুঁজে পাই..
------ হুমায়ূন আহমেদ
"যে স্বপ্ন দেখতে জানে ,সে তা পূর্ণও করতে পারে"
আমরা মনে হয় স্বপ্ন দেখাই ভুলে গেছি...আর যেটুকুই বা দেখি তা নিজেরাই বিশ্বাস করতে চাই না...তাই পূর্ণও করতে পারি না।
-------- হুমায়ূন আহমেদ
নারীদেরকে সৃষ্টিকর্তা পূর্ণতা দিয়েই পাঠিয়েছেন । শুধু পূর্ণতাই না অতিরিক্ত দিয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা ‘অপূর্ণ পুরুষ’ পূর্ণ হতে এই নারীদেরই প্রয়োজন হয়.
------ হুমায়ূন আহমেদ
তুমি দশটি সত্য এর মাঝে একটি মিথ্যা মিশিয়ে দাও…সেই মিথ্যাটিও সত্য হয়ে যাবে…কিন্তু তুমি দশটি মিথ্যার মাঝে একটি সত্য মিশাও… সত্য সত্যই থেকে যাবে….সেটি আর মিথ্যা হবে না…সত্য আসলেই সুন্দর…
-------- হুমায়ূন আহমেদ
নোংরা কথা শুনতে নিষিদ্ধ আনন্দ আছে, কথা যত নোংরা তত মজা।
----------- হুমায়ুন আহমেদ
যাদের জীবনে মজার অংশ কম …তারা অন্যের মজা দেখে আনন্দ পায় …দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মেটানোর মত.
------------ হুমায়ুন আহমেদ
পাখি উড়ে গেলেও পলক
ফেলে যায় আর মানুষ
চলে গেলে ফেলে রেখে যায়
স্মৃতি ।
--------- হুমায়ূন আহমেদ
ঈশ্বর যদি কাউকে মারতে চান তাহলে কি তার কোন আয়োজন করার প্রয়োজন আছে ? তাহলে মরতে কিসের ভয় , একবারই তো মরতে হবে ।
----------- হুমায়ূন আহমেদ
চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে...ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে..
-------- হুমায়ূন আহমেদ
ভালবাসাবাসির ব্যাপারটা হাততালির মতো। দুটা হাত লাগে। এক হাতে তালি বাজে না। অর্থাৎ একজনের ভালবাসায় হয় না......
-------- হুমায়ূন আহমেদ
হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলে সে আর আগের মত থাকে না….. কেমন জানি অচেনা অজানা হয়ে যায় । সবই হয়তো ঠিক থাকে কিন্তু কি যেন নাই…… কি যেন নাই……
-------- হুমায়ূন আহমেদ
আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই । কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই । আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি , আবার খুঁজে পাই..
------ হুমায়ূন আহমেদ
"যে স্বপ্ন দেখতে জানে ,সে তা পূর্ণও করতে পারে"
আমরা মনে হয় স্বপ্ন দেখাই ভুলে গেছি...আর যেটুকুই বা দেখি তা নিজেরাই বিশ্বাস করতে চাই না...তাই পূর্ণও করতে পারি না।
-------- হুমায়ূন আহমেদ
নারীদেরকে সৃষ্টিকর্তা পূর্ণতা দিয়েই পাঠিয়েছেন । শুধু পূর্ণতাই না অতিরিক্ত দিয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা ‘অপূর্ণ পুরুষ’ পূর্ণ হতে এই নারীদেরই প্রয়োজন হয়.
------ হুমায়ূন আহমেদ
তুমি দশটি সত্য এর মাঝে একটি মিথ্যা মিশিয়ে দাও…সেই মিথ্যাটিও সত্য হয়ে যাবে…কিন্তু তুমি দশটি মিথ্যার মাঝে একটি সত্য মিশাও… সত্য সত্যই থেকে যাবে….সেটি আর মিথ্যা হবে না…সত্য আসলেই সুন্দর…
-------- হুমায়ূন আহমেদ
নোংরা কথা শুনতে নিষিদ্ধ আনন্দ আছে, কথা যত নোংরা তত মজা।
----------- হুমায়ুন আহমেদ
যাদের জীবনে মজার অংশ কম …তারা অন্যের মজা দেখে আনন্দ পায় …দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মেটানোর মত.
------------ হুমায়ুন আহমেদ
মৃত্যুর সময় পাশে কেউ থাকবে না,এর চেয়ে ভয়াবহ বোধ হয় আর কিছুই নেই।শেষ বিদা্য় নেয়ার সময় অন্তত কোনো একজন মানুষকে বলে যাওয়া দরকার।নিঃসঙ্গ ঘর থেকে একা একা চলে যাওয়া যা্য় না,যাওয়া উচিত নয়।এটা হৃদ্য়হীন ব্যাপার।
----- হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক সিদ্ধান্তের
ক্ষমতা আছে শুধুই আল্লাহপাকের।
মানুষকে মাঝে মাঝে ভুল
সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রমাণ করতে হয়
যে সে মানুষ।
----- হুমায়ূন আহমেদ
মেয়েদের মন পৃথিবীর সবচেয়ে স্পর্শকর জায়গা। এই মন অনেক
কঠিন বিষয় সহজে মেনে নেয়, আবার অনেক সহজ বিষয়
সহজে মেনে নিতে পারে না।
----- হুমায়ূন আহমেদ
গাধা এক ধরনের আদরের ডাক। অপরিচিত বা অর্ধ-পরিচিতদের
গাধা বলা যাবে না। বললে মেরে তক্তা বানিয়ে দেবে। প্রিয় বন্ধুদেরই
গাধা বলা যায়। এতে প্রিয় বন্ধুরা রাগ করে না বরং খুশি হয়।
----- হুমায়ূন আহমেদ
"মিথ্যা বলা মানে আত্মার ক্ষয়। জন্মের সময় মানুষ বিশাল এক আত্মা নিয়ে পৃথিবীতে আসে। মিথ্যা বলতে যখন শুরু করে তখন আত্মার ক্ষয় হতে থাকে। বৃদ্ধ বয়সে দেখা যায়, আত্মার পুরোটাই ক্ষয় হয়ে গেছে।"
------ তিথির নীল তোয়ালে (হুমায়ূন আহমেদ)
"একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে
তার স্বপ্নটা জানা।"
------ কবি(হুমায়ূন আহমেদ)
"মেয়েদের আসল পরীক্ষা হচ্ছে সংসার...
ঐ পরীক্ষায় পাশ করতে পারলে সব পাশ!"
--- প্রিয়তমেষু (হুমায়ূন আহমেদ)
আবেগ প্রবণ মানুষ
খুব বোকা হয়ে থাকে
তারা খুব সহজেই....
মানুষকে বিশ্বাস করে ফেলে।
তাই তারা প্রতারিত হয় বেশি,
কষ্টও পায় বেশি।
----- হুমায়ূন আহমেদ
মানুষ নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। সে চায় অন্যরা তাকে খুঁজে বের করুক।
----- হুমায়ূন আহমেদ
একজন প্রেমিকের কাছে চন্দ্র হলো তার প্রেমিকার মুখ।
আর জোছনা হলো প্রেমিকার দীর্ঘশ্বাস।
----- হুমায়ূন আহমেদ
ভালোবাসা ও ঘৃনা দুটাই মানুষের চোখে লিখা থাকে !
''ঘেঁটু পুত্র কমলা'' (হুমায়ূন আহমেদ)
মাঝে মাঝে আত্মার সম্পর্ক রক্তের সম্পর্ককেও অতিক্রম করে।
----- হুমায়ূন আহমেদ
গল্প উপন্যাস হল অল্প বয়সী মেয়েদের মাথা খারাপের মন্ত্র।
----- হুমায়ূন আহমেদ
বয়সকালেই মানুষ ছোট খাট ভুল করতে থাকে।
ছোটখাটো ভুল করা যখন অভ্যাস হয়ে যায় তখন করে বড়
ভুল !
------ জোছনা ও জননীর গল্প; (হুমায়ূন আহমেদ)
কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে। গর্বিত
মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার
করে নিতে হবে যে তুমি ভুল। এর অর্থ তুমি পরাজিত
নাও, এর অর্থ তুমি পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের
হাসিটা হাসার জন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ়
প্রতিজ্ঞ।
----- হুমায়ূন আহমেদ
নামে কিছু আসে যায় না। আসে যায় কর্মে। যিশুখ্রিষ্টকে বিশুব্রিষ্ট ডাকলেও তাঁর যিশুত্ব কিছুমাত্র কমবে না।
----- হুমায়ূন আহমেদ
কাজল ছাড়া মেয়ে দুধ ছাড়া চায়ের মত।
----- হুমায়ূন আহমেদ
আমরা জানি একদিন আমরা মরে যাব
এই জন্যেই পৃথিবীটাকে এত সুন্দর লাগে।
যদি জানতাম আমাদের মৃত্যু নেই
তাহলে পৃথিবীটা কখনোই এত সুন্দর লাগতো না।
----- হুমায়ূন আহমেদ
প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই।
গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা কি উঠেছে? বালিকা ভুলানো
জোছনা নয়। যে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে
ছুটাছুটি করতে করতে বলবে - ও মাগো,কি সুন্দর চাঁদ।
নব দম্পতির জোছনাও নয়। যে জোছনা দেখে স্বামী গাঢ়
স্বরে স্ত্রীকে বলবেন - দেখো দেখো চাঁদটা তোমার মুখের
মতই সুন্দর। কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাতে জোছনা নয়।
যে জোছনা বাসি স্মৃতিপূর্ণ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।
কবির জোছনা নয়। যে জোছনা দেখে কবি বলবেন - কি
আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ।
আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জোছনার জন্য বসে আছি।
যে জোছনা দেখা মাত্র গৃহের সমস্ত
দরজা খুলে যাবে। ঘরের ভিতর ঢুকে পড়বে বিস্তৃত প্রান্তর।
প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব আর হাঁটব-
পূর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে।
চারদিক থেকে বিবিধ কণ্ঠে ডাকবে-আয় আয় আয়।
কবি --- হুমায়ূন আহমেদ




১. পৃথিবীতে আসার সময় প্রতিটি মানুষই একটি করে আলাদিনের প্রদীপ নিয়ে আসে…কিন্তু খুব কম মানুষই সেই প্রদীপ থেকে ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগাতে পারে।
২. পৃথিবীতে অনেক ধরনের অত্যাচার আছে। ভালবাসার অত্যাচার হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ানক অত্যাচার। এ অত্যাচারের বিরুদ্ধে কখনো কিছু বলা যায় না, শুধু সহ্য করে নিতে হয়।
৩. এই পৃথিবীতে প্রায় সবাই, তার থেকে বিপরীত স্বভাবের মানুষের সাথে প্রেমে পড়ে|
৪. তরুণী মেয়েদের হঠাৎ আসা আবেগ হঠাৎ চলে যায়। আবেগকে বাতাস না দিলেই হলো।আবেগ বায়বীয় ব্যাপার, বাতাস পেলেই তা বাড়ে। অন্য কিছুতে বাড়ে না |
৫. সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, কিন্ত তোমাকে এমন একজনকে খুজে নিতে হবে, যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে|
৬. অধিকাংশ মানুষ কল্পনায় সুন্দর, অথবা সুন্দর দুর থেকে। কাছে এলেই আকর্ষণ কমে যায়। মানুষই একই। কারো সম্পর্কে যত কম জানা যায়, সে তত ভাল মানুষ।
৭. বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
৮. যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চায় যে সব ঠিক হয়ে যাক । কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়। আর অনেকদিন পরে সে আগের চেয়েও অনেকবেশী খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারো অবহেলায় সত্যিই কিছু আসে যায় না।
৯. পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয়- মানসিক কষ্ট।- হুমায়ূন আহমেদ মায়ের গায়ে কোন দোষ লাগে না। ছেলে-মেয়ে মায়ের ত্রুটি দেখবে না। অন্যেরা হয়ত দেখবে, সন্তান কখনও না।
১০. কিছু কিছু মানুষ ভাগ্যকে নিজের হাতে গড়ে, আবার কারো কারো কাছে ভাগ্য আপনি এসে ধরা দেয়!
১১. সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কেউ মিথ্যা বলতে পারে না। মিথ্যা বলতে হয় অন্যদিকে তাকিয়ে !
১২. বয়সকালেই মানুষ ছোট খাট ভুল করতে থাকে। ছোটখাটো ভুল করা যখন অভ্যাস হয়ে যায় তখন করে বড় ভুল !
১৩. কখনো কখনো তোমার মুখটা বন্ধ রাখতে হবে। গর্বিত মাথাটা নত করতে হবে এবং স্বীকার করে নিতে হবে যে তুমি ভুল। এর অর্থ তুমি পরাজিত নাও, এর অর্থ তুমি পরিণত এবং শেষ বেলায় জয়ের হাসিটা হাসার ন্য ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
১৪. কাজল ছাড়া মেয়ে দুধ ছাড়া চায়ের মত।
১৫. ভদ্র ছেলেদের জন্য মেয়েদের মনে কখনও প্রেম জাগে না। যা জাগে সেটা হল সহানুভূতি |
১৬. মানুষ ট্রেইনের মত এক লাইনে চলে। তবে বিশেষ ঘটনার পর নতুন লাইন পাওয়া যায়।
১৭. প্রতিটি দুঃসংবাদের সঙ্গে একটি করে সুসংবাদ থাকে।
১৮. মানুষ শুধু যে মানুষের কাছ থেকে শিখবে তা না। পশু পাখির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১৯. যে একদিন পড়িয়েছে সে শিক্ষক । সারাজীবনই শিক্ষক। আবার যে একদিন চুরি করেছে সে কিন্তু রাজীবনই চোর না, তাহলে পৃথিবীর সব মানুষই চোর হত ।
২০. সমুদ্রের জীবনে যেমন জোয়ার-ভাটা আছে, মানুষের জীবনেও আছে। মানুষের সঙ্গে এই জায়গাতেই সমুদ্রের মিল।
২১. পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ সম্ভবত কষ্ট পাবার জন্যই জন্মায়। টাকা পয়সার কষ্ট নয়- মানসিক কষ্ট।
২২. মেয়েদের স্বভাবই হচ্ছে হালকা জিনিস নিয়ে মাতামাতি করা।
২৩. একজন মানুষকে সত্যিকারভাবে জানার উপায় হচ্ছে তার স্বপ্নটা জানা।
২৪. বাবা-মা’র প্রথম সন্তান হচ্ছে চমৎকার একটি জীবন্ত খেলনা। এই খেলনার সবই ভালো। খেলনা যখন হাসে, বা-মা হাসে। খেলনা যখন কাঁদে বাবা-মা’র মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
২৫. চট করে কারো প্রেমে পড়ে যাওয়া কাজের কথা না। অতি রূপবতীদের কারও প্রেমে পড়তে নেই। অন্যেরা তাদের প্রেমে পড়বে, তা-ই নিয়ম।
২৬. মাঝে মাঝে তুচ্ছ বিষয় চোরাকাঁটার মত মনে লেগে থাকে… ব্যথা দেয় না,অস্বস্তি দেয়….
২৭. লাজুক ধরনের মানুষ বেশীর ভাগ সময়ই মনের কথা বলতে পারেনা। মনের কথা হড়বড় করে বলতে পারে শুধু মাত্র পাগলরাই। পাগলরা মনে হয় সেই কারণেই সুখী।
২৮. বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের ভিতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে।
২৯. যে সব মানুষের নাক সেনসেটিভ হয় তাদের কান কম সেনসেটিভ হয়। প্রকৃতি একটা বেশী দিলে অন্যটা কমিয়ে দেয়।
৩০. মানুষের মন বিচিত্র জিনিস। সমস্ত নক্ষত্র পূঞ্জে যে জটিলতা ও রহস্য তার থেকেও রহস্যময় মানুষের মন।
৩১. মেয়েরা গোছানো মানুষ পছন্দ করে না। মেয়েরা পছন্দ করে অগোছালো মানুষ”- রোদনভরা এ বসন্ত ; কিছু কিছু মানুষ সত্যি খুব অসহায়.. তাদের ভালোলাগা মন্দলাগা, ব্যথা বেদনা গুলো বলার মত কেউ থাকে না.. তাদের কিছু অবাক্ত কথা মনের গভীরেই রয়ে যায় .. আর কিছু কিছু স্মৃতি – এক সময় পরিনত হয় — দীর্ঘ শ্বাসে
৩২. মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়।
৩৩. গভীর প্রেম মানুষকে পুতুল বানিয় দেয়। প্রেমিক প্রেমিকার হাতের পুতুল হন l কিংবা প্রেমিকা হয় প্রেমিকের পুতুল। দুজন এক সঙ্গে কখনো পুতুল হয় না। কে পুতুল হবে আর কে হবে সূত্রধর তা নির্ভর করে মানসিক ক্ষমতার উপর। মানসিক ক্ষমতা যার বেশী তার হাতেই পুতুলের সুতা।
৩৪. কিছু কিছু পুরুষ আছে যারা রূপবতী তরুণীদের অগ্রাহ্য করে একধরনের আনন্দ পায়। সচরাচর এরা নিঃসঙ্গ ধরনের পুরুষ হয়, এবং নারী সঙ্গের জন্যে তীব্র বাসনা বুকে পুষে রাখে।
৩৫. তুমি একটা খারাপ কাজ করেছো তার মানে তুমি একজন মানুষ, তুমি সেই খারাপ কাজটার জন্য অনুতপ্ত তার মানে তুমি একজন ভাল মানুষ।
৩৬. সব মানুষের জীবনেই অপূর্ণতা থাকবে। অতি পরিপূর্ণ যে মানুষ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে ও অতি দুঃখের সঙ্গে তার অপূর্ণতার কথা বলবে। অপূর্ণতা থাকে না শুধু বড় বড় সাধক ও মহা পুরুষদের |
৩৭. সব মানুষকেই বিনয়কে এদেশে দুর্বলতা মনে করা হয়, বদমেজাজকে ব্যক্তিত্ব ভাবা হয়।
৩৮. মানুষ খুবই স্বাধীন প্রাণী কিন্তু অদ্ভুত কারণে সে ভালবাসে শিকল পরে থাকতে।
৩৯. দুঃসময়ে কোনো অপমান গায়ে মাখতে হয় না। ভালোবাসা ও ঘৃনা দুটাই মানুষের চোখে লিখা থাকে!
৪০. যুদ্ধ এবং প্রেমে কোনো কিছু পরিকল্পনা মতো হয় না। ভালবাসাবাসির জন্যে অনন্তকালের প্রয়োজন নেই।একটি মুহূর্তই যথেষ্ট…
৪১. বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে। মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।
৪২. মেয়েদের স্বভাবই হচ্ছে হালকা জিনিস নিয়ে মাতামাতি করা।
৪৩. ভাল লাগা এমন এক জিনিস যা একবার শুরু হলে সব কিছুই ভালো লাগতে থাকে।
৪৪. মিথ্যা হলো শয়তানের বিয়ের মন্ত্র। মিথ্যা বললেই শয়তানের বিয়ে হয়। বিয়ে হওয়া মানেই সন্তান-সন্ততি হওয়া। একটা মিথ্যার পর আরো অনেকগুলি মিথ্যা বলতে হয় এই কারণেই।পরের মিথ্যাগুলি শয়তানের সন্তান।
৪৫. মানুষের স্বভাব হলো, কেউ যখন ভালোবাসে তখন নানান কর্মকাণ্ড করে সেই ভালোবাসা বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে, আবার কেউ যখন রেগে যায় তখন তার রাগটাও বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছা করে।
৪৬. ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল।বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে,শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।
৪৭. শিকল দিয়ে কাউকেই বেঁধে রাখা হয় না । তারপরেও সব মানুষই কোনও – না – কোনও সময় অনুভব করে তার হাত – পায়ে কঠিন শিকল । শিকল ভাঙতে গিয়ে সংসার – বিরাগী গভীর রাতে গৃহত্যাগ করে । ভাবে ,মুক্তি পাওয়া গেল । দশতলা বাড়ির ছাদ থেকে গৃহী মানুষ লাফিয়ে পরে ফুটপাতে । এরা ক্ষণিকের জন্য শিকল ভাঙার তৃপ্তি পায় ।
৪৮. বিবাহ এবং মৃত্যু এই দুই বিশেষ দিনে লতা-পাতা আত্মীয়দের দেখা যায়। সামাজিক মেলামেশা হয়। আন্তরিক আলাপ আলোচনা হয়।
৪৯. কেও কারও মত হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মত। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মত হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।
৫০. যে মানব সন্তান ক্ষুদ্র কামনা জয় করতে পারে সে বৃহৎ কামনাও জয় করতে পারে।
৫১. হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় ।সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে
৫২. মেয়েদের অনেক গুণের মধ্যে বড় গুণ হলো এরা খুব সুন্দর করে চিঠি লিখতে পারে। কথাবার্তায় নিতান্ত এলোমেলো মেয়েও চিঠি লেখায় গোছানো। মেয়েদের চিঠিতে আরেকটা ব্যাপার থাকে – বিষাদময়তা। নিতান্ত আনন্দের সংবাদ দিয়ে লেখা চিঠির মধ্যেও তারা জানি কী করে সামান্য হলেও দুঃখ মিশিয়ে দেয়। কাজটা যে তারা ইচ্ছা করে করে তা না। প্রকৃতি তাদের চরিত্রে যে বিষাদময়তা দিয়ে রেখেছে তাই হয়তো চিঠিতে উঠে আসে।
৫৩ . দিনকাল পাল্টে গেছে, এখন আর মানুষ আগের মতো নাই।মওলানা ধরনের মানুষের দিকে এখন আর আগের মতো ভয়-মিশ্রিত শ্রদ্ধার চোখে কেউ তাকায় না। মওলানাও যে বিবেচনায় রাখার মতো একজন, কেউ তাও বোধহয় মনে করে না। ছল্টুফল্টু ভাবে।”― এই মেঘ, রৌদ্র-ছায়া
৫৪ . আমাদের সবার ভুবনই আলাদা। এই ভুবনও একদিন ভাঙবে। আমরা অচেনা এক বৃত্তের দিকে যাত্রা শুরু করব। সেই বৃত্ত কেমন কে জানে! পৃথিবীতেই এত রহস্য। না জানি কত রহস্য অপেক্ষা করছে অদেখা ভুবনে।
৫৫. প্রেমে পড়া মানে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। তুমি যার প্রেমে পড়বে সে তোমার জগতের একটা বিরাট অংশ দখল করে নেবে। যদি কোনো কারণে সে তোমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে সে তোমার জগতের ঐ বিরাট অংশটাও নিয়ে যাবে। তুমি হয়ে পড়বে শূণ্য জগতের বাসিন্দা
৫৬. হিমু কখনও জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে না। ছোটখাট ঝামেলায় সে পড়ে। সেই সব ঝামেলা তাকে স্পর্শও করে না। সে অনেকটা হাসেঁর মত। ঝাড়া দিল গা থেকে ঝামেলা পানির মত ঝরে পড়ল।
৫৭. আমার খুব শখ বড় রকমের ঝামলায় পড়লে সে কি করে। কাজেই হিমুর জন্য বড় ধরনের একটা সমস্যা আমি তৈরি করেছি। এবং খুব আগ্রহ নিয়ে তার কান্ড-কারখানা দেখেছি।
৫৮. বিপদ যখন আসে একটার পর একটা আসে। বিপদরা পাঁচ ভাইবোন। এদের মধ্যে খুব মিল। এই ভাইবোনরা কখনো একা কারো কাছে যায় না। প্রথম একজন যায়, তারপর তার অন্য ভাইবোনরা উপস্থিত হয়।
৫৯. আমার সমস্যার কথা রুপাকে কি আমি বলতে পারি? আমি কি বলতে পারি – আমার বাবার স্বপ্ন সফল করার জন্য সারাদিন আমি পথে পথে ঘুরি। মহাপুরুষ হবার সাধনা করি. যখন খুব ক্লান্তি অনভব করি তখন একটি নদীর স্বপ্ন দেখি। যে নদীর জল ছুয়ে ছুয়ে এক জন তরুনি ছুটে চলে যায়. এক বার শুধু থমকে দাড়িয়ে তাকায় আমার দিকে। তার চোখে গভীর মায়া ও গাঢ় বিষাদ। এই তরুনীটি আমার মা. আমার বাবা যাকে হত্যা করেছিলেন।
৬০. এই সব কথা রুপাকে বলার কোনো অর্থ হয় না. বরং কোনো-কোনো দিন তরঙ্গিনী স্টোর থেকে টেলিফোন করে বলি – রুপা, তুমি কি এক্ষুনি নীল রঙের একটা সারি পরে তোমাদের ছাদে উঠে কার্নিশ ধরে নিচের দিকে তাকাবে? তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। একটুখানি দাড়াও। আমি তোমাদের বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে চলে যাব.আমি জানি রুপা আমার কথা বিশাস করে না, তবুও যত্ন করে সারি পরে. চুল বাধে। চোখে কাজলের ছোয়া লাগিয়ে কার্নিশ ধরে দাড়ায়। সে অপেক্ষা করে. আমি কখনো যাই না.আমাকে তো আর দশটা ছেলের মত হলে চলবে না. আমাকে হতে হবে অসাধরণ।আমি সারাদিন হাটি। আমার পথ শেষ হয় না. গন্তব্যহীন যে যাত্রা তার কোনো শেষ থাকার তো কথাও নয় ।
৬১. সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে হলো, আসাদুল্লাহ সাহেবের নীলপদ্ম থিউরি ঠিক আছে. এই তরুণী তার সমস্ত নীলপদ্ম হিমু নামের এক ছেলের হাতে তুলে দিয়ে তীব্র কষ্ট ও যন্ত্রণার ভেতর বাস করছে। এই যন্ত্রণা, এই কষ্ট থেকে তার মুক্তি নেই
৬২. মেয়েরা ভয়ঙ্কর দুর্যোগেও সাজ ঠিক রাখতে ভোলে না।
৬৩. ভালোবাসা আর ঘৃণা আসলে একই জিনিস। একটি মুদ্রার এক পিঠে “ভালোবাসা” আরেক পিঠে লেখা ঘৃণা। প্রেমিক প্রেমিকার সামনে এই মুদ্রা মেঝেতে ঘুরতে থাকে। যাদের প্রেম যতো গভীর তাদের মুদ্রার ঘূর্ণন ততো বেশি। এক সময় ঘূর্ণন থেমে যায় মুদ্রা ধপ করে পড়ে যায়। তখন কারো কারোর ক্ষেত্রে দেখা যায় “ভালোবাসা” লেখা পিঠটা বের হয়েছে, কারো কারো ক্ষেত্রে ঘৃণা বের হয়েছে। কাজেই এই মুদ্রাটি যেন সবসময় ঘুরতে থাকে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ঘূর্ণন কখনো থামানো যাবে না।”― দাঁড়কাকের সংসার কিংবা মাঝে মাঝে তব দেখা পাই ।
৬৪ . ওর কিছু নিজস্ব বিচিত্র লজিক আছে। সে ঐ লজিকে চলে । অন্য কারো কথাই শোনেনা । আমার কথাও শুনবেনা ।
৬৫. চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরেআসে…ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে ।
৬৬. কয়েক মুহুর্তের জন্যে আমার ভেতর এক ধরনের বেভ্রম তৈরী হল. মনে হল আমার আর হাটার প্রয়োজন নেই। মহাপুরুষ না, সাধারণ মানুষ হয়ে মমতাময়ী এই তরুনিতির পাশে এসে বসি। যে নীলপদ্ম হাতে নিয়ে জীবন শুরু করেছিলাম, সেই প্দ্ম্গুলি তার হাতে তুলে দেই. তারপরেই মনে হলো – এ আমি কি করতে যাচ্ছি! আমি হিমু – হিমালয়।
৬৭. পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই।
৬৮. যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না
৬৯. গল্প-উপন্যাস হলো অল্পবয়েসী মেয়েদের মাথা খারাপের মন্ত্র।
৭০. ঝর বৃষ্টির রাত হলেই এলিটা আমার সঙ্গে পক্খিমানবের সন্ধানে বের হয়.মানব জাতির সমস্যা হচ্ছে তাকে কোনো না কোনো সন্ধানে জীবন কাটাতে হয়. অর্থের সন্ধান, বিত্তের সন্ধান, সুখের সন্ধান, ভালবাসার সন্ধান, ইশ্বরের সন্ধান।আমি আর এলিটা সন্ধান করছি সামান্য পক্খিমানবের।
৭১. হিমু ভাই!”বল”যাবার আগে আপনি কি বলে যাবেন আপনি কে?’ আমি বললাম, ‘মারিয়া, আমি কেউ না. I am nobody.’ আমি আমার এক জীবনে অনেককে এই কথা বলেছি – কখনো আমার গলা ধরে যায়নি, বা চোখ ভিজে অঠেনি। দুটা ব্যাপারী এই প্রথম ঘটল.
৭২. আমার সঙ্গে কি আছে জানিস? পদ্ম। নীলপদ্ম। পাচটা নীলপদ্ম নিয়ে ঘুরছি। কি অপূর্ব পদ্ম। কাউকে দিতে পারছিনা। দেয়া সম্বব নয়. হিমুরা কাউকে নীলপদ্ম দিতে পারে না।
৭৩. হিমুর প্রতিটি কথা ভুয়া। সত্যি কথা সে অতীতে কোনোদিন বলেনি। ভবিষ্যতেও বলবে না।
৭৪. জোছনা দেখতে দেখতে, আমার হটাৎ মনে হলো, প্রকৃতির কাছে কিছু চাইতে নেই, কারণ প্রকৃতি মানুষের কোনো ইচ্ছাই অপূর্ণ রাখে না ।
৭৫. চানসোনা জবাব দিলো না. যেভাবে বসেছিল সেভাবেই বসে রইল । কতকাল আগে এক শ্রাবণ মাসে তের বছরের চানসোনা এই গ্রামে এসেছিল্ । লম্বা ঘোমটার ফাঁকে অবাক হয়ে দেখেছিল ভাটি অচ্ঞল । অজানা এই জায়গাটার জন্য কেমন এক ধরনের মমতা জন্মেছিল্। আজ এই মমতা বহুগুণে বেড়ে তাকে ভাসিয়ে নিতে চাইছে। এতটুকু মাত্র শরীর মানুষের এই মমতা সে কোথায় ধারণ করে?
৭৬. দিতে পার একশ’ ফানুস এনে আজন্ম সলজ্জ সাধ, একদিন আকাশে কিছু ফানুস উড়াই।
৭৭. জানালার ওপাশের অন্ধকার থেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি।
৭৮. দরিদ্র পুরুষদের প্রতি মেয়েদের একপ্রকার মায়া জন্মে যায়,আর এই মায়া থেকে জন্মায় ভালোবাসা।
৭৯.বন্ধুত্ব তখনই গাঢ় হয় যখন কেউ কাউকে চিনে না।
৮০. বিবাহ এবং মৃত্যু এই দুই বিশেষ দিনে লতা-পাতা আত্মীয়দের দেখা যায়। সামাজিক মেলামেশা হয়। আন্তরিক আলাপ আলোচনা হয়।
৮১. আমি কখনো অতিরিক্ত কিছুদিন বাঁচার জন্য সিগারেটের আনন্দ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ভেবে রেখেছিলাম ডাক্তারকে বলব, আমি একজন লেখক। নিকোটিনের বিষে আমার শরীরের প্রতিটি কোষ অভ্যস্ত। তোমরা আমার চিকিৎসা করো, কিন্তু আমি সিগারেট ছাড়ব না। তাহলে কেন ছাড়লাম? পুত্র নিনিত হামাগুড়ি থেকে হাঁটা শিখেছে। বিষয়টা পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেনি। দু-এক পা হেঁটেই ধুম করে পড়ে যায়। ব্যথা পেয়ে কাঁদে। একদিন বসে আছি। টিভিতে খবর দেখছি। হঠাৎ চোখ গেল নিনিতের দিকে। সে হামাগুড়ি পজিশন থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে। হেঁটে হেঁটে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। তার ছোট্ট শরীর টলমল করছে। যেকোনো সময় পড়ে যাবে এমন অবস্থা। আমি ডান হাত তার দিকে বাড়িয়ে দিতেই সে হাঁটা বাদ দিয়ে দৌড়ে হাতের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বিশ্বজয়ের ভঙ্গিতে হাসল। তখনই মনে হলো, এই ছেলেটির সঙ্গে আরও কিছুদিন আমার থাকা উচিত। সিগারেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত সেই মুহূর্তেই নিয়ে নিলাম।
৮২. বেশিরভাগ রূপবতী মেয়ে নকল হাসি হাসে। হাসার সময় ঢং করার চেষ্টা করে। তাদের হাসি হায়েনার হাসির মতো হয়ে যায়।
৮৩ . আমার সমস্যার কথা রুপাকে কি আমি বলতে পারি? আমি কি বলতে পারি – আমার বাবার স্বপ্ন সফল করার জন্য সারাদিন আমি পথে পথে ঘুরি। মহাপুরুষ হবার সাধনা করি। যখন খুব ক্লান্তি অনভব করি তখন একটি নদীর স্বপ্ন দেখি। যে নদীর জল ছুয়ে ছুয়ে এক জন তরুনি ছুটে চলে যায়। এক বার শুধু থমকে দাড়িয়ে তাকায় আমার দিকে। তার চোখে গভীর মায়া ও গাঢ় বিষাদ। এই তরুনীটি আমার মা। আমার বাবা যাকে হত্যা করেছিলেন। এই সব কথা রুপাকে বলার কোনো অর্থ হয় না। বরং কোনো-কোনো দিন তরঙ্গিনী স্টোর থেকে টেলিফোন করে বলি – রুপা, তুমি কি এক্ষুনি নীল রঙের একটা সারি পরে তোমাদের ছাদে উঠে কার্নিশ ধরে নিচের দিকে তাকাবে? তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। একটুখানি দাড়াও। আমি তোমাদের বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে চলে যাব। আমি জানি রুপা আমার কথা বিশাস করে না, তবুও যত্ন করে সারি পরে, চুল বাধে। চোখে কাজলের ছোয়া লাগিয়ে কার্নিশ ধরে দাড়ায়। সে অপেক্ষা করে। আমি কখনো যাই না। আমাকে তো আর দশটা ছেলের মত হলে চলবে না। আমাকে হতে হবে অসাধরণ।আমি সারাদিন হাটি। আমার পথ শেষ হয় না। গন্তব্যহীন যে যাত্রা তার কোনো শেষ থাকার তো কথাও নয়।
৮৪. ঝর বৃষ্টির রাত হলেই এলিটা আমার সঙ্গে পক্খিমানবের সন্ধানে বের হয়। মানব জাতির সমস্যা হচ্ছে তাকে কোনো না কোনো সন্ধানে জীবন কাটাতে হয় । অর্থের সন্ধান, বিত্তের সন্ধান, সুখের সন্ধান, ভালবাসার সন্ধান, ইশ্বরের সন্ধান। আমি আর এলিটা সন্ধান করছি সামান্য পক্খিমানবের।
৮৫. কয়েক মুহুর্তের জন্যে আমার ভেতর এক ধরনের বেভ্রম তৈরী হল । মনে হল আমার আর হাটার প্রয়োজন নেই. মহাপুরুষ না, সাধারণ মানুষ হয়ে মমতাময়ী এই তরুনিতির পাশে এসে বসি । যে নীলপদ্ম হাতে নিয়ে জীবন শুরু করেছিলাম, সেই প্দ্ম্গুলি তার হাতে তুলে দেই. তারপরেই মনে হলো – এ আমি কি করতে যাচ্ছি! আমি হিমু – হিমালয়।
৮৬. তুমি আমাকে যে চিটি লিখেছিলে আমি তার জবাব লিখে এনেছি। সাংকেতিক ভাষায় লিখে এনেছি।’ মারিয়া হাত বাড়াল। তার চোখে চাওয়া কৌতুক ঝকমক করছে। মনে হচ্ছে যে কোনো মুহুর্তে হে খিলখিল করে হেসে ফেলবে । যেন সে অনেক কষ্টে হাসি থামাচ্ছে। ‘সাংকেতিক চিঠিটাই কি লেখা পড়তে পারছ?’ ‘পারছি। এখানে লেখা I hate you.’ ‘I Love you – ও তো হতে পারে।’ ‘সংকেতের ব্যাখ্যা সবাই তার নিজের মত করে করে, আমিও তাই করলাম। আপনার আটটা তারার অনেক মানে করা যাই, যেমন – I want you. I miss you. I lost you. আমি আমার পছন্দ মত একটা বেছে নিলাম।
৮৭. কষ্টের সাথে যাদের বসবাস রাতটা তাদের জন্য যে কি কষ্টের সেটা শুধু তারাই জানে। সারাদিন কষ্ট গুলো বুকের মাঝে চেপে রাখলেও রাতে যেন কোনো ভাবেই ঠেকানো যায় না। বুক ফেটে কষ্ট গুলো বের না হলেও, চোখ ফেটে বের হয়ে আসে অশ্রু |
৮৮. ভালো মানুষের রাগ থাকে বেশি। যারা মিচকা শয়তান তারা রাগে না। পাছায় লাথি মারলেও লাথি খেয়ে হাসবে।
৮৯. রতিটি মেয়েই নিষ্ঠুর হবার অসীম ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।
৯০. দুনিয়াতে খুব অল্প কিছু মানুষ আছে,যারা আসলেই আলাদা, সারা জীবনেও তারা কারও আপন হতে পারে না, তাদের কেউই বুঝে না, তাদের সব থেকেও আসলে শূন্যতা ছাড়া কিছুই থাকে না, তারা একা আসে, একা ঘুরে, একাই থাকে, একাই চলে যায়!
৯১. মেয়েদের চরিত্রের একটা বিশেষ দিক হল, যেই মুর্হূতে তারা অপর পক্ষের আগ্রহ টের পায়, সেই মুর্হূতে তারা দপ করে নিভে যায়।
৯২. বিভ্রম তৈরীর খেলা প্রকৃতির খুবই প্রিয় খেলা ।
৯৩. আবেগ লুকাতে হয় । অতি আবেগ মানুষকে সামনে এগুতে দেয় না ।
৯৪. এক জন মানুষ সবচেয়ে বেশী ভান করে তার চিঠিতে । যে এই ভানের ওপরে উঠে আসতে পারে, তাকে তার প্রাপ্য সন্মান দিতে হয় ।
৯৫. ভয়ংকর ভয়ের স্বপ্নে মানুষের ঘুম ভাঙে আবার অস্বাভাবিক আনন্দের স্বপ্নেও মানুষের ঘুম ভাঙে ।
৯৬. মেয়ে জাতটাই হচ্ছে মায়াবতীর জাত ।
৯৭. একটি মেয়ে খুব সহজে কাঁদতে পারে। কারণ তারা মাঝে মাঝেই একটু কষ্ট পেয়েই কেঁদে অভস্ত। কিন্তু একটি ছেলে তখনই কাঁদে যখন সে তার কষ্ট কে ধরে রাখতে পারে না। ওই মুহর্তে তার কান্নাটা এতো টাই তীব্র হয়। যে পৃথিবীর সমস্ত সুখ ও যদি এনে দেওয়া হয় কারো ক্ষমতা নেই সেই কান্নাটুকু থামানোর।
৯৮. প্রকৃতি রহস্য পছন্দ করে বলেই শ্রেষ্ঠ সন্তান মানুষকে নানান রহস্য দিয়ে পৃথিবীতে পাঠায়। সারাজীবন প্রতিটি মানুষ তার রহস্যের খেলা খেলে। কিন্তু প্রকৃতি দাঁড়িপাল্লায় মেপে সবাইকে সমান রহস্য দেন না ।
৯৯ . যারা বেশি কথা বলে তারা মানুষ হিসেবে ভাল হয়।
১০০ . একখণ্ড বিশাল মেঘ চাঁদটিকে ঢেকে দিয়েছে।চাঁদের আলো এখন আর চোখে লাগছে না। চারদিক কি সুন্দর লাগছে। কি অসহ্য সুন্দর। হতাশা,গ্লানি, দুঃখ ও বঞ্চনার পৃথিবীকে এত সুন্দর করে বানানোর কি প্রয়োজন ছিল কে জানে ?
১০১ . সত্যি । মাঝে মাঝে প্রকৃতির এত্ত সৌন্দর্য দেখলে ঠিক থাকতে পারি না । মনে হয়, প্রকৃতির সাথে মিশে একাকার হয়ে যাই । আল্লাহ্ পৃথিবীতেই যদি এত সুখ দিয়ে রাখে, বেহেস্তে কী দিবে?
১০২ . তুমি আমার জন্যে দু’ফোটা চোখের জল ফেলেছ–তার প্রতিদানে আমি “জনম জনম কাঁদিব।
১০৩ . মানুষ মৃত বেক্তিদের জন্য অপেক্ষা করে না। জীবিতদের জন্য অপেক্ষা করে।
১০৪ . অন্ধকার বলে কিছু নেই, আলোর অনুপস্থিতিকে অন্ধকার বলে। তেমনি কষ্ট বলেও কিছু নেই, সুখের সাময়িক অনুপস্থিতিকে কষ্ট বলে।
১০৫ . ফেলে আসা দিনগুলোই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেশি সুন্দর হয়। যেমন ধরুন আপনার স্কুল লাইফ। সত্যিই সেই দিনগুলো দারুন ছিলো।
১০৬ . আমার বাবা তাঁর সমস্ত আত্মীয়স্বজনের বিয়েতে প্রীতি-উপহার দেয়াকে অবশ্যকর্তব্য মনে করতেন। রাত জেগে নিজেই লিখতেন।বিয়ের আসরে এই ‘কাব্য’ আমাকেই পাঠ করে শুনাতে হতো। পাঠ শেষে জনে জনে টা বিলি করা হতো। তারপর আমাকে প্রীতি উপহার নিয়ে পাঠানো হতো মেয়েমহলে।কনেকে ঘিরে থাকতো তার বান্ধবীরা।তারা তখন আমাকে নিয়ে নানান রঙ্গ-রসিকতা করতো।আমি যথেষ্ট আবেগ দিয়ে প্রীতি-উপহার পড়ছি,এর মধ্যে কেউ একজন বলে বসল, ‘এই বান্দর,চুপ কর’। মেয়েরা সবাই হেসে এ ওর গায়ে গড়িয়ে পড়ত।আমি চোখ মুছতে মুছতে বিয়ের আসরে ফিরতাম।
১০৭ . মেয়েদের সবচে বেশি আনন্দ হয়, যখন ঝগড়াতে স্বামীকে হারাতে পারে। স্বামীর পরাজিত মুখ স্ত্রীর কাছে যুদ্ধে জয়ের মতো।
১০৮. জীবনটা আসলেই অনেক সুন্দর! এতো বেশি সুন্দর যে, মাঝে মাঝে অসহ্য লাগে।
১০৯ . হয়তো আমরা আমাদের চারপাশের সবার কাছে থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়ে থাকি, কিন্তু কোনো ভালোবাসা পিতামাতার ভালোবাসার মত নয়।
১১০ . না পাওয়া ভালোবাসা গুলো সব সময় সত্যি মনে হয়, পাবার পর কত জন মূল্য দিতে পারে?
১১১ . আমরা মানুষের জটিলতা দেখে অভ্যস্ত, সারল্যকে আমরা ভয় করি। কারো ভেতরে ঐ ব্যাপারটি দেখলে থমকে যাই, এবং আমাদের মনের একটি অংশ বলতে থাকে নিশ্চয়ই কোন একটা রহস্য আছে।
১১২ . সব মানুষের মধ্যে একটা ইষ্টিশন থাকে। সেই ইষ্টিশনের সিগন্যাল ডাউন করা। ইষ্টিশনে সবুজ বাতি জ্বলছে। আনন্দময় ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা। কারো কারো ষ্টেশনে ট্রেন সত্যি সত্যি এসে থাকে। কারো কারো ষ্টেশনে আসে ঠিকই, কিন্তু মেলট্রেন বলে থামে না। ঝড়ের মতো উড়ে চলে যায়।
১১৩ . শহরের সাথে গ্রামের এই বুঝি পার্থক্য। শহরে দৃষ্টি আটকে যায়। গ্রামে যায় না।
১১৪. জীবনের গভীরতম বোধকে আমি অনুভব করতে পারি। জোছনার অপূর্ব ফুলকে আমি দেখতে পাই – কিন্তু তারা অন্তরের এতই গভীরে যে, আমি তুলে আনতে পারি না। বার বার হাত ফসকে যায়। দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী জেগে আমি অপেক্ষা করি। কোন দিন কি পারব সেই মহান বোধকে স্পর্শ করতে ? নিজেকে বোঝাই – ভাগ্যে যা আছে তা হবে। Every man’s fate We have fastened On his own neck. (সূরা বনি ইসরাঈল) আমরা কি করব না করব সবই পূর্ব-নির্ধারিত। কি হবে চিন্তা করে? নিয়তির হাতে সব ছেড়ে-ছুড়ে দিয়ে অপেক্ষা করাই ভালো। আমি অপেক্ষা করি।
১১৫. সব মানুষের মাঝে একজন মহাপুরুষ বাস করে। তাঁরা কখনো প্রকাশিত হন। কখনো হন না।
১১৬. মেয়ে জাতটা বড় অদ্ভুত। কী বললে পুরুষ মানুষের মন ভালো হয় সেটা যেমন জানে, আবার কী বললে পুরুষ মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যায় সেটাও জানে।
১১৭. করুণাও এক ধরনের ভালোবাসা, তবে তা ক্ষতিকারক ভালোবাসা। এই ভালোবাসা মানুষকে অসুস্হ করে দেয়
১১৮. মানুষ হয়ে জন্মানোর সবচেয়ে বড় কষ্ট হচ্ছে মাঝে মাঝে তার সবকিছু পেছনে ফেলে চলে যেতে ইচ্ছা করে, কিন্তু সে যেতে পারে না। তাকে অপেক্ষা করতে হয়। কিসের অপেক্ষা তাও সে ভালমত জানে না।
১১৯. তুমি যদি কাউকে হাসাতে পার, সে তোমাকে বিশ্বাস করবে. সে তোমাকে পছন্দও করতে শুরু করবে!
১২০. আমরা কাউকেই হারাতে চাই না, কিন্তু সবাইকেই হারাতে হয়।
১২১. কষ্ট মানুষকে পরিবর্তন করে, আবার কষ্ট মানুষকে শক্তিশালীও করে ।
১২২. সব ক্ষমতা নিয়ে একজন দূরে বসে আছেন। ভুল বললাম দূরে না, কাছেই বসে আছেন। খুব বেশি কাছে বলেই তাকে দেখা যায় না।
১২৩. পুরুষ মানুষ দিনরাত স্ত্রীর আঁচলে বাঁধা থাকলে বুঝতে হবে সে পুরুষ মানুষই না। তার কোন সমস্যা আছে।
১২৪. পৃথিবীতে আনন্দ এবং দুঃখ সব সময় থাকবে সমান সমান। বিজ্ঞানের ভাষায়- Conservation of আনন্দ। একজন কেউ চরম আনন্দ পেলে, অন্য জনকে চরম দুঃখ পেতে হবে।
১২৫. অতিরিক্ত রূপবতীরা বোকা হয়, এটা জগতের স্বঃতসিদ্ধ নিয়ম।
১২৬. কষ্টের বেপার গুলো মানুষের ভাল মনে থাকে না।সে কখনো মনে রাখতে চায় না।কিন্তু, সুখের বেপারে খুব ভালভাবে মনে থাকে।কারন,এগুলো নিয়ে প্রায়ই ভাবা হয় ।
১২৭. মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে। একঘেয়ে কান্নার সুরের মত সে শব্দ। আমি কান পেতে শুনি। বাতাসে জামগাছের পাতায় সরসর শব্দ হয়। সব মিলিয়ে হৃদয় হাহাকার করে ওঠে। আদিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতায় কী বিপুল বিষণ্নতাই না অনুভব করি। জানালার ওপাশের অন্ধকার থেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি।
১২৮. যখন কেউ কারো জন্য কাঁদে, সেটা হলো আবেগ। যখন কেউ কাউকে কাঁদায়, সেটা হলো প্রতারণা। আর যখন কেউ কাউকে কাঁদিয়ে নিজেও কেঁদে ফেলে, সেটাই হলো প্রকৃত ভালোবাসা ।
১২৯. বড় বোকামিগুলি বুদ্ধিমান মানুষরাই করে।
১৩০. পৃথিবীতে ফিনিক ফোটা জোছনা আসবে। শ্রাবন মাসে টিনের চালে বৃষ্টির সেতার বাজবে। সেই অলৌকিক সঙ্গীত শোনার জন্য আমি থাকব না।
১৩১ . ভালোবাসার মাঝে হালকা ভয় থাকলে, সেই ভালোবাসা মধূর হয়।কেননা, হারানোর ভয়ে প্রিয়য়জনের প্রতি ভালোবাসা আরো বেড়ে যায়!!
১৩২ . পৃথিবীর কিছু মানুষ জন্ম থেকে অতৃপ্ত । এদেরকে তৃপ্ত করার চেষ্টা করাও বোকামি । ওরা অতৃপ্ত থেকেই তৃপ্ত হয় ।
১৩৩ . বাঙ্গালী মেয়েদের গায়ের রঙের একটা মাত্রা আছে। কোনও মেয়ে যদি সেই মাত্রা অতিক্রম করে যায় তখন আর ভালো লাগে না। তার মধ্যে বিদেশী বিদেশী ভাব চলে আসে। তাকে আর আপন মনে হয় না।
১৩৪ . সম্পর্কের বন্ধন ঠিক পেরেকের প্যাঁচের মত। একবার যদি প্যাঁচ কেটে যায়, তা আর যত চেষ্টাই করনা কেন তা আর আগের মত মজবুত হয়না। হয়তো কৌশলে বা বল প্রয়োগে তা দেখতে আগের মত থাকবে কিন্তু ভেতরটা দেখলে একদম নড়বড়ে।
১৩৫ . আমি ঘর ছাডিয়া বাহির হ্ইয়া, জোছনা ধরিতে যাই। হাত ভর্তি চাদের আলো, ধরতে গেলেই নাই।
১৩৬ . মানুষের বিপদে এখন আর মানুষ এগিয়ে আসে না। এই যুগের নীতি হচ্ছে বিপদ্গ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে দুরে চলে যাওয়া । যে যত দুরে যাবে তত ভাল থাকবে।
১৩৭ সাধারণ মেয়েরা ছালবাকল নেই ছেলের প্রেমে কখনো পড়বে না। তারা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার খুঁজবে। টাকা-পয়সা খুঁজবে। ঢাকায় বাড়ি আছে কি-না দেখবে। কিন্তু অতি বিত্তবান মেয়েরা ছালবাকল নেই ছেলেদের প্রতি এক ধরনের মমতা পোষণ করবে। অসহায়ের প্রতি করুণা। সেই করুণা থেকে প্রেম।
১৩৮ সারা জীবন পাশাপাশি থেকেও এক সময় একজন অন্যজনকে চিনতে পারে না। আবার এমনও হয়, এক পলকের দেখায় একে অন্যকে চিনে ফেলে।
১৩৯ . প্রত্যেক ভালবাসায় দুইজন সুখী হলেও তৃতীয় একজন অবশ্যই কষ্ট পাবেই, এটাই হয়তো প্রকৃতির নিয়ম |
১৪০. সুন্দরী মেয়েদের হাতের লেখা সুন্দর হয়।এটা হল নিপাতনে সিদ্ধ।সুন্দরীরা মনে প্রাণে জানে তারা সুন্দর। তাদের চেষ্টাই থাকে তাদের ঘিরে যা থাকবে সবই সুন্দর হবে।
১৪১. পৃথিবীতে সবচে’ সুখী মানুষ কে?’ ‘যার কাছে ঘুম আনন্দময় সে-ই পৃথিবীর সবচে’ সুখী মানুষ’।
১৪২. মেয়েরা হচ্ছে জন্মদাত্রী জননী। হাজার ভুল করলেও এদের উপর রাগ করতে নেই। এদের উপর রাগ করাটাই কাপুরুষতা।
১৪৩. ‘বাবা’ সম্বোধনে লেখা চিঠি অগ্রাহ্য করা কোন পুরুষের পক্ষেই সম্ভব না। মেয়েদের পক্ষে ‘মা’ সম্বোধনের চিঠি অগ্রাহ্য করা খুবই সম্ভব। তারা ‘মা’ ডাক শুনে অভ্যস্ত। পুরুষরা বাবা শুনে অভ্যস্ত না। কেউ বাবা ডাকলেই সেই ডাক পুরুষদের মাথার ভেতর ডুকে যায়।
১৪৪. জীবন সহজও নয় জটিলও নয়। জীবন জীবনের মতো। আমরাই একে জটিল করি- সহজ করি।
১৪৫. পৃথিবীর সবচেয়ে অসুন্দর দৃশ্য হল লোভে চকচক করা চোখ। আর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য গভীর মমতায় আদ্র প্রেমিকার চোখ।
১৪৬. অতিকাছের মানুষের অবহেলা সহ্য করার ক্ষমতা মানুষের নেই মানুষ বড় অভিমানি প্রাণী ||
১৪৭. হাসি সবসময় যে সুখের প্রকাশ তা নয়, আপনি কতটা দু:খ লুকাতে পারেন তাও বুঝায়
১৪৮. খুব ভাল লাগবে যদি শুনি আমি চলে যাবার পরও কেউ হিমু হয়ে খালি পায়ে রাস্তায় হাটে।
১৪৯. আমাদের সবার ভুবনই আলাদা। এই ভুবনও একদিন ভাঙবে। আমরা অচেনা এক বৃত্তের দিকে যাত্রা শুরু করব। সেই বৃত্ত কেমন কে জানে! পৃথিবীতেই এত রহস্য। না জানি কত রহস্য অপেক্ষা করছে অদেখা ভুবনে।
১৫০. শেকসপীয়ারের মতো মানুষও কিন্তু ভূত বিশ্বাস করতেন | তিনি হ্যামলেটে বলেছেন___ There are many things in heaven and Earth.
১৫১. বর্তমানটাই সত্যি । অতীত কিছু না, ভবিষ্যৎ তো দূরের ব্যাপার । আমরা বাস করি বর্তমানে, অতীতেও না, ভবিষ্যতেও না ।
১৫২. কিছু মানুষের উপর আপনি কখনোই আস্থা রাখতে পারেন না। এরা নিজের সুখের জন্য ঝুলন্ত অবস্থায় পাহাড়ের চূড়া থেকে আপনার হাত ছেড়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করে না।
১৫৩. পৃথিবীর সবথেকে কঠিন ভাষা হলো চোখের ভাষা, এই ভাষা পড়ার জন্য মনে গভীর ভালবাসার দরকার হয়।
১৫৪. স্বপ্নদৃশ্য সবসময় হয় সাদা-কালো| স্বপ্ন বর্ণহীন|
১৫৫. যে-কোনো মেয়ের বিয়ের দিন বিবাহিত মেয়েদের মন খুশি খুশি থাকে| নিজের বিয়ের কথা মনে পড়ে এই জন্যে|
১৫৬. মাঝে মাঝে রেগে যাওয়া ভাল | রাগলে শরীরের রোগ জীবানু মরে যায় |
১৫৭. পাঁচ হচ্ছে ম্যাজিকেল নাম্বার। কোন মেয়েকে যদি কখনো পাঁচটা গোলাপ দেয়া যায় তাহলে সে জন্মের মত কেনা হয়ে যায়।
১৫৮. পুরোপুরি নিশ্চিন্ত, নির্ঝঞ্ঝাট জীবন যাপন সম্ভব না । সব জীবনেই কিছু ঝামেলা থাকবে । কাবাব যতই ভালই হোক,কাবাবের এক কোণায় ছোট হাড্ডির টুকরো থাকবেই।
হুমায়ূন আহমেদ এর উক্তি (১ম পর্ব) হুমায়ূন আহমেদ এর উক্তি (১ম পর্ব) Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:০৬ AM Rating: 5

সজল আহমেদ এর ১৪ টি মোটিভেশনাল উক্তি ১৮+


  • ১) প্রেম করার তৃতীয় দিন পর নিজেকে কুৎসিত, কদাকার, গরীব, ফকিরনী, শয়তান, ছোটলোক এবং ক্ষাণকির পোলা মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না।
  • ২) মানুষ মাত্রই চিন্তাসূত্রে অশ্লীল।
  • ৩) প্রেমিকা আপনাকে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা ভাবলে ওতে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। প্রত্যেকটা প্রেমিকই প্রেমিকার কাছে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মতোই।
  • ৪) রাত হলে ব্যথার তীব্রতা এতটাই বাড়তে থাকে যে, ব্যথাকে আর ব্যথা মনে না হয়ে বিদ্ধ হওয়া বিষযুক্ত তীর মনেহয়।
  • ৫.) মানুষ মাত্রই পঁচনশীল
  • ৬) প্রত্যেকটা মানুষই প্রেম করার পর আত্মাগত ভাবে পঁচে যায়। তখন তাঁর আর পাগলের মধ্যে পার্থক্য, পাগল সোসাইটির বাইরে থাকে।
  • ৭) নিজেকে কখনো আপনার শূয়োরের বাচ্চা মনে হয়েছে? আমি বলব হ্যাঁ। কেননা প্রেম করার পর অহেতুক প্রেমিকার প্যারায় নিজেকে শূয়রের বাচ্চা মনে হতেই পারে।
  • ৮) অভাবের সংসারে প্রিয়তমার ভালোবাসা ইঁদুরের গর্তে লুকায়।
  • ৯) প্রেমিকা ভুলে থাকার শ্রেষ্ঠ উপায় হিসেবে কেউ যখন নেশাকে প্রাধান্য দেয়, তখন আমার কেন যেন মনেহয় লোকটা নিজের নুনুটা টেনে নিজের ব্যাকসাইডে ঢুকাতে চাচ্ছে!
  • ১০) সুখে থাকার শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে ভূতকে কিলানো।
  • ১১) যখন কোন মধ্যবয়স্ক পুরুষ কাঁদে তখন ভেবে নিবেন সত্যই অনেকটা কষ্ট ওনার বুকে জমা।
  • ১২) প্রত্যেকটা পুরুষই নিজেকে পছন্দের নারীর কাছে বোকা করে রাখতে ভালোবাসে। তথাপি প্রত্যেকটা নারী ও পুরুষের সামনে নিজেকে অত্যন্ত চালাক প্রমাণে ব্যস্ত রাখে।
  • ১৩) মানুষের কান মূলত তিনটে। দুটো কান দিয়ে শোনে। আরেকটি কান জাগতিক নয়, অদৃশ্য। যেটি দিয়ে উপদেশ দিলে বের করে দেয়! 
  • ১৪) চোরের মায়ের মূলত গলা বড় নয়, ওনার গলা মোটা 
সজল আহমেদ এর ১৪ টি মোটিভেশনাল উক্তি ১৮+ সজল আহমেদ এর ১৪ টি মোটিভেশনাল উক্তি ১৮+ Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৯:০১ AM Rating: 5

সজল আহমেদ এর ৬০টি প্রবচন
















  •  মায়ের দুধে পেট না ভরলে বাপের নুনু চুইলে কাজ হবে?


১) পুরুষ মানুষ সারাজীবনে কয়েকবার মরে যায়। প্রথম প্রেমিকা হারাবার সময়। বিয়ে হবার পর আর বুড়ো হয়ে স্ত্রী হারাবার সময়।
                     -সজল আহমেদ
২) প্রত্যেকটা পুরুষই প্রেমিক। তবে কেউকেউ প্রেমিক থেকে স্বামী হবার যোগ্যতা রাখেনা।
                     -সজল আহমেদ
৩) প্রেম একতরফা ভাবে যেটা হয়, বিচ্ছেদ হলেও ওটাই প্রকৃত প্রেম।
                     -সজল আহমেদ
৪) স্ত্রীর কাছে স্বামীর একমাত্র চাওয়ার যা তা হলো স্ত্রীর বিশ্বাস যোগ্যতা।
                     -সজল আহমেদ
৫) এমন কোন মানুষ নেই যাঁরা বেশি কাঁদেনা। এমন কোন মানুষ পাবেননা যাঁরা বলবে কাঁদার চেয়ে বেশি হেসেছি। মূলত দুঃখের তীব্রতা বা ওজন হাসির চেয়ে কোটিকোটি গুণ উপরে। তাই জীবনের দুঃখকর মূহুর্তের চেয়ে সুখকর মূহুর্ত বেশি হলেও দুঃখ বেশি পেয়েছেন বলেই মনেহয়।
                     -সজল আহমেদ
৬) সকালের সিগারেটটা স্বর্গের সূরার মতো। যেন টানতে টানতে মনেহয় ; স্বর্গে বসে আছি।
                     -সজল আহমেদ
৭)  প্রত্যেকটা মানুষেরই একটা হিডেন দক্ষতা হলো; সে পাগলামি করতে জানে অভিকল পাগলদের মতো।
                     -সজল আহমেদ
৮) আপনি একটা মেয়েকে বা ছেলেকে কখনো বিশ্বাস করবেন না, কারণ বিশ্বাসের চে সবার কাছে গুরুত্ববহ হচ্ছে সৌন্দর্য ও অর্থ।
                     -সজল আহমেদ
৯) ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোন ডেফিনিশন নাই; যার যার ভালোবাসার ডেফিনিশন তাঁর তাঁর কাছে।
                     -সজল আহমেদ
১০) পপুলারিটি হচ্ছে জোয়ার ভাটার মতো।
                     -সজল আহমেদ

১১) প্রকৃত বন্ধুত্ব বলতে আদৌ কিছু নেই; আবেগের পর নুনু ঠেকিয়ে চলে যাওয়ার পর আশ্চর্য হবার কিছু নেই।
                     -সজল আহমেদ

১২) আপনার কোন বন্ধুই অপরিচিত একটা মেয়ের থেকে আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে পারবেনা।
                     -সজল আহমেদ
১৩) ভালোবাসার মোহে পরে আপনি যা করছেন, কোন একদিন মনে পরলে আপনি নিজেই নিজের কাছে লজ্জা পাবেন। 
                     -সজল আহমেদ
১৪) নীতিগত ভাবে প্রত্যেক প্রেমিকাই দুদিনপর প্রেমিককে পুরানো ভাবতে থাকে।
                     -সজল আহমেদ
১৫) প্রত্যেকটা নারী পুরুষই একাধিক সঙ্গী চায় আর এটা ভালোবাসার কমতি থেকে সৃষ্ট।
                     -সজল আহমেদ
১৬) আপনি যদি কাউকে প্রকৃত ভালোবাসেন, প্রথম প্রথম ওঁর প্রতি সেক্স এর সেন্টিমেন্ট আসতেই পারেনা।
                     -সজল আহমেদ
১৭) প্রতিটা খারাপ স্বপ্ন/কল্পনা একেকটা মানুষের আত্মহত্যার জন্য দায়ী!
                     -সজল আহমেদ
১৮) ২১-২২ বছরের সময় মানুষ বেশি আত্মহত্যা প্রবণ হয়।
                     -সজল আহমেদ
১৯) ডিভোর্স হওয়ার পর একটা মেয়ে নিজেকে গড়তে না পারলে ওর পরবর্তী জীবনটা অসুখের হয়।
                     -সজল আহমেদ
২০) ডিভোর্স হওয়ার পর মেয়েরা ভাবে, তাঁর পুরো জীবনটাই বুঝি শেষ! অথচ ওসময়টাই ওর নিজেকে গড়ার সময়।
                     -সজল আহমেদ
২১) স্বামী হতে গেলে আপনার প্রধান গুণ থাকতে হবে, প্রেমিকার মতো ঘন্টায় ঘন্টায় স্ত্রীর কেয়ার করা।
                     -সজল আহমেদ
২২) প্রতিটা মানুষই অনৈতিক।
                     -সজল আহমেদ
২৩) একটা মেয়ে কখনোই অল্পতে নিজের ডিভোর্স হোক চায় না। স্বামীর ফাতরামি এর জন্য সিংহভাগ দায়ী।
                     -সজল আহমেদ
২৪) মেয়েদের যত প্রশংসা ও সম্মান করবেন অত লাইফের গতি হবে।
                     -সজল আহমেদ
২৫) যে বয়োসটা নিজেকে গড়ার ঐ বয়োসটা অধিকাংশ যুবক কাটায় প্রেম ভালোবাসায়।
                     -সজল আহমেদ

২৬) প্রত্যেকটা মানুষই নীতিগত ছোটলোক। 
                     -সজল আহমেদ
২৭) বড়লোকদের একটা সমস্যা হচ্ছে ওরা ভাবে ওদের টাকা কমে যাচ্ছে আর কেউ একজন ওঁর প্রতিদন্দ্বী।
                     -সজল আহমেদ
২৮) কে আপনার জন্য ভাবছে না ভেবে নিজে অন্তত কাউকে নিয়ে ভাবতে শুরু করুন তাহলেই দেখবেন অনেকেই আপনাকে নিয়ে ভাবছে।
                     -সজল আহমেদ
২৯) মেয়েদের মন বুঝতে চাইলে আগে মহাকাশটা জয় করে আসুন।
                     -সজল আহমেদ
৩০) স্বার্থপরিতা বলতে কিছু নাই; মূলত যে অপরকে স্বার্থপর ভাবছে ওর ঐ স্বার্থের অভাব।
                     -সজল আহমেদ
৩১) পথভ্রষ্ট না হলে সঠিক পথটা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর!
                     -সজল আহমেদ
৩২) প্রেমে পরলে বেকুব হওয়াটা স্বাভাবিক। 
                     -সজল আহমেদ
৩৩) ডিপ্রেশন হতে একমাত্র মুক্তির উপায় মরে যাওয়া।
                     -সজল আহমেদ

৩৪) মেয়েদের বিশ্বাস করা ঈশ্বরের কাছেও অসাধ্য ব্যাপার! যদি অসাধ্য না হতো তবে ইভকে সৃষ্টি করার পর বিশ্বাস করে নিষিদ্ধ ফল এর গাছটি আর বাঁচিয়ে রাখতেন না।
                     -সজল আহমেদ
৩৫) সেই মানুষ সৃষ্টির আগ থেকেই নারীদের কাছে সমগ্র মানবজাতী ঋনী। ইভ বা হাওয়া আঃ যদি নিষিদ্ধ ফল না খেতেন আর আদমকে না খাওয়াতেন তাহলে স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে বিতরিত হতেন না। আর তাঁরা স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে যদি বিতরিত না হতেন তাহলে মানুষের ও জন্ম হতোনা।
                     -সজল আহমেদ
৩৬) তোকে ভালোবেসে যাবো তুই বাসিস অথবা না বাসিস আমি কেয়ার করিনা, তোকে ছাড়া অন্যকাউকে আমি ভালোবাসি না।
                     -সজল আহমেদ
৩৭)  আমি তোমার জন্য যদিও জীবন বিকিয়ে দেবোনা, তবুও প্রতিজ্ঞা করে বলছি, আমি তোমাকে যতটা ভালোবাসি, অন্যকেউ পারবেনা। 
                     -সজল আহমেদ

৩৮)।। কবি।।
কাউকে না পাত্তা দেবার নাম হলো কবি। এমনকি ঈশ্বরকেও!
                     -সজল আহমেদ
৩৯) ।।ভালোবাসা।।
দুটো মনের মিলন এখানে বাধ্যগত করেছে বোকাচোদার দল। অথচ একতরফাও ভালোবাসা হতে পারে।
                     -সজল আহমেদ
৪০)।। ঘৃণা।।
লাশের খাটিয়ায় মূত্র বিসর্জন দেবার আকাঙ্খাকে বলে ঘৃণা।
                     -সজল আহমেদ
৪১)।। শোক।।
কাঁদতে কাঁদতে যে চোখে রক্ত আনতে জানেনা আদৌ তাঁর শোক স্থায়ী কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে!
২.
কারো শোক চিরস্থায়ী নয়। তাতে সে মা কিম্বা স্ত্রী হোক।
                     -সজল আহমেদ
৪২)।। ডিপ্রেশন।।
নিজেকে নিজের বাইঞ্চোদ মনে হওয়াকে বলে ডিপ্রেশন।
                     -সজল আহমেদ

৪৩)।। আপন।।
পৃথিবীতে শুধুমাত্র আপন বলতে আছে নিজের ছায়াটা। তাও মাঝেমাঝে বেঈমানী করে।
                     -সজল আহমেদ
৪৫)।।শত্রুতা।।
বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী না হলেও শত্রুতা চিরস্থায়ী হয়।
                     -সজল আহমেদ

৪৬)।। বাপ।।
বাপের মতো তালৈ হয়না কিন্তু তালৈর মতো বাপ হয়।
                     -সজল আহমেদ

৪৬)।। মা।।
মায়ের মতো মাসি হয়না। মা ও কখনো মাসি হয়না।
                     -সজল আহমেদ

৪৭)।। পুত্র।।
পৃথিবীর প্রত্যেকটা পুত্রই একটা আনকোড়া বেঈমান, ছোটলোক, অকৃতজ্ঞ এবং অজ্ঞ।
                     -সজল আহমেদ
৪৮)।। কন্যা।।
কন্যারা বৌ হতে ভালোবাসে। বউ হবার পর পুনরায় কন্যা।
                     -সজল আহমেদ


৫০)।।পুত্রবধু।। 
অপরের কন্যা নিজের কন্যার মতো হলে বুঝতে হবে পৃথিবী ধ্বংস হতে আর হাতেগোণা কয়েকটা দিন আছে!
                     -সজল আহমেদ

৫১)।। মিথ্যা।।
পুরো পৃথিবীটাই যেখানে মিথ্যা সেখানে তুমি সত্যবাদী খুঁজছো কার স্বার্থে?
                     -সজল আহমেদ


৫২)।। সত্যবাদী।।
সত্যবাদী আমার কোন চুদির্ভাই? পৃথিবীতে কোন সত্যবাদী নেই এমনকি সে যদি অলী/পীর/ সাধুও হয়। কখনো না কখনো সে মিথ্যে বলেছেই।
                     -সজল আহমেদ
৫৩) পৃথিবীতে কোন সত্যবাদী প্রেমিক নেই। যে প্রেমিক বলে আমি মিথ্যা বলিনি, ও প্রেমিক না মেটাল থিংগস বা রোবট।
                     -সজল আহমেদ
৫৪) কিছু কিছু মানুষ আছে যারা মিথ্যাকে রং তুলির আচড়ে একেবারে সত্য করে তুলতে ওস্তাদ! যখন তাদের মিথ্যে প্রকাশ হয় তখন তাঁরা ওটাকে ঢাকতে  নানারকম ফন্দি আঁটে, কিন্তু ইতোমধ্যে তাঁরা যে সবচেয়ে বড় মিথ্যেবাদী তা প্রমাণ হয়ে যায়।
                     -সজল আহমেদ
৫৫) আপনি প্রেমিকাকে যত সন্দেহ করবেন ও ততই সন্দেহ বাড়িয়ে চলবে। তারচে ওকে স্বাধীনতা দিন, যাতে নিজের মতো চলতে পারে। যদি, আপনার ভালোবাসা সত্য হয় তবে ওঁর ফিরে আসতেই হবে।
                     -সজল আহমেদ
৫৬) আপনার প্রেমিকা আপনাকে বলদ ভাববেই, ওতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। প্রেমে পতিত হওয়ার পর প্রত্যেকটা প্রেমিকই একেকটা বলদ হয়ে যায়। 
                     -সজল আহমেদ
৫৭) আপনি যাকে ভালোবাসেন ওকে বুঝাতে চেষ্টা করেন আপনি ওকে কতটা ভালোবাসেন। আর হ্যাঁ এরপর ও যদি চলে যায় তবে ওকে চলে যেতে দিন।
                     -সজল আহমেদ
৫৮) মানুষ মাত্রই গুটিবাজ।
                     -সজল আহমেদ
৫৯) প্রেমিকা বিচ্ছেদ হলে আপনি কাঁদতে থাকুন, যতক্ষণ না আপনি ওকে ভুলতে পারেন।
                     -সজল আহমেদ
৬০) মানুষ মাত্রই পঁচনশীল।
                     -সজল আহমেদ

সজল আহমেদ এর ৬০টি প্রবচন সজল আহমেদ এর ৬০টি প্রবচন Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১১:৩৩ AM Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.