শহীদ কাদরীর কবিতা pdf

লেখক: শহীদ কাদরী
আয়তন: ৬.৮৯ মেগাবাইট
ফরম্যাট: পিডিএফ
বই! বই! বই!
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (৩০ অক্টোবর ১৯০১ - ২৫ জুন ১৯৬০) বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি। বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ অন্যতম। বুদ্ধদেব বসুর মতে, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একাধারে কবি ও বিদ্বান, স্রষ্টা ও মনস্বী। সংস্কৃত ও বাংলা সাহিত্যে, এবং একই সঙ্গে আবহমান পাশ্চাত্য সাহিত্যে তার মতো বিস্তীর্ণ ও যত্নলব্ধ জ্ঞান ভারত ভূমিতে বিরল ও বিস্ময়কর। তিনি পরিচয় সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি জীবনের এক পর্যায়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
৭:১৩ AM
Rating: 5
কাব্য গ্রন্থের নামঃ প্রিয়তমা ও কুকুরছানার গল্প | Priyotama o kukurchanar galpa
ফরম্যাটঃ PDF
সাইজঃ 11 MB
ডাউনলোড লিংকঃ Mediafire[not available] | GDrive [available ] |
কভারঃ
কিছুটা পড়ুনঃ
সজল ভাই অনবদ্য লেখেন। তার লেখার মধ্যে অন্যরকম একটা মজা। কিছু কবিতা যেন বুলেটের মতো বিদ্ধ হয়েছে! ফ্যাসিবাদকে বকতে গিয়ে তিনি লিখলেনঃ
প্রভূ, টাকাও দিলেনা মুখে ভাষাও দিলে না
আমিও মিছিল ধরি ওগো – ফ্যাসিবাদ!
আমার পকেট ফাঁকা, বাবার পকেট কাটা
ভেঙে খায় আমলারা গরীবের দাঁত।
স্বৈরাচারের কাছে কবির বন্দিত্ব এভাবে লিখলেনঃ
আমায় দাওনা তুমি একটু অধিকার
এ কেমন অদ্ভুত তুমি স্বৈরাচার
কথা যদি বলি শোনো প্রতিবাদ সুরে
ভেঙে ফেলে লাঠি এসে মাথা আর ঘাঁড়
আবার ভালোবাসা কে ডিফাইন করতে কবি লিখলেনঃ
তোমাকে মনে করে গিলে ফেলি মৃত বাবার স্মৃতি, নিজের হাঁড়ের সাথে লোবানের স্বাদ।
এরকম প্রেমকাকে নিয়ে চিন্তা করতে পারাটা কবিতার বিশাল সাফল্যঃ
কবর হতে উঠে তোমাকে এমনভাবে ভড়কে দেবো, চিন্তাও করতে পারবে না আমি কতটা ক্রেইজি প্রিয়তমা!
কবি সর্বকালের সেরা মানুষ মুহম্মদ সাঃ কে নিয়ে তার সমস্ত ভালোবাসা উগড়ে দিলেন এভাবেঃ
ও মুহাম্মদ, প্রেয়সী রসূল
ওগো আল্লার হাবীব
আপনার সিঁথির ভাঁজ কেটে পরাবো
দুআ ক্বুনুতের টিপ।
বইটিতে যে কটা কবিতা রয়েছে প্রতিটা কবিতাই আমার ভালো লেগেছে তাই পাঠককে বলবো, আগে বইটি একবার পড়ুন। আপনার মস্তিষ্কে কবিতার ভালোবাসা ঢুকিয়ে দিতে এই কবিতাগুলেই যথেষ্ট!
Reviewed by Mad Max
on
৯:০৮ AM
Rating: 5
লেখকঃ সজল আহমেদ (Sajal Ahmed)
ফরম্যাটঃ পিডিএফ (PDF)
সাইজঃ১৪ মেগাবাইটস (14 MB)
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড করুন এখানে ↓
কবিতার ভূমিকা আমার লেখার কর্ম না, তাও কিছুটা লিখে দিলাম সৌন্দর্য বর্ধনে। আমার পকেট সবসময় ফাঁকা থাকে, যে কারণে পৃষ্ঠার বই ছাপানোর মনোবাঞ্ছা থাকলেও কখনো তা সফল করতে পারিনি৷ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাতে এই ইলেকট্রিক্যাল যুগে ইলেকট্রনিক বুক বা ডিজিটাল বইয়ের আয়োজন। আশাকরি কবিতা পড়ুয়ারা পড়বে আর উপলব্ধি করবে৷ কবিতাগুলো আমি নিজেই বাছাই করেছি, আমি জানি এগুলো কোন কবিতার মধ্যেই পরে না, তাও যেহেতু কষ্ট করে লিখে ফেলে আবার ইবুক আকারে প্রকাশের সাহসই করে ফেলেছি তাই অনুরোধ থাকবে একটু কম আক্রমণাত্মক হয়ে পড়বেন৷ ‘ভাল্গারিটি' ভালো না লাগলে অনুরোধ থাকবে এখনই এক্সিট করে ফাইলটা রিমুভ করে দেয়ার।
বিনীত, সজল আহমেদ।
১.টাকা -৬
২. লিডার -১০
৩. মোদী - ১৫
৪. অন্ধারের যৌনতা - ১৭
৫. সলাত - ২০
৬. ডুবে মৃত্যু - ২২
৭. ভেসে মৃত্যু - ২৩
৮. কূপে মৃত্যু - ২৪
৯. শাপে মৃত্যু - ২৬
১০. খোদা - ২৮
১১. তুমি তো - ৩০
১২. মেয়েটার নাম - ৩২
১৩. দিতে পারো - ৩৩
১৪. লাশ - ৩৬
১৫. ট্র্যাপ - ৩৮
১৬. খিস্তিভাষ্য - ৪৯
Reviewed by Mad Max
on
১১:২২ AM
Rating: 5
File Name: কবিতার মায়রে বাপ
By: সজল আহমেদ
Format: PDF
![]() |
| DOWNLOAD |
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
৪:৩১ AM
Rating: 5
ভাষান্তর: মাহমুদ শাহ কোরেশী, গুরুপদ চক্রবর্তী, মুঈনুদ্দীন খালেদ, শিশির ভট্টাচার্য্য
আয়তন: ৩.৯১ মেগাবাইট
ফরম্যাট: পিডিএফ
ডাউনলোডঃ ক্লিক করুন
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
৫:০২ AM
Rating: 5
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
৩:০৬ PM
Rating: 5
কাব্য আমপারা (Kabya Ampara) কাজী নজরুল ইসলাম(Kazi Nazrul Islam)
রচিত পবিত্র কুরআন মাজীদের ৩০ পারার পদ্যানুবাদ।
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলায় জন্ম নেওয়া একজন বাঙালি কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
তিনি বাংলা সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখযোগ্য এবং তিনি ছিলেন বাঙালি মনীষার এক তুঙ্গীয় নিদর্শন।
পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তার কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত।
তার কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তার কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ।
ডিজিটাল বইয়ের নাম- 'ছোটদের ছড়া সঞ্চয়ন'
ছড়াকার- বিশিষ্ট সকল লেখকগণ
বইয়ের ধরন- ছড়া সংগ্রহ
ফাইলের ধরন- পিডিএফ
এই বইতে মোট পৃষ্টা আছে- ৬১
ডিজিটাল বইয়ের সাইজ- ৪এমবি
প্রিন্ট খুব ভালো, জলছাপ মুক্ত
ডাউনলোডঃ Click Here...
আপনার ছোট খোকা-খুকির জন্যে খুব মজাদার একটি বাংলা ছড়ার সংকলনের পিডিএফ শেয়ার করা হল।
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
১০:২১ PM
Rating: 5
সংগ্রহঃ https://banglaakobita.blogspot.com
খোয়াব দেখিনি সই ক্ষীরের মতোই
আধপোয়া জলে মেখে আধপোয়া দৈ
আউশের ফেনে মেখে শাদাশাদা খৈ
গাইয়ের লাঙলে চলে কাঠের সে মৈ।
দেখিনি খোয়াব আমি দুধেল পিঠা
খেজুরের রস পোড়া বিরস মিঠা
রসে ভেজা টুপটুপ নারকেল চিতই
খোয়াবে দেখিনি আমি দানাদার সই।
একটা খেলার মাঠ দুপুত করে
পাঁচিল টপকাবে না দেয়াল ঘরে
দেয়ালে খোয়াব দেখো বন্দি তুমি
সাতাশ খুনের যেন একাই আসামি!
আমাদের বাল্য তাল—বড়ার মতোই
খোয়াবে দেখিনি আমি ইলিশটা সই।
জীবন চিনেছি আমি; ভৃত্যের মতো
ধাবমান পাখিকূল কুহু শতশত—
চারপাশে কত ডাল বসতি গড়ার
তবুও ভয়েই, ‘কেউ নেই পাহাড়া'র।’
অবাক নিয়তি যার পাশ ফিরে শোয়
অস্পৃশ্য বেদনা জমি—পেতে রোয়।
কচি পেয়ারার মতো ‘সবুজ’ যখন
প্রলুব্ধ কত সখা কালের সুখন;
খেতে চায় মুখ মেলে– লালার গ্রাসে
সবুজ সতেজ তাঁরা কত ভালোবাসে!
গতির সাথে চাকার সন্ধি যেখানে
ফুয়েলের সাথে জোর শুকিয়ে যায়,
মৃত নদীতে— কেউ স্নানরত হয়—
জল যেন কোথা হতে কোথা চলে যায়!
মানুষের হৃদয়টা কু, কত অচেনা হয়—
কেউ ফিরে আসে আর কেউ চলে যায়!
আকাশের ঠিক মাঝে কারো কারো ঘর,
কেউকেউ জলে ভেজা, কেউ শুখাচর।
কেউ যদি ডানা মেলে উড়ে এসে বসে
ডানা খুলে বসে পরে ঠিক ভালোবেসে
আর উড়ে যেতে অক্ষম বিবাগী পাখি—
বিশ্বাসে — ভালোবেসে তুমি ক্ষীণমতি।
দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যারা, তাঁরাও একদিন শিশু ছিলেন৷ তখনো অর্থনীতি এক পায়ে দাঁড়িয়ে বলেছিলো— বেজন্মার বাচ্চাদের মৃত্যু হোক!
মানুষের জন্মহারে মানুষ হাসে। আমার তৃপ্তি লাগে, মাঝেমাঝেই রেগেমেগে অস্থির হয়ে যাই৷ চেপে ধরে মজ্জা, আমি প্রতিজ্ঞা করি — ঈশ্বর, আমিও একদিন একশ শিশুর জন্ম দেবো৷ যাদের কেউকেউ হবে সাংবাদিক, কেউ এলিট, পারার মাস্তান, কেউ বুদ্ধিজীবি, দু'একজন শ্রমিক, সতেরজন প্রেমিক আর বাকিরা পুলিশ৷ তাঁরা কেউ কেউ কোলাজ প্রফেসরের টুটি চেপে ধরে বলবে, “শয়তানের বাচ্চা তোর চাকরী হোগা দা ঢুকায়া মুখ থিকা বার করমু। মানুষ চিনিস মাদারচোত?” আমি তাকিয়ে থাকবো আর দেখবো, তখনো দাঁড়ায়ে রঙ্গমঞ্চে হেসে যাচ্ছে কিছু নগ্ন ছুঁচো — আমি আমার ছেলেদের লেলিয়ে দিয়ে বলবো, “যাহ বাবারা ঐ ক্ষাণকির পোলাদ্বয়ই তোদের জন্মের সময় হাসছিলো৷ তোদের কোন ভয় নাই, তোদের পুলিশ দাদারা ডিউটিতে আছে।”
ঘাস যখনি বাড়তে বাড়তে বাঁড়া
তোমার তখন ঘরে ফেরার তাড়া।
উঠোন ভরা তারায় ভরা থাকে
ভুল করে মেঘ বলি আকাশটাকে।
ঘুমের পিলের রোজ বেড়ে যায় ডোজ
এই আকাশে তাকিয়ে করি খোঁজ
আমি একটা নদী দেখি রোজ
তীরের খোঁজে কাক এক অর্ধভোজ।
জল পিপাসায় ফাটছে বুকের ছাতি
মাছের ভেতর যেসব পোয়াতি
বাচ্চা পেটে জলের চুমু ছাড়া
মৃত্যুকূপে ছুটে যাচ্ছে ঘোড়া...
মৃত্যুখেলা, মৃত্যুছলে শহীদ যদি হই
একটা দাবী, প্রশ্নগুলো মগজে হৈচৈ
খোদাতালা নদী দিলা, তীর দিলা কই?
আমায় মাতাল বলে যেসব লোক
মৃত্যুকালে তাদের দেখি শোক
চাচ্ছে তাঁরা পাপীর হাতের জল
জল হাতে আজ দুইটাকার মাতাল।
দৌঁড়ে যাচ্ছে গ্লাস ভর্তি করে—
এই শালারা যন্ত্রনারই ঘোরে;
খাবি খাচ্ছে জল চাচ্ছে
জল চাচ্ছে মরে যাচ্ছে,
শেষে মৃত্যু ডাকলে পরে কই—
মাতাল ভেবো, কবি আমি নই।
আমার এসব ওহী কোন নয়
যেসব লিখি দেখছো যা নয়ছয়
মদ খেয়ে রোজ ঘুমুঘুমু চোখে—
বালছাল সব লিখি হৃদয় শোকে,
উঁচু হয়ে উপছে পরা বুকে
স্তনটাও নোটে রাখি টুকে।
লোকে বলে বেলেহাজ একজন
শিরদাঁড়াতে হারিয়ে ফেলি বোণ
আমি একটা বলয় ঘিরে থাকি
তোমার কথা রোজ রাতে তাই
তোমার সাথে প্রেম হলে ছাই
সেটাও টুকে রাখি।
আমি একটা আকাশ হতে চাই
আমি যখন ধুলো হতে যাই
নিজের মগজ খুবলে খুবলে খাই
আমি এখন সুস্থ মনে নাই।
আমার ভেতরে দাবড়ে বেড়ায় ত্রাশ
আমি তো ব্যাস চেয়েছি হতে ঘাস
তাতেও কেন আপত্তিটা ওঠে?
বিড়বিড় করে মালিক স্বীয় ঠোঁটে;
“বেফাঁস এক নম্রুদেরই মতো—
পাচ্ছে যত চেয়ে যাচ্ছে তত”
চোখের সামনে চাহিদাওয়ালা দেখে
খোদা এখন মুখ ফিরিয়ে থাকে
খোদা জানেন সাড়া দিলেই এখন
মুষড়ে পরা ঘুমিয়ে পরা দাফন
শরীর মাখে সাদাসিধে কাফন
তিন রাতে খায় শেয়াল তাঁকে বাসী
মজা পাচ্ছে, খেয়ে নিচ্ছে, মুখে স্ব লাজ হাসি।
প্রেমিকা তুমি কন্ডমে লীন হয়ে যাচ্ছো
আমি চুরুট ধরিয়ে ফীল করি ফিডেলকাস্ত্র।
হীণ হয়ে বশ্যতা স্বীকারে আমার কোন আপত্তি নাই
প্রেমিকা উত্তম পুরুষ হলে; বিপ্লবীরা চুদিরভাই।
বিপ্লব ও প্রেম— দুটো প্রায়ই সাংঘর্ষিক
সংস্কৃতিক জোটেও তাঁরা পাশাপাশি বসে না;
আমি যেখানে মার্কস ভেবে মুঠো করে ধরি ধোন; আমার প্রেমিকা সেখানে বিপ্লব চোদেনা।
আমি বলি— বিপ্লব, বিপ্লব! চেতনা, চেতনা ; ঘাম আর শ্রমিকের মাংস জমাট বাঁধা শ্রম—
আমার প্রেমিকা চিৎকার করে— শিৎকার করে— ধিক্কার করে —ভিক্ষার পরে মুঠো করে ধরে মুঠো ফোন।
যেন আমার শিশ্ন ধরেছে, রতিদেবী রতি রীতিমতো পিঠ হয়ে সয়ন;
আমার প্রেমিকা সেক্স ভালোবাসে; বিপ্লব মনে করে এক ধোন।
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
২:০৬ AM
Rating: 5
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
১১:৫০ PM
Rating: 5
Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor
on
১১:৩৮ PM
Rating: 5
দিন আনি দিন খাই ।। তারাপদ রায় - Download Now
হাজার বছরের প্রেমের কবিতা - Download Nowকরোনাভাইরাস মহামারীর পর ইউক্রেইন যুদ্ধ বিশ্বকে যে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছিল সেখান থেকে ফেরার কোনও রাস্তা দেখাতে পারেনি ২০২৩; বরং বিশ্বব্য...