Results for সজল

ছেলেরা কি মেয়েদের চেয়ে সুখী?

১১:১১ AM

 

ছেলেরা কি মেয়েদের চেয়ে সুখী?

লিখেছেনঃ সজল আহমেদ 



“ মেয়েরা এই কষ্টে থাকে ঐ কষ্টে থাকে ” বলে যেসব মানুষরা হেদিয়ে পরেন তাদের জন্য বলা, ভাই বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঐরকম তিনগুণ কষ্ট ছেলেরা কবর দেয় প্রতি মিনিটে ৷ মেয়েদের পরিবারের বাইরে শুভাকাঙ্খীর অভাব নাই পৃথিবীতে, কিন্তু একটা ছেলের শুভাকাঙ্খী কেবল তার পরিবার । বাবা মৃত্যুর পর একটা ছেলে তার স্বরূপ টের পায়৷ ওদিকে পিতা মৃত্যুর শোকটি ছাড়া তেমন কোন কিছুই মেয়েদের হয় না। 

আমি নারীবিদ্বেষী নয়, তবে কম্পেয়ারিজনের বেলায় আমি এটুকু টের পাই — আমার বয়সী মেয়েদের চেয়ে আমার কষ্টের ভার অনেক বেশি! আমার ক্লাসমেট কাউকে পরিবারের জন্য খাটতে দেখিনাই উপরন্তু মেট্রিক লেভেলের পরে তাদের সুখশান্তির সংসার হইছে, স্বামী পেটে বাচ্চাও দিছে। তারা কেউকেউ স্বামীকে পরিচালনাও করতেছে কঠোর হস্তে। এই হিসাব পার্সেন্টেজে ৯০ শতাংশ৷ তাও আমি ৩০ পার্সেন্ট বাদ যদি দেই তাও ৭০% মেয়েরা সুখে থাকে যেখানে কিনা ১০০% পুরুষই প্রতিদিন তাঁর পরিবার নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে ভাবতে ডিপ্রেশনে চলে যায়৷ 


২০১৩ তে ১৬০ টি রাষ্ট্রের ওপর চালানো একটি সমীক্ষায় ক্যারল গ্রাহাম [Carol Graham] (যিনি একজন নারী ) আর সৌম্য চট্টোপাধ্যায় দেখেন যে, মেয়েদের জীবন ছেলেদের তুলনায় অনেক সুখের হয় [ আর্টিকেলটি এখানে ] ৷ তাঁরা যতই কাঁদুক না কেন, কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শুকায় ফেললেও তাঁরা জীবনেও না কাঁদা পুরুষটার চেয়ে অনেক সুখে থাকে। 


নিউমর্স রিপোর্টের ব্রেইন গবেষণার একটি রিপোর্টেও এই একই তথ্য দেয়া হয়েছে, মেয়েরা পুরুষদের চেয়ে বেশি সুখে থাকে। আমি এতকিছু টানলাম এজন্য যে, কেউ যেন আমাকে নারী বিদ্বেষী না ভাবেন। এত প্রমাণের বোচকা এজন্যই টেনেছি৷ একইসাথে ছেলেদের সাথে মেয়েদের দুঃখকষ্টের কম্পেয়ার করা দেখতে দেখতে ব্যোর হওয়ার কারণেও এতকিছু লিখে নিয়েছি৷ ও আরেকটা কথা, আমি কিন্তু সুখে আছি— মাশাআল্লাহ্!

ছেলেরা কি মেয়েদের চেয়ে সুখী? ছেলেরা কি মেয়েদের চেয়ে সুখী? Reviewed by Mad Max on ১১:১১ AM Rating: 5

সজল আহমেদ এর ৫ টি কবিতা

 


সংগ্রহঃ https://banglaakobita.blogspot.com

খোয়াব

খোয়াব দেখিনি সই ক্ষীরের মতোই

আধপোয়া জলে মেখে আধপোয়া দৈ

আউশের ফেনে মেখে শাদাশাদা খৈ

গাইয়ের লাঙলে চলে কাঠের সে মৈ।


দেখিনি খোয়াব আমি দুধেল পিঠা

খেজুরের রস পোড়া বিরস মিঠা

রসে ভেজা টুপটুপ নারকেল চিতই

খোয়াবে দেখিনি আমি দানাদার সই। 


একটা খেলার মাঠ দুপুত করে

পাঁচিল টপকাবে না দেয়াল ঘরে

দেয়ালে খোয়াব দেখো বন্দি তুমি

সাতাশ খুনের যেন একাই আসামি! 


আমাদের বাল্য তাল—বড়ার মতোই

খোয়াবে দেখিনি আমি ইলিশটা সই।




জীবন

জীবন চিনেছি আমি; ভৃত্যের মতো

ধাবমান পাখিকূল কুহু শতশত—

চারপাশে কত ডাল বসতি গড়ার

তবুও ভয়েই, ‘কেউ নেই পাহাড়া'র।’

অবাক নিয়তি যার পাশ ফিরে শোয়

অস্পৃশ্য বেদনা জমি—পেতে রোয়।


কচি পেয়ারার মতো ‘সবুজ’ যখন

প্রলুব্ধ কত সখা কালের সুখন;

খেতে চায় মুখ মেলে– লালার গ্রাসে

সবুজ সতেজ তাঁরা কত ভালোবাসে! 


গতির সাথে চাকার সন্ধি যেখানে 

ফুয়েলের সাথে জোর শুকিয়ে যায়,

মৃত নদীতে— কেউ স্নানরত হয়—

জল যেন কোথা হতে কোথা চলে যায়!


মানুষের হৃদয়টা কু, কত অচেনা হয়—

কেউ ফিরে আসে আর কেউ চলে যায়!

আকাশের ঠিক মাঝে কারো কারো ঘর,

কেউকেউ জলে ভেজা, কেউ শুখাচর।


কেউ যদি ডানা মেলে উড়ে এসে বসে

ডানা খুলে বসে পরে ঠিক ভালোবেসে

আর উড়ে যেতে অক্ষম বিবাগী পাখি— 

বিশ্বাসে — ভালোবেসে তুমি ক্ষীণমতি।



ভারতে জন্মালো ষাট হাজার শিশু


দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যারা, তাঁরাও একদিন শিশু ছিলেন৷ তখনো অর্থনীতি এক পায়ে দাঁড়িয়ে বলেছিলো— বেজন্মার বাচ্চাদের মৃত্যু হোক!

মানুষের জন্মহারে মানুষ হাসে। আমার তৃপ্তি লাগে, মাঝেমাঝেই রেগেমেগে অস্থির হয়ে যাই৷ চেপে ধরে মজ্জা, আমি প্রতিজ্ঞা করি — ঈশ্বর, আমিও একদিন একশ শিশুর জন্ম দেবো৷ যাদের কেউকেউ হবে সাংবাদিক, কেউ এলিট, পারার মাস্তান, কেউ বুদ্ধিজীবি, দু'একজন শ্রমিক, সতেরজন প্রেমিক আর বাকিরা পুলিশ৷ তাঁরা কেউ কেউ কোলাজ প্রফেসরের টুটি চেপে ধরে বলবে, “শয়তানের বাচ্চা তোর চাকরী হোগা দা ঢুকায়া মুখ থিকা বার করমু। মানুষ চিনিস মাদারচোত?” আমি তাকিয়ে থাকবো আর দেখবো, তখনো দাঁড়ায়ে রঙ্গমঞ্চে হেসে যাচ্ছে কিছু নগ্ন ছুঁচো — আমি আমার ছেলেদের লেলিয়ে দিয়ে বলবো, “যাহ বাবারা ঐ ক্ষাণকির পোলাদ্বয়ই তোদের জন্মের সময় হাসছিলো৷ তোদের কোন ভয় নাই, তোদের পুলিশ দাদারা ডিউটিতে আছে।”


ঘাস

ঘাস যখনি বাড়তে বাড়তে বাঁড়া

তোমার তখন ঘরে ফেরার তাড়া।

উঠোন ভরা তারায় ভরা থাকে

ভুল করে মেঘ বলি আকাশটাকে।

ঘুমের পিলের রোজ বেড়ে যায় ডোজ

এই আকাশে তাকিয়ে করি খোঁজ

আমি একটা নদী দেখি রোজ

তীরের খোঁজে কাক এক অর্ধভোজ।

জল পিপাসায় ফাটছে বুকের ছাতি

মাছের ভেতর যেসব পোয়াতি

বাচ্চা পেটে জলের চুমু ছাড়া

মৃত্যুকূপে ছুটে যাচ্ছে ঘোড়া...

মৃত্যুখেলা, মৃত্যুছলে শহীদ যদি হই

একটা দাবী, প্রশ্নগুলো মগজে হৈচৈ

খোদাতালা নদী দিলা, তীর দিলা কই?


আমায় মাতাল বলে যেসব লোক

মৃত্যুকালে তাদের দেখি শোক

চাচ্ছে তাঁরা পাপীর হাতের জল

জল হাতে আজ দুইটাকার মাতাল।

দৌঁড়ে যাচ্ছে গ্লাস ভর্তি করে—

এই শালারা যন্ত্রনারই ঘোরে;

খাবি খাচ্ছে জল চাচ্ছে

জল চাচ্ছে মরে যাচ্ছে, 

শেষে মৃত্যু ডাকলে পরে কই—

মাতাল ভেবো, কবি আমি নই।

আমার এসব ওহী কোন নয়

যেসব লিখি দেখছো যা নয়ছয়

মদ খেয়ে রোজ ঘুমুঘুমু চোখে—

বালছাল সব লিখি হৃদয় শোকে,

উঁচু হয়ে উপছে পরা বুকে

স্তনটাও নোটে রাখি টুকে।

লোকে বলে বেলেহাজ একজন

 শিরদাঁড়াতে হারিয়ে ফেলি বোণ

আমি একটা বলয় ঘিরে থাকি

তোমার কথা রোজ রাতে তাই

তোমার সাথে প্রেম হলে ছাই

সেটাও টুকে রাখি। 


আমি একটা আকাশ হতে চাই

আমি যখন ধুলো হতে যাই

নিজের মগজ খুবলে খুবলে খাই

আমি এখন সুস্থ মনে নাই।

আমার ভেতরে দাবড়ে বেড়ায় ত্রাশ

আমি তো ব্যাস চেয়েছি হতে ঘাস

তাতেও কেন আপত্তিটা ওঠে?

বিড়বিড় করে মালিক স্বীয় ঠোঁটে;

“বেফাঁস এক নম্রুদেরই মতো—

পাচ্ছে যত চেয়ে যাচ্ছে তত”

চোখের সামনে চাহিদাওয়ালা দেখে

খোদা এখন মুখ ফিরিয়ে থাকে

খোদা জানেন সাড়া দিলেই এখন 

মুষড়ে পরা ঘুমিয়ে পরা দাফন

শরীর মাখে সাদাসিধে কাফন

তিন রাতে খায় শেয়াল তাঁকে বাসী

মজা পাচ্ছে, খেয়ে নিচ্ছে,  মুখে স্ব লাজ হাসি।




প্রেমিকা 

 প্রেমিকা তুমি কন্ডমে লীন হয়ে যাচ্ছো

 আমি চুরুট ধরিয়ে ফীল করি ফিডেলকাস্ত্র।

হীণ হয়ে বশ্যতা স্বীকারে আমার কোন আপত্তি নাই 

প্রেমিকা উত্তম পুরুষ হলে; বিপ্লবীরা চুদিরভাই। 

বিপ্লব ও প্রেম— দুটো প্রায়ই সাংঘর্ষিক

সংস্কৃতিক জোটেও তাঁরা পাশাপাশি বসে না;

আমি যেখানে মার্কস ভেবে মুঠো করে ধরি ধোন; আমার প্রেমিকা সেখানে বিপ্লব চোদেনা। 

আমি বলি— বিপ্লব, বিপ্লব! চেতনা, চেতনা ; ঘাম আর শ্রমিকের মাংস জমাট বাঁধা শ্রম—

আমার প্রেমিকা চিৎকার করে— শিৎকার করে— ধিক্কার করে —ভিক্ষার পরে মুঠো করে ধরে মুঠো ফোন। 

যেন আমার শিশ্ন ধরেছে, রতিদেবী রতি রীতিমতো পিঠ হয়ে সয়ন; 

আমার প্রেমিকা সেক্স ভালোবাসে; বিপ্লব মনে করে এক ধোন। 


সজল আহমেদ এর ৫ টি কবিতা সজল আহমেদ এর ৫ টি কবিতা Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ২:০৬ AM Rating: 5

১৮+কবিতাঃ অশিক্ষিত এর গালাগালি By সজল আহমেদ PDF

 


সতর্কতা 

এই ই-বইয়ের সকল কবিতা সজল আহমেদ এর অনুমতি নিয়ে তাঁরই নির্দেশনা মোতাবেক সাঁজানো। এই ই বইটি শুধুমাত্র www.bdboimatra.com এর নিজস্ব সম্পত্তি। এই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত বানিজ্যিক ভাবে কোথাও আপলোড দেয়া যাবেনা। আমরা কবির কাছ থেকে এই কবিতাগুলোর সকল সত্ত পারচেসড করেছি।  এমনকি তিনি নিজেই বইয়ের প্রচ্ছদ করে আমাদের সাহায্য করেছেন৷ “চ” বর্গীয় শব্দে যাদের ঘোর আপত্তি আমাদের অনুরোধ থাকবে তাঁরা যেন বইটি এড়িয়ে যান৷ আর হ্যাঁ, এখানে সাঁজানো কবিতাগুলো পড়তে হলে আপনার ১৮+ বয়স হওয়া বাধ্যগত। আশাকরি পাঠক বইটি পড়বেন আর পলিটিক্যাল মোকিংগুলো উপভোগ করবেন৷ 

রাতুল হাসান, নথুল্লাবাদ, বরিশাল 



১৮+কবিতাঃ অশিক্ষিত এর গালাগালি By সজল আহমেদ PDF ১৮+কবিতাঃ অশিক্ষিত এর গালাগালি By সজল আহমেদ PDF Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ৭:২৯ AM Rating: 5

ভালোবাসার কবিতা Pdf ডাউনলোড

বইয়ের নাম: ছেড়া চিঠির পাণ্ডুলিপি
টাইপ: কবিতা
লেখক: ইসকাত জাহান রাইয়া , সজল আহমেদ
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ:  ১.১ মেগাবাইট
ডাউনলোড লিংক: Google Drive |Click here to download

ভূমিকা

বাআক অনলাইন সাহিত্য ম্যাগাজিনের সৌজন্যে নির্বাচিত দুই কবির কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হলো এবারের ই-বইটি। আমাদের প্রথম প্রকাশিত ই-বইটি ছিলো সজল আহমেদ এর ছোটছোট ১২১টি কবিতা নিয়ে "একজন বেকুবের উপাখ্যান।'' ই-বইটির পিডিএফ ভার্সন বেশ নাম কুড়িয়েছিলো। ডাউনলোড করেছিলো প্রায় ৭,৪৬৫ জন পাঠক। ই-বইটির অ্যান্ড্রুয়েড অ্যাপ ও ডেভেলপ করা হয়েছিলো যেটি আমরা প্লে-স্টোরে যোগ করতে পারিনি তবুও ১৮,৭৮৬ জন পাঠক ডাউনলোড করেছিলো বিভিন্ন মাধ্যম থেকে। বিষয়টি আমাদের জন্য চমকপ্রদ ছিলো শুধু তাই নয় ও থেকেই আমরা উৎসাহিত হই আরেকটি ই-বই প্রকাশ করার। 
এবারের ই-বইটি সমৃদ্ধশালী হয়েছে কবিতার ভুবনে নতুন মুখ কবি ইসকাত জাহান রাইয়ার কবিতা দিয়ে সাথে আছে সজল আহমেদ এর কিছু টুকটাক কবিতা। কবি ইসকাত জাহান রাইয়ার আঠেরোটি কবিতা ও সজল আহমেদ এর ১২টি কবিতা। মোট ৩০টি কবিতা নিয়ে এবাররে ই-বইটি প্রকাশিত হলো। আশাকরি কবিতাগুচ্ছ সবার মন জয় করতে সক্ষম হবে। পাঠক কবিতাগুচ্ছ পড়ুক। চিন্তা করুক। এবং সমালোচনা করুক। এটুকুই আমাদের চাওয়া। ধন্যবাদ।
শতাব্দি সেঁজুতি
সম্পাদক, বআক অনলাইন সাহিত্য ম্যাগাজিন
উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ
তারিখঃ ৬ই জানুয়ারি, ২০১৮ ইংরেজী।











ভালোবাসার কবিতা Pdf ডাউনলোড ভালোবাসার কবিতা Pdf ডাউনলোড Reviewed by তৌহিদ আজগর - Tawhid Azgor on ১১:৩১ PM Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.